• ই-পেপার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিপিএফ ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু

২ জুলাই শুরু হচ্ছে ১৯তম ‘অ্যাসেন্ট করপোরেট কাপ-২০২৬’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২ জুলাই শুরু হচ্ছে ১৯তম ‘অ্যাসেন্ট করপোরেট কাপ-২০২৬’
সংগৃহীত ছবি

দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ অপেশাদার করপোরেট ৫-এ-সাইড ফুটবল টুর্নামেন্ট অ্যাসেন্ট করপোরেট কাপের ১৯তম আসর শুরু হচ্ছে আগামী ২ জুলাই। স্কলাস্টিকা উত্তরা ক্যাম্পাসে এই টুর্নামেন্ট হবে।

২০০৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশের অপেশাদার ফুটবল অঙ্গনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসরে পরিণত হয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর দল এবং ফুটসলপ্রেমীরা প্রতি বছর মিলিত হন।

২০০৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিযোগিতাটি দেশের অপেশাদার করপোরেট ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসরে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দল এবং ফুটসলপ্রেমীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

২০০৮ সাল থেকে অ্যাসেন্ট গ্রুপ প্রতিযোগিতাটির শিরোনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্ত রয়েছে। শিক্ষা, প্রকাশনা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাসেন্ট গ্রুপ করপোরেট ফুটসলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতিযোগিতার মান ও অংশগ্রহণ বাড়ায় ২০২৪ সাল থেকে এটি দুটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী দলগুলোর জন্য রয়েছে প্রিমিয়ার বিভাগ, আর নতুন ও বিকাশমান দলগুলোর জন্য চ্যাম্পিয়নশিপ বিভাগ।

এবারের আসরে শিরোনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে অ্যাসেন্ট গ্রুপ। সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে তুরাগ অ্যাকটিভ ও সিকিউরেক্স। সহযোগী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে এমকে এন্টারপ্রাইজেস, পোলার আইসক্রিম, ইন্টারপোর্ট গ্রুপ ও বিগি ইন্টারঅ্যাকটিভ। উপহার সহযোগী গোল্ড কিনেন, সংবাদ সহযোগী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বেতারবিহীন ইন্টারনেট সহযোগী আমরা নেটওয়ার্কস এবং পানীয় সহযোগী এসএমসি প্লাস।

প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণ ‘অ্যাসেন্ট লেগ্যাসি ম্যাচ’, যা চ্যাম্পিয়নশিপ বিভাগের ফাইনালের আগে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রদর্শনী ম্যাচের মাধ্যমে প্রতি বছর ফুটবলকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সমতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারকারী বিভিন্ন উদ্যোগকে সম্মান জানানো হয়। অতীতে এই আয়োজনের অংশীদার ছিল জাগো ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ হুইলচেয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং পাওয়ার অব শি।

এবার ‘অ্যাসেন্ট লেগ্যাসি ম্যাচ’-এর অংশীদার থ্রাইভ। ঢাকার সুবিধাবঞ্চিত এলাকার বিদ্যালয়গুলোর মেধাবী ও সম্ভাবনাময় কিশোর ফুটবলারদের নিয়ে ৩০ মিনিটের একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এতে দুটি দল অংশ নেবে।

আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মূল বার্তা হলো—দারিদ্র্য নয়, সম্ভাবনা; দান নয়, সুযোগ। অংশগ্রহণকারী অনেক শিশুর জন্য এটিই হবে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর ফুটসল মাঠে প্রথম খেলার অভিজ্ঞতা। তারা প্রতিযোগিতার অন্য খেলোয়াড়দের মতো একই মাঠে, একই পরিবেশে খেলবে এবং সমানভাবে সম্মাননা ও পদক লাভ করবে।

আয়োজকদের ভাষ্য, অ্যাসেন্ট করপোরেট কাপ বিশ্বাস করে—ফুটবল মাঠে কোনো পদমর্যাদা, বিশেষ সুবিধা কিংবা বৈষম্যের স্থান নেই; সেখানে মূল্যায়ন হয় শুধু প্রতিভা, সম্মান ও সমান সুযোগের।
 

ফরিদপুর ও মাদারীপুরে বিকাশ-বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সম্প্রসারণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফরিদপুর ও মাদারীপুরে বিকাশ-বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সম্প্রসারণ
সংগৃহীত ছবি

