• ই-পেপার

কৃষিবিদ ডা. শাহাদাতের ওপর হামলার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ সভা

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন লটারিতে

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন লটারিতে
সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়নে লটারি পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন এই নিয়মের আওতায় শিক্ষকদের উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ অধিশাখার এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নতুন শিক্ষকদের পদায়নের দায়িত্ব পালন করবে জেলা কমিটি।

জেলা প্রশাসককে (ডিসি) সভাপতি এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে সদস্যসচিব করে গঠিত কমিটি লটারির মাধ্যমে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন নিশ্চিত করবে।

কমিটিতে জেলা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা প্রশাসক মনোনীত দুজন গণ্যমান্য ব্যক্তিও থাকবেন। কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করে পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করবে এবং প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নোবিপ্রবিকে আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নোবিপ্রবিকে আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (নোবিপ্রবি) একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, নোবিপ্রবির সেই জায়গা, অবস্থান ও পরিবেশ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ‘ইনক্লুসিভ’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার সব ধরনের সুযোগ রয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন এবং ডিনস অ্যাওয়ার্ড ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত সপ্তাহেই মন্ত্রিসভায় বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং, মেডিক্যাল সায়েন্স, আইসিটির মতো বিষয়গুলো থাকবে। নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়েরও সেই ধরনের সক্ষমতা রয়েছে।’

মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতির ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পুরস্কার। এই স্বীকৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলবে, যা আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কাজে সহায়ক হবে।’

দেশের জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘জনশক্তিকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে পারলে তারা বিদেশে গিয়ে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবে। এজন্য মাদ্রাসা শিক্ষাতেও কারিগরি বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আগামীতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কমন বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে।’

পরীক্ষা ও শিক্ষক সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ‘আগামী ২ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৯টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা একই প্রশ্নে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষায় কোনো বৈষম্য রাখা হবে না।’

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষক সংকট দ্রুতই কেটে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টে মামলার কারণে ২০১৭ সাল থেকে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি বন্ধ ছিল। বিষয়টি সংসদে উত্থাপনের পর আদালতের নজরে এসেছে। আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এটি নিষ্পত্তি হলে সমস্যার সমাধান হবে।’

নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৯ জন কৃতি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ এবং ৩ জন শিক্ষককে ‘ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী নোবিপ্রবির বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

সভায় তিনি আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা যেন শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

২০২৬ সালের আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা ধর্মীয় বিধি-নিষেধের কারণে সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলোতে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

শর্তে বলা হয়, এ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা শনিবার সকাল ১০টার আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হবে ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের সাথে প্রবেশপত্রে বর্ণিত দ্রব্যের বাইরে কিছু থাকবে না। কোনো অবস্থাতেই তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না এবং বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না।

ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’-এর ব্যানারে মুরাদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষক ঘুরে, প্রক্টর কী করে?’, ‘হয়রানির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’, ১নারীবান্ধব ক্যাম্পাস চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে নারী নিরাপত্তা মঞ্চের সংগঠক ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, গত ১২ মে সংঘটিত ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার অভিযুক্ত এখনো আইনের আওতায় আসেনি। এমনকি ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তের পরিচয় শনাক্ত বা তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, আন্দোলনের মুখে প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছিল। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

সোহাগীর ভাষ্য, এ ঘটনায় যেমন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। শুধু ১২ মের ঘটনাই নয়, পরবর্তী সময়েও ক্যাম্পাসে একাধিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বারবার বলেছি, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়তো তাদের দায়িত্ব নয়, কিন্তু ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অবশ্যই তাদের। সে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

গত আড়াই বছরে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিপীড়নের ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোহাগী বলেন, আজকের নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিষ্ক্রিয়তার ফলেই এই বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে প্রশাসনের বিলম্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রশাসন সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন অবিলম্বে প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নারী নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে আন্দোলন আরো জোরদার করা হবে।

মানববন্ধনে আরেক সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিসা জামান বলেন, পরিবারগুলো নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশের প্রত্যাশায় তাদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এমনও দেখেছি, দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে বলছেন নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের নয়। তাহলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার—সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমালোচনা করে লামিসা বলেন, ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্ট করতে পারে এমন কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর প্রায় আড়াই হাজার নারী শিক্ষার্থী ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত দাবিগুলোর কোনোটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।

লামিসার অভিযোগ, প্রশাসন পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্তের তথ্য প্রকাশের কথা বললেও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। ছুটির মধ্যেও নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছুটিকালেও ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় নারী হয়রানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী প্রতিদিন নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে সেই ক্যাম্পাসকে নিরাপদ বলা যায় না।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জবাবদিহি সংশ্লিষ্টদেরই করতে হবে।