• ই-পেপার

কথামালা

টিভিতে

টিভিতে

ক্রিকেট

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া, দ্বিতীয় ওয়ানডে

সরাসরি, দুপুর ২টা

 

অন্যান্য চ্যানেল ক্রিকেট

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

আয়ারল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড

সরাসরি, রাত ১১-৩০ মিনিট, স্টার স্পোর্টস ১

 

টি-স্পোর্টস

টি-স্পোর্টস

ফিফা বিশ্বকাপ

মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়া

সরাসরি, সকাল ৭টা

যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

সরাসরি, রাত ১টা

স্কটল্যান্ড-মরক্কো

সরাসরি, শনিবার ভোর ৪টা

ব্রাজিল-হাইতি

সরাসরি, শনিবার সকাল ৬-৩০ মিনিট

সিরিজ বাঁচানোর লড়াই বাংলাদেশের

সিরিজ বাঁচানোর লড়াই বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের অনুশীলন। ছবি : মীর ফরিদ, চট্টগ্রাম থেকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ওয়ানডেতে প্রথম দুটি ম্যাচ জিতেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ সিরিজ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ স্বাগতিক দলের। কারণ প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। বন্দরনগরীতে আজ তাই জেতার বিকল্প নেই বাংলাদেশের।

সিরিজ বাঁচানোর লড়াই বাংলাদেশেরপ্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতা ডুবিয়েছে বাংলাদেশকে। আগে ব্যাটিং করে ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। ওপরের সারির কোনো ব্যাটারই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে চাপ তৈরি করতে পারেননি। উল্টো তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকারদের উইকেট বুঝতে না পারার খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। প্রথম ম্যাচে চিরায়ত ব্যাটিং-সহায়ক উইকেট ছিল না চট্টগ্রামে। বলের গতি কিছুটা ধীর ছিল। উইকেটের চরিত্র না বুঝে চালিয়ে খেলতে গিয়ে আউট হয়ে আসেন তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমনরা। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত বোলিং কোচ তালহা জুবায়েরের কণ্ঠেও ছিল একই হতাশা, ‘আমরা একটু বেশি তাড়াহুড়া করেছি। অতিরিক্ত বাউন্ডারি মারার প্রবণতা ছিল। উইকেট দেখে মনে হয়েছে, ২০০ রানের না।’ আজ নিশ্চয়ই দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ থাকবে ব্যাটারদের ওপর।

ম্যাচের আগের দিন গতকাল অনুশীলনসূচি ছিল না বাংলাদেশ দলের। আনুষ্ঠানিক অনুশীলন ছিল না অস্ট্রেলিয়ারও। দুই দলই অনেকটা বিশ্রামের মতো করে কাটিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগের দিন। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে একাদশে ছিলেন না বাংলাদেশ দলের নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। তাঁর জায়গায় সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সৌম্যকে। ব্যাট হাতে তিনি অবশ্য খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। আউট হন ১৮ বলে ১৭ রান করে। আজ লিটন ফিরলে তাই বসতে হবে সৌম্যকে।

 

কলম্বিয়া-ঘানার জয়, চেকদের ড্র

কলম্বিয়া-ঘানার জয়, চেকদের ড্র

কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তান ম্যাচকে ঘিরে মেক্সিকো সিটি যেন পরিণত হয়েছিল হলুদের নগরীতে। এক দিনের জন্য শহরটার দখল নিয়েছিল কলম্বিয়ার সমর্থকরা। হলদে রঙে তাই ছেয়ে গিয়েছিল আজতেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারিও। সেই হলুদের সমুদ্রে বিজয় উল্লাস করলেন লুইস দিয়াস-জ্যামিতন ক্যাম্পেস-দানিয়েল মুনোসরা। বিশ্বকাপের নবাগত উজবেকিস্তানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে নিজেদের মিশন শুরু করেছে কলম্বিয়া। পর্তুগালকে নিয়ে গড়া গ্রুপ কে-এর শীর্ষেও এখন লাতিন আমেরিকার দেশটি।

গতকাল বৃহস্পতিবার আটলান্টায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে ১-১ গোলে ড্র করেছে চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচের ছয় মিনিটের সময় মিকাল সাদিলেকের গোলে চেকিয়া এগিয়ে গেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার তেবোহো মোকোয়েনা ৮৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান। উভয় দলই প্রথম ম্যাচ হেরে যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ২-১ গোলে চেকিয়া এবং মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হারে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করেছে কার্লোস কুইরোজের ঘানাও। কানাডার টরন্টোতে গ্রুপ এল-এর লড়াইয়ে আফ্রিকার কালো তারারা ১-০ গোলে হারিয়েছে কনকাকাফ অঞ্চলের প্রতিপক্ষ পানামাকে।

মেক্সিকো সিটিতে উজবেকদের বিপক্ষে কলম্বিয়ার জয়ের নায়ক লুইস দিয়াস। বিশ্বকাপে অভিষেকটা তিনি রাঙিয়েছেন নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুররস্কারও জিতেছেন বায়ার্ন মিউনিখ ফরোয়ার্ড। সব মিলিয়ে ৯৩ মিনিট মাঠে থেকে ৪৭ বার বলে পায়ের ছোঁয়া লাগিয়েছেন তিনি। সঠিক পাস দিয়েছেন ৭৮ শতাংশ এবং মাঠে বলের দখলে ১০ বারে জিতেছেন তিনি সাতবার। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের পথচলার শুরুটা স্বপ্নীল হয়েছে দিয়াসের। চল্লিশ মিনিটে তাঁরই চমৎকার লফটেড পাস থেকে ভলিতে বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে এগিয়ে নেন দানিয়েল মুনোস। দ্বিতীয়ার্ধে হেডারে লক্ষ্যভেদ করে উজবেকদের হয়ে সমতা ফেরান আবোসবেক ফায়জুল্লায়েভ। কয়েক মিনিট পরেই আবার এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। এবারের গোলদাতাও সেই দিয়াজ। এরপর ৯৯তম মিনিটে ক্যাম্পেসের গোলে জয়ের ব্যবধান আরো বেড়েছে কলম্বিয়ার। কানাডার টরন্টোতে নাটকীয় জয় পেয়েছে ঘানা। গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোতে থাকা ম্যাচের ৯৫তম মিনিটে কালেব ইয়েরেংকির গোল উৎসবের উপলক্ষ এনে দেয় কালো তারাদের। এই ম্যাচের ডাগ আউটে থেকে অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন ঘানার কোচ কার্লোস কুইরোজ। বোরা মিলুতিনোভিচের পর দ্বিতীয় কোচ হিসেবে টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে যাওয়ার রেকর্ড এখন তাঁর। এর আগে ২০১০ সালে নিজ দেশ পর্তুগালকে এবং পরের তিনটি বিশ্বকাপে তিনি ডাগ আউটে ছিলেন ইরানের। রয়টার্স