• ই-পেপার

আনোয়ার ইস্পাতের আয়োজনে রুয়েটে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

এমটিবিতে ডিএমডি হিসেবে যোগ দিলেন একেএম তারেক

অনলাইন ডেস্ক
এমটিবিতে ডিএমডি হিসেবে যোগ দিলেন একেএম তারেক
সংগৃহীত ছবি

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসিতে (এমটিবি) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এবং ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হিসেবে সম্প্রতি একেএম তারেক যোগ দিয়েছেন। এমটিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংকিং পেশায় প্রায় ২৯ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একেএম তারেক কর্মজীবনে ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, করপোরেট ব্যাংকিং এবং ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্টের মতো খাতে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন। এমটিবিতে যোগদানের আগে তিনি ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র জোনাল হেড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় পদে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

একেএম তারেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে কানাডার রয়্যাল রোডস ইউনিভার্সিটি থেকে ডিজিটাল টেকনোলজি ম্যানেজমেন্টে এমবিএ সম্পন্ন করেন। তিনি একজন ওমেগা সার্টিফায়েড ক্রেডিট প্রফেশনালও।

বাবুল্যান্ডে বিনা মূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাবুল্যান্ডে বিনা মূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

শিশুদের সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে এগিয়ে এলো বাংলাদেশের বৃহত্তম ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড চেইন বাবুল্যান্ড। শিশুদের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এবং সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশের বৃহত্তম ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড চেইন বাবুল্যান্ড ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শাখায় বিনা মূল্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৮ জুন) বাবুল্যান্ডের সব শাখায় অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল ভিটামিন-এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী শিশুদের লাল ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাজধানীর মিরপুর-২ শাখায় রবিবার (২৯ জুন) ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

খেলাধুলার গণ্ডি পেরিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতায় বাবুল্যান্ড
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাবুল্যান্ড শুধু একটি ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড নয়; বরং শিশুদের সুস্থ, সক্রিয় ও আনন্দময় শৈশব গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠানটির ২১টি সক্রিয় শাখা রয়েছে, যা দেশের অসংখ্য পরিবারের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বাবুল্যান্ডে মনে করে

একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তোলার অঙ্গীকার থেকেই আমরা সিটি করপোরেশন, ডিজিএইচএস, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং ইপিআই বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে এই বিনামূল্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল কর্মসূচি পরিচালনা করেছি। আমাদের লক্ষ্য, দেশের প্রতিটি শিশু যেন এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিসেবা পায়। বাবুল্যান্ড বিশ্বাস করে—সুস্থ শিশুই গড়ে তোলে সুস্থ বাংলাদেশ।

বাবুল্যান্ড সম্পর্কে
২০১৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশের শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, সক্রিয় ও আনন্দময় খেলার পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাবুল্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। মিরপুর-২-এ মাত্র ৬,০০০ বর্গফুটের একটি ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড দিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দেশের চারটি শহরে ২১টি শাখা পরিচালনা করছে এবং শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

ইউনিকো হসপিটালে ‘ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউনিকো হসপিটালে ‘ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং’
সংগৃহীত ছবি

দেশের ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং সেবাকে আরো সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করার লক্ষ্যে ইউনিকো হসপিটাল পিএলসি সফলভাবে আয়োজন করেছে ‘ন্যাশনাল নার্সিং ওয়ার্কশপ-২০২৬’। কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নার্সিং পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

উন্নত ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, ব্যাবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে জরুরি ও জটিল রোগীসেবার মান বাড়ানোই ছিল এই বিশেষ কর্মশালার মূল লক্ষ্য।

