• ই-পেপার

চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস

দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের উল্লিখিত কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি, পদায়ন করা হলো। তার নিয়োগের শর্তগুলো হলো, তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন, তিনি পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন, তিনি স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভবিষ্য তহবিল, যৌথ বীমা ও অন্যান্য তহবিলে চাঁদা দেবেন, বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়ি ভাড়া ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা দেবেন, বোর্ড কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তিনি লিভ স্যালারি ও পেনশনের চাঁদা দেবেন, সরকারের প্রচলিত ও প্রণীতব্য বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তার চাকরি নিয়ন্ত্রিত হবে।

অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ ১৯৯৬ সালে ১৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পটুয়াখালী সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজ ও কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন।

২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। অধ্যাপক ইলিয়স আহমেদ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সৈয়দপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর নুর মো. আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জুলাই আন্দোলনে হামলা

ছাত্রলীগের ৩৭ নেতাকর্মীর শাস্তি কমাল জাবি

জাবি প্রতিনিধি
ছাত্রলীগের ৩৭ নেতাকর্মীর শাস্তি কমাল জাবি
সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের ৪৩ নেতাকর্মীর শাস্তি পুনর্বিবেচনা করে ৩৭ জনের শাস্তি শিথিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় দণ্ডপ্রাপ্তদের আপিলের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ. বি. এম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৪ জুলাই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে, ১৫ জুলাই তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে এবং উপাচার্যের বাসভবনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গত বছরের ৪ আগস্ট ছাত্রলীগের ১৮৯ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সাজাপ্রাপ্তদের অনেকের আপিল আবেদনের প্রেক্ষিতে মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থীর শাস্তি পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের শাস্তি কমেছে।

রেজিস্ট্রার জানান, চিরতরে বহিষ্কার হওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আটজনের বহিষ্কারের মেয়াদ কমিয়ে দুই বছর এবং পাঁচজনের মেয়াদ কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে।

দুই বছরের বহিষ্কারাদেশ পাওয়া আট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সনদ বাতিল হওয়া ১২ জনের মধ্যে পাঁচজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি সাতজনের মধ্যে চারজনের সনদ বাতিলের মেয়াদ কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে এবং তিনজনের ক্ষেত্রে দুই বছরের শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সাময়িক বহিষ্কারের শাস্তি পাওয়া দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে, অপরজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থার ৪ স্তম্ভে পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে নতুন উপাদান : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাব্যবস্থার ৪ স্তম্ভে পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে নতুন উপাদান : প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য ৪টি মূল স্তম্ভ এবং ১টি নতুন উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, স্ট্রিমসমূহের এলাইমেন্ট (সমন্বয়), প্রযুক্তির সংযোজন (এআই ও ফিউচার জবস) এর ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকায় র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডুকেশন আয়োজিত ক্যামব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, উদ্বোধন ২০২৬ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,  বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। এসব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, যেন মাদরাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমমানের সুযোগ পায়।

শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষাব্যবস্থা চলতে পারে না।

তিনি জানান, দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জুলাই আন্দোলনে হামলা

বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতিসহ জাবির ১২ শিক্ষককে শাস্তি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতিসহ জাবির ১২ শিক্ষককে শাস্তি

জুলাই আন্দোলনের সময় হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ১২ শিক্ষককে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে বাধ্যমূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। পদাবনতি ও বেতন অবনমন করা হয়েছে ৯ শিক্ষককে। এ ছাড়া একজন কর্মকর্তাকেও শাস্তির দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তি না পান এবং কোনো অপরাধী যেন পার না পেয়ে যান এই বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

সিন্ডিকেট অভিযুক্ত ১৯ শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এর মধ্যে একজন শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর, নয় শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে পদাবনতি ও বেতন অবনমন, দুই শিক্ষককে সতর্কীকরণ এবং সাতজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘২০২৫ সালের ১৭ মার্চ গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দীর্ঘ আলোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গত বছরের ৪ আগস্ট ছাত্রলীগের ১৮৯ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সাজাপ্রাপ্তদের অনেকের আপিল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থীর শাস্তি পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তৎকালীন ভিসি, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) ও কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে তৎকালীন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও কোষাধ্যক্ষের ভূমিকাও উঠে এসেছে। তবে তাদের নামে তখন কোনো স্ট্রাকচার কমিটি গঠন করা হয়নি। তাই সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের প্রত্যেকের নামে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কার কী শাস্তি

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসরাফিল আহমেদ রঙ্গন, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলমগীর কবির, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান, অধ্যাপক বশির আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজউদ্দিন শিকদার, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের প্রভাষক কানন কুমার সেনের বেতন নিম্নধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে। কয়েকজনকে আগামী পাঁচ বছর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে এবং শর্ত পূরণ সাপেক্ষে দুই বছর পর পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এছাড়া নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রৌফ শৈবালকে প্রভাষক পদে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খানকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদাবনতি দেয়া হয়েছে। তারাও দুই বছর পর শর্তসাপেক্ষে পদোন্নতির আবেদন করতে পারবেন।

ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হোসনে আরা এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ মামুনকে সতর্কীকরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ড. এ মামুনকে আগামী পাঁচ বছর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে আইবিএ-জেইউর সহকারী অধ্যাপক পলাশ সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মোহাম্মদ তারেক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলাম খন্দকার, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ছায়েদুর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক মনির উদ্দিন শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রাজীব চক্রবর্তীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।