• ই-পেপার

প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে হিট সাব-প্রজেক্টের ‘আইডিয়া শেয়ারিং’ কর্মশালা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে হিট সাব-প্রজেক্টের ‘আইডিয়া শেয়ারিং’ কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড অ্যাডাপ্টেশন স্ট্র্যাটেজিস ফর এক্সট্রিম হিট ইন ঢাকা সিটি’ শীর্ষক ‘আইডিয়া শেয়ারিং’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিভাগের অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম রিসোর্স কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এই প্রজেক্ট পরিচালনা করছে।

আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন ও সাব-প্রজেক্টের এসপিএম অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক।

কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী মো. ফজলুল হক। সাব-প্রজেক্টের এএসপিএম অধ্যাপক ড. আছিব আহমেদ গবেষণা কার্যক্রম বিষয়ে প্রেজেন্টেশন দেন। সাব-প্রজেক্টের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার ইসমত হাসনাইন প্রজেক্টের অগ্রগতি তুলে ধরেন। সাব-প্রজেক্টের সদস্য অধ্যাপক ড. নাহিদ রেজওয়ানা অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

এ সময় আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবেলায় এই গবেষণা প্রকল্পটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও বায়ুদূষণ রোধে পরিবেশবান্ধব সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে গবেষণার ফলাফল সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে সংযুক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে গবেষণার তথ্য অনলাইনে নিয়মিত প্রচার ও ডেটা আপডেট করতে হবে।

কর্মশালায় বক্তারা ঢাকা শহরে তাপপ্রবাহের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, জনস্বাস্থ্য, নগর পরিকল্পনা, ভূমি ব্যবহার, সবুজায়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো এবং নগর ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রমকে আরো ফলপ্রসূ ও নীতিনির্ধারণে ব্যবহারোপযোগী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

ঢাবি ও ইন্দোনেশিয়ার ব্রিনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি ও ইন্দোনেশিয়ার ব্রিনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি: কালের কণ্ঠ

সমুদ্রবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ব্লু ইকোনমি বিষয়ক গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় গবেষণা ও উদ্ভাবন সংস্থা (ব্রিন)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্ন্যান্স (আইসিওজি) এবং ব্রিনের রিসার্চ সেন্টার ফর ডিপ সি-এর মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপাচার্যের অফিস সংলগ্ন সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং ব্রিনের রিসার্চ সেন্টার ফর ডিপ সি-এর প্রধান অধ্যাপক ড. আ’আন ওয়াহিউদি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির, আইসিওজির ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট অধ্যাপক ড. টোনিয়া অ্যাস্ট্রিড কাপুয়ানো, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশিদ এবং ব্রিনের গবেষক ও প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন আইসিওজির পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী।

চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক বিজ্ঞান গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তন অধ্যয়ন, ব্লু ইকোনমি উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, একাডেমিক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্র শাসন ও টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সহযোগিতা ব্লু ইকোনমি খাতে জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আত্মিক ও মৌলিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ সংগীত : ববি হাজ্জাজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
আত্মিক ও মৌলিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ সংগীত : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

মানুষের আত্মিক ও মৌলিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ সংগীত বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, ইতিহাস এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতিটি স্তরেই সংগীতের প্রভাব অত্যন্ত জোরালো। আমাদের বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের অবদান চিরন্তন ও অপরিসীম। তারা আমাদের জাতীয় জীবনের পথপ্রদর্শক। নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের এই অনন্য সৃষ্টি ও সাহিত্যকর্মকে আরো বেশি ছড়িয়ে দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী পঞ্চম রবীন্দ্র-নজরুল সংগীত উৎসবের সমাপনী দিনে ‘নজরুল-পর্ব’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি সংগীতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মানুষের মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি নিজের কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের প্রতি তার গভীর অনুরাগের কথাও উল্লেখ করেন।

সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা যাতে সহজেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ পান, সেজন্য একটি কার্যকর ও সরাসরি কর্মসংস্থানের পথ তৈরির বিষয়ে কাজ চলছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের উদ্যোগে এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগীতপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে।

সমাপনী দিনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, সংগীত ও দর্শন নিয়ে আলোচনা সভা এবং নজরুলসংগীত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও সংগীত পরিবেশন করেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের মেধাবিকাশে শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করবে ইউজিসি

অনলাইন ডেস্ক
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের মেধাবিকাশে শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করবে ইউজিসি
ইউজিসি লোগো। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের শিক্ষা, মেধা বিকাশ ও উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে, বিদ্যমান মেধাবৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগকে কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ, কল্যাণমূলক ও মানবসম্পদ উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গতকাল বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মচারী কল্যাণ তহবিল পরিচালনা পরিষদের ৬৯তম সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থসামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত অগ্রগতি ও মেধা বিকাশে কার্যকর সহায়তা প্রদান করা জরুরি। শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করা হলে পরিবারগুলোতে স্থিতিশীলতা তৈরি হবে, যা কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, একজন কর্মীর মানসিক প্রশান্তি ও কর্মদক্ষতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চয়তার ওপর। 

তিনি আরো বলেন, সন্তানরা যদি সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে, তবে তারা ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। 

এ কারণেই শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। 

সভায় কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের মেধাবৃত্তি, সাধারণ বৃত্তি ও পরীক্ষার ফি বাবদ ৬ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য ৩ লাখ ৭২ হাজার ৬৯২ টাকা অনুমোদন করা হয়।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, ইউজিসি’র পরিচালক ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ওমর ফারুখ ও ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাজমুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই উদ্যোগকে সংশ্লিষ্ট মহল ইউজিসি’র অভ্যন্তরীণ মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কল্যাণ ও টেকসই প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।