কর্মশালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হালিমা আখতার। ইউনিকো হসপিটালের চিফ অব নার্সিং সার্ভিস এলিজাবেথ জোথির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হসপিটালের সিইও আর্দ্রা কুরিয়েন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিকো হসপিটালের চিফ অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. শরীফ আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও হসপিটালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ওমর ফারুক এবং কনসালট্যান্ট ডা. উম্মে কুলসুম। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোওয়াটার ইন্টারন্যাশনাল (কানাডা)-এর প্রোনার্স প্রকল্পের ন্যাশনাল নার্স স্পেশালিস্ট মো. আহসান হাবিব এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্সিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি ড. নাহিদা আখতারসহ দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসক ও নার্সিং নেতারা।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারী নার্সরা জটিল রোগী ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল সিপিআর ও ডিফিব্রিলেশন, ক্র্যাশ কার্ট ম্যানেজমেন্ট, এন্ডোট্র্যাকিয়াল টিউব কেয়ার, মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর পরিচালনা এবং প্রেসার আলসার (বেডসোর) ব্যবস্থাপনা। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের অর্জিত দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক ‘পোস্ট-টেস্ট’ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা সব অংশগ্রহণকারীর মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয় এবং পোস্ট-টেস্টে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য শীর্ষ তিনজনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানান, এই ধরনের সময়োপযোগী উদ্যোগের মাধ্যমে ইউনিকো হসপিটাল দেশে নার্সিং পেশার দক্ষতা উন্নয়ন, পেশাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নত ও বিশ্বস্ত রোগীসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার আরও একবার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতায় দৃক গ্যালারিতে পাঠাও-এর বিশেষ প্রদর্শনী

অনলাইন ডেস্ক
সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতায় দৃক গ্যালারিতে পাঠাও-এর বিশেষ প্রদর্শনী
সংগৃহীত ছবি

নিরাপদ সড়ক নিয়ে সবাইকে সচেতন করা এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ও সুপারঅ্যাপ ‘পাঠাও’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে মাসব্যাপী ‘Safe থাকি, Safe রাখি’ কার্টুন প্রতিযোগিতা। গত ২০ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত চলা এই প্রতিযোগিতায় হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা এবং যানবাহনের ফিটনেসের মতো প্রতিদিনের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসগুলো কার্টুনের মাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

এই সচেতনতা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পাঠাও ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় পাঁচটি বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। এর মাঝে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউরাপি) এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ছোটোদের সচেতন করতে একটি স্কুলে এবং 'কার্টুন পিপল'-এর সাথে মিলে গুলশান-২ এ সাধারণ মানুষের জন্য একটি লাইভ ড্রয়িং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

দেশজুড়ে দারুণ সাড়া জাগানো এই আয়োজনে বিভিন্ন শিল্পী ও সৃজনশীল মানুষের কাছ থেকে ৪৫০টিরও বেশি কার্টুন জমা পড়ে। যার মধ্য থেকে বাছাই করা সেরা কার্টুনগুলো নিয়ে গত ২৬ জুন একটি সুন্দর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দৃক গ্যালারিতে বিশেষ প্রদর্শনী শুরু হয়। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা কার্টুনগুলোর সৃজনশীলতা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বার্তাগুলো সম্পর্কে ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করেন।

এই আয়োজন প্রসঙ্গে পাঠাও-এর সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফাহিম আহমেদ বলেন, ‘২০১৫ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমরা লক্ষ-কোটি মানুষের যাত্রার অংশ হয়েছি। আমাদের প্রতিদিনের যে কর্মক্ষেত্র, তা কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট অফিস বা চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ নয়; আমাদের কর্মক্ষেত্র হলো এই রাজপথ, সারা দেশের রাস্তা। আর তাই রাস্তায় সবাইকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব কারো একার কিংবা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের নয়। এটি আমাদের সকলের একটি সামষ্টিক ও যৌথ দায়িত্ব।’

