• ই-পেপার

বাজেটের পরতে পরতে শ্রমিক, নারী ও শিশুদের কথা উঠে এসেছে : এমপি সাঈদ

মোহাম্মদপুরে আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে ঢামেকে ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে ঢামেকে ববি হাজ্জাজ

মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত বিএনপি নেতা নুরুল ইসলামকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) গেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তিনি ঢামেক হাসপাতালে পৌঁছান এবং আহত নুরুল ইসলামের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি মোহাম্মদপুর থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে উন্নত চিকিৎসার নির্দেশনা দেন।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

নিজের নাম ব্যবহার করে মামলা না করার অনুরোধ শাহে আলমের

অনলাইন ডেস্ক
নিজের নাম ব্যবহার করে মামলা না করার অনুরোধ শাহে আলমের

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অভিযোগ করেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে ‘অপতথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে মামলা, বিবৃতি বা অন্য কোনো পদক্ষেপ না নেয়, সেই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি মীর শাহে আলমকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ, প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো মামলা, বিবৃতি বা অন্য কোনো পদক্ষেপ না নেয়। এ ধরনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই।’

এতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের চারজনকে নিয়ে উদ্ভূত ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাবেন এবং গ্রেপ্তার সাংবাদিক দ্রুত মুক্তি পাবেন।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘একই সঙ্গে যেহেতু মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক ও বগুড়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ, তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহান পেশা সাংবাদিকতায় কর্মরত সাংবাদিক সমাজের দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়—সেদিকে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তার সম্পর্কে প্রচারিত বিভিন্ন অপতথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন।’

জান্নাতের টিকিট কারা বিক্রি করেছে, তার ভিডিও আছে : জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
জান্নাতের টিকিট কারা বিক্রি করেছে, তার ভিডিও আছে : জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া হয়, অথচ বিগত দিনে জান্নাতের টিকিট কারা বিক্রি করেছে তার ভিডিও আছে। অমুক নেতার নাম নিলে অজু করা লাগবে, এ কথা তারাই বলেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) ফতুল্লার মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে সরকার অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে কালো হাত, বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য ভিসিদের সরিয়ে দিয়ে দলের একান্ত ভিসিদের বসিয়ে দেওয়া, জেলা পরিষদের মতো জায়গায় নিজের ক্যাডার ও দলীয় নেতাদের বসিয়ে দেওয়া—এভাবে একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, একদলীয় শাসন এই দেশের মানুষ মেনে নেবে না। বিরোধী দলকে সবচেয়ে বেশি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করত আওয়ামী লীগ। এখন বিএনপিও ওই পুরনো আওয়ামী লীগ যা বলত, তাদের কথাগুলো তারাও জপা শুরু করেছে—যে কথাগুলো বলতে বলতে আওয়ামী লীগ গিয়ে পড়েছে দিল্লিতে। আপনারাও জপতে জপতে কোথায় গিয়ে পড়বেন? জনগণ এসব কথা আর খায় না। আমরা আশা করতে চাই, সরকার নিজেদের ভুল নীতি পরিহার করে জনকল্যাণমূলক, জনবান্ধব নীতিতে ফিরে আসবে।

তিনি আরো বলেন, গণভোটে জনগণের রায়কে সম্মান না করলে হিমালয়ের মতো দাঁড়াবে মানুষ। নারায়ণগঞ্জে এসে ব্যবসায়ীদের মাঝে বোবা কান্না দেখেছি। চাঁদাবাজরা তাদের ভালো থাকতে দিচ্ছে না।

বক্তব্যের শেষে সিটি করপোরেশনগুলোতে দ্রুত নির্বাচন দাবি করেন তিনি শফিকুর রহমান। সেই সঙ্গে আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বারকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ধর্ম অবমাননার নামে মানুষ হত্যা, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া শেখ হাসিনার আমল থেকে শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ সময় তিনি রামু, নাসিরনগর, কলমাকান্দা, ঠাকুরগাঁও, কুমিল্লা এবং রংপুরের ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সহিংসতার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, এমন অনেক ঘটনা বলা যাবে।

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘রাষ্ট্র এখানে ভয়ের চোটে কথা বলে না, পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকে। গ্রামের পর গ্রাম ধর্ম অবমাননার নামে হাসিনার সময় থেকে শুরু হয়েছে জ্বালিয়ে দেওয়া।’

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উপস্থাপিকার প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা যখন মাজার ভাঙা হয় তখন সরকার কি করে? এমন প্রশ্ন রাখেন স্বতন্ত্র্য এই সংসদ সদস্য।

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপি মুখে উদারপন্থী দল হিসেবে বললেও ভেতরে ভয় পায়। উদার পন্থাপটও বাদ দিলাম। প্রতিটা নাগরিকের সেফটি সিকিউরিটি নিশ্চিত করার দায়িত্বটা তাদের নেওয়া উচিত ছিল।’

সংসদে বিরোধী দলকে পোষা বিরোধীদল হিসেবে অ্যাখ্যা দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘আমি ছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিও মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না কেন? কাদেরকে খুশি করতে চায় তারা।’