স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সৃজনশীল চিন্তাকে উৎসাহিত করতে বিকাশ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত বইপড়া কর্মসূচির সম্প্রসারণ করা হয়েছে ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলায়। এ কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার বই বিতরণ করা হবে।

এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি ফরিদপুরের হালিমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইশান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল, হিতৈষী উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও তারার মেলা স্কুল এবং মাদারীপুর জেলার আলহাজ আমিনউদ্দিন হাই স্কুল, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, মাদারীপুর, জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ, জুলিও কুরী উচ্চ বিদ্যালয় ও ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বই দেয়া হয়।

ফরিদপুর শিশু একাডেমি মিলনায়তন ও মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে বিকাশ ও আলোকিত মানুষ গড়ার প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম এবং মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মর্জিনা আক্তার স্ব স্ব জেলায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান ও বিকাশ এর হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির সহ অনেকে।

বইপড়া কার্যক্রমকে আরো জনপ্রিয় করতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য সমসাময়িক বিষয়ের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে, কুইজ বিজয়ী শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, কল্পনাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে সেই লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দীর্ঘদিন দেশজুড়ে বই পড়া কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এই উদ্দেশ্যকে আরো প্রসারিত ও কার্যকরী করতে ২০১৪ সাল থেকে বই পড়া কর্মসূচির সাথে যুক্ত আছে বিকাশ। এই কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে এপর্যন্ত ৪ লাখের বেশি বই বিতরণ করেছে যার মাধ্যমে প্রায় ৩০০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪ লাখের এর বেশি পাঠক উপকৃত হয়েছে।

ইউআইইউতে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউআইইউতে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) স্কুল অফ বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সর (এসওবিই) উদ্যোগে ‘নেক্সাস সেমিনার সিরিজ’ শীর্ষক প্রোগ্রাম মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইউআইইউ ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এই দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগটি ব্যবসা, অর্থনীতি, সমাজ এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি কার্যকর ও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করবে।

বৈশ্বিক অস্থিরতার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের চাপ ও ক্রমবর্ধমান ব্যাবসায়িক ব্যয়ের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। এই প্রেক্ষাপটে সদ্য চালু হওয়া সিরিজটি একাডেমিক সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এসওবিইর আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য নেক্সাস সেমিনারগুলোতে শিল্পক্ষেত্রের পেশাদারদের নেতৃত্বে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

এতে ইউআইইউর শিক্ষার্থীরা শীর্ষস্থানীয় ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পাবে, যা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের সাথে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার এক সমন্বয় সৃষ্টি করবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র কৃষি অর্থনীতিবিদ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ড. ইফতিখার মোস্তফা ;কাঠামোগত সংস্কারের জন্য উদ্ভাবন, ভ্যালু চেইন এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা শীর্ষক মূল বক্তব্য প্রদান করেন। তিন দশকের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি কাঠামোগত সংস্কার চালনার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন: উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলা, বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খল (জিভিসি) শক্তিশালী করা এবং অর্থবহ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করা।

এ প্রসঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সম্প্রসারণযোগ্য সমাধানের উদাহরণ তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে বোঝা যায় কীভাবে সমন্বিত প্রণোদনা টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সম্ভব করে তুলতে পারে।

আলোচক হিসেবে ইউআইইউর অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. এম. ওমর ফারুক, তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন- বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত-পরবর্তী অর্থনীতিতে বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলে (জিভিসি) উত্তরণের জন্য মূল্য সৃষ্টি, মূল্য আহরণ এবং মূল্য বণ্টন সম্পর্কে একটি ব্যাপকতর ও আরও পরিশীলিত বোঝাপড়া অত্যন্ত জরুরি।

অর্থবহ পদ্ধতিগত সংস্কার অর্জনের অপরিহার্য পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি সিস্টেম থিংকিং এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, পদ্ধতিগত সংস্কার কখনোই শূন্যে ঘটে না, এর জন্য প্রয়োজন সুপরিকল্পিত দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষায় আন্তঃশাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও সক্ষমতা বিকাশের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন এবং উল্লেখ করেন; বর্তমানে সমাজ যে জটিল সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে, তার অধিকাংশই কোনো