তিনি আরো বলেন, ‘Safe থাকি Safe রাখি ক্যাম্পেইনে, আমরা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে সবাইকে এই সচেতনতার যাত্রায় সম্পৃক্ত করার জন্য কার্টুনের মতো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল মাধ্যমকে বেছে নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, কার্টুনিস্টদের মেধা ও মনন সড়ক নিরাপত্তার মতো একটি সরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা খুব সহজেই সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারে। আমরা নিজেরা নিরাপদ থাকব, সবাইকে নিরাপন রাখব, শিক্ষা, সচেতনতা ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আসুন আমরা এই রাজপথকে সবার জন্য নিরাপদ করে তুলি।’

অনুষ্ঠানে আগত বিশেষ অতিথি আহসান হাবিব তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘কার্টুনিস্টদের পথচলা অনেক দীর্ঘ। আমরা যারা কার্টুন আঁকি, তাদের কাজটা শুধু একটা প্যানেলে একটা ছোট্ট ছবি এঁকে ছেড়ে দেওয়া নয়; এর পেছনে থাকে গভীর ভাবনার এক দীর্ঘ জার্নি। ‘সেফ থাকি সেফ রাখি’ ক্যাম্পেইনের এই আয়োজনে আমাদের প্রফেশনাল ও অ্যামেচার কার্টুনিস্টরা যেভাবে একটি সিংগেল প্যানেল মিডিয়ামের মাধ্যমে সামাজিক এই বার্তা ফুটিয়ে তুলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রতিটি কার্টুনের পেছনে থাকা সেন্স অফ হিউমার এবং সামাজিক বার্তা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আশা করি আমাদের কার্টুনিস্টরা তাদের তুলির আঁচড়ে এভাবেই সমাজ সচেতনতায় আরো বড় অবদান রেখে যাবেন ‘

তিনি আরো বলেন, ‘পাঠাও-কে ধন্যবাদ এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ নেয়ার জন্য। এই ক্যাম্পেইনটির উদ্দেশ্য ছিল সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সবাইকে সচেতন করা এবং প্রতিদিনের অভ্যাসের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো। কার্টুন ও সৃজনশীল গল্পের মাধ্যমে নিজেদের দৈনন্দিন যাতায়াতের অভ্যাস নিয়ে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করা এবং সবার জন্য সড়ক নিরাপদ করতে অনুপ্রাণিত করাই ছিল এর লক্ষ্য।’

সারা দেশ থেকে আসা কার্টুনগুলোর বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন দেশের বিখ্যাত কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব এবং জনপ্রিয় তরুণ শিল্পী মোরশেদ মিশু ও রাশাদ ইমাম তন্ময়। বিচারকদের রায়ে বিজয়ী সেরা ৬ জনকে মোট ১,০৫,০০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৫০,০০০ টাকা পাচ্ছেন রাইল হোসেন। দ্বিতীয় পুরস্কার ২৫,০০০ টাকা পাচ্ছেন নাতাশা জাহান এবং তৃতীয় পুরস্কার ১৫,০০০ টাকা পাচ্ছেন ফরিদুর রহমান রাজীব। এছাড়া চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে ৫,০০০ টাকা করে পাচ্ছেন জুরিস আল মাহি, শওকত রাসাদিন শওনি এবং মাহতাব রশিদ।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুর ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দৃক গ্যালারিতে চলমান এই প্রদর্শনীতে কার্টুন দেখার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য রয়েছে আরও অনেক আকর্ষণ। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও দর্শনার্থীরা দেয়াল পেইন্টিংয়ে পার্টিসিপেট করার সুযোগ পাচ্ছেন, সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে একটি আলোচনা সভা শুনতে পারবেন এবং একটি নাটক উপভোগ করতে পারবেন। বিনোদনের জন্য আরও থাকছে সরাসরি কার্টুন বা ক্যারিকেচার এঁকে নেওয়ার সুযোগ, মজার সব পেম এবং ছবি তোলার জন্য সুন্দর ফটো বুথ। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে তরুণদের এই দারুণ উদ্যোগটি দেখার জন্য সবাইকে এই প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪,০০,০০০ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২,০০,০০০ মার্চেন্ট এবং ১৫,০০০ রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬,০০,০০০-এরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।