• ই-পেপার

ব্যাংক আইনের নতুন ধারায় আপত্তি আইএমএফের

  • সংস্কারের পরিকল্পনা চেয়েছে সংস্থাটি
  • আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ বাতিল হচ্ছে

আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানাম করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৮ জুন ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৩৯ টাকা ৭২ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ০৪ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৪৭ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৪ টাকা ৬৬ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৩ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৭৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ৩০ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৮ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ২১ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলা বাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত?
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ে সোনা ও রুপার দাম যথাক্রমে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা ও ১৭৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সোনা ও রুপা বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।

গতকাল শনিবার সকালে সোনা ও রুপার দাম বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ ছাড়া ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাটের বিষয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
 

দুই বছরে বন্ধ ৪৫৭ প্রতিষ্ঠান

চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক কার্যাদেশ কমে যাওয়া, জ্বালানিসংকট ও আর্থিক দুরবস্থায় বিপর্যস্ত শিল্প খাত পুনরায় চালুতে আর্থিক সহায়তা চান উদ্যোক্তারা

অনলাইন ডেস্ক
দুই বছরে বন্ধ ৪৫৭ প্রতিষ্ঠান
প্রতীকী ছবি

কার্যাদেশের ঘাটতি, মালিকদের আর্থিক সংকট, শ্রম অসন্তোষ এবং দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই বছরে দেশের ৪৫৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক।

শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নানা সংকট শিল্প খাতকে বড় ধরনের চাপে ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া ৪৫৭টি কারখানার মধ্যে ৩৯৮টিই গাজীপুর, আশুলিয়া ও চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলে  অবস্থিত। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার গাজীপুরের ইউনিক ডিজাইনার্স লিমিটেড ও ইউনিক ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আর্থিক সংকটের কারণ দেখিয়ে গত ১৬ জুন থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর প্রতিষ্ঠান দুটি স্থায়ীভাবে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এ দুই কারখানা বন্ধের ফলে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৮৭টি তৈরি পোশাক খাতের বাইরে। বাকি কারখানাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সদস্য ১০৮টি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ৩৫টি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সদস্য আটটি এবং বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস অথরিটির (বেপজা) আওতাধীন ১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে উৎপাদন ও কার্যাদেশ কমে যাওয়ার কারণে ৭৯টি কারখানা মোট ৭ হাজার ৭৮৪ শ্রমিককে ছাঁটাই করেছে। এর আগে বড় পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আল-মুসলিম গ্রুপ তাদের নিটওয়্যার ও ডেনিম কারখানা থেকে প্রায় ১ হাজার ৯০০ শ্রমিক ছাঁটাই করে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে পোশাকের চাহিদা কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়া হয়ে পড়া, ব্যাংকিং জটিলতা, কাঁচামালের সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুদ্ধ এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তবে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রি-ফাইন্যান্স স্কিম চালু করেছে। এ ছাড়া কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের জন্য আরও ৫ হাজার কোটি টাকার পৃথক তহবিল গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে পোশাক খাতের সংগঠনগুলোর কাছে বন্ধ ও আংশিকভাবে বন্ধ থাকা কারখানার তথ্য চেয়েছে। এ বিষয়ে গত ১৪ জুন বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে উদ্যোক্তারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের কঠোর শর্তের কারণে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এসব সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন না।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, সব বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। অনেক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা নেই, আবার অনেকের সিআইবি প্রতিবেদনও সন্তোষজনক নয়। তিনি বলেন, বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস, কার্যাদেশ কমে যাওয়া, কিছু কারখানার অদক্ষতা, ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়া হয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সময়মতো পণ্য রপ্তানি করতে না পারাও কারখানা বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ।

বিজিএমইএর সহসভাপতি শিহাব উদদোজা চৌধুরী জানান, প্রায় ২০০টি বন্ধ এবং ১২৩টি আংশিকভাবে বন্ধ কারখানা সরকারের ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যেসব কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কার্যকর মূলধন পেলে খুব দ্রুত কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয় বাড়ানো সম্ভব। তিনি আরও বলেন, জামানতসংক্রান্ত শর্তের কারণে অধিকাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই সিএমএসএমই খাতের জন্য ৭ শতাংশ সুদে ঋণ এবং ন্যূনতম ডাউন পেমেন্টে ঋণ পুনঃ তফসিলের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিজিএমইএ জানিয়েছে, আগ্রহী কারখানাগুলো পরিদর্শনে দুটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে সংগঠনটি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে মোট ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে চীনের ১১টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও শীর্ষ কর্মকর্তারা এ প্রস্তাব দেন।

গত ২৫ জুন বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২৭ জুন) সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। এই বার্তা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে সফলভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যার ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পাঁচ বছরের করনীতি-সংক্রান্ত পূর্বাভাস (ট্যাক্স আউটলুক) প্রকাশ করেছে। এটি বিনিয়োগকারীদের কাছে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার বার্তা হিসেবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ প্রস্তাব

১. চায়না ফিউচার এনার্জি গ্রুপ হোল্ডিং লিমিটেড
বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উন্নয়নে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

২. সাংহাই এসইউএস এনভায়রনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
দেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (ওয়েস্ট-টু-এনার্জি) উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপনে ৮৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

৩. চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি)
মোংলা বন্দর অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন, বন্ডেড গুদাম নির্মাণ এবং মোংলাকে আঞ্চলিক লজিস্টিকস হাবে রূপান্তরে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এ প্রকল্পে প্রায় ৫০ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।

৪. শেনজেন কাইফা টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড
বাংলাদেশে স্মার্ট বৈদ্যুতিক মিটার উৎপাদনে ২৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

৫. এসএফ এক্সপ্রেস
মোংলায় কোল্ড-চেইন লজিস্টিকস ও বন্ডেড গুদাম সুবিধা গড়ে তুলতে ১৮০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এতে ই-কমার্স ও রপ্তানি খাত আরও শক্তিশালী হবে।

৬. হুয়াক্সিন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি লিমিটেড
পায়রা বন্দর শিল্পাঞ্চলে পুনর্ব্যবহৃত তুলা ও সুতা উৎপাদন সম্প্রসারণ, সিলিন্ড্রিক্যাল লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন এবং নিজস্ব ব্যবহারের জন্য ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে ১৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জানিয়েছে।

৭. ঝংসিন এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন গ্রুপ
পায়রা বন্দর শিল্পাঞ্চলে ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও নিষ্পত্তি শিল্পপ্রকল্প স্থাপনে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

৮. সিআরআরসি জিয়ান কোম্পানি লিমিটেড
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রেলগাড়ির যন্ত্রাংশ সংযোজন কারখানা স্থাপনে ১৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

৯. সিচুয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড
জাতীয় সংযোগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিপিপি প্রকল্পে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

১০. চায়না কেপাই এডুকেশন গ্রুপ
দীর্ঘমেয়াদে ৩০ হাজার শিক্ষার্থী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি আধুনিক অ্যাপ্লাইড বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা শিল্পপার্ক নির্মাণে ২৭০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জানিয়েছে।

১১. চায়না শানডং ঝংসিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড
বাংলাদেশে বৃহৎ পরিসরে চীনা ভেষজ উদ্ভিদের চাষ এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প গড়ে তুলতে ১৯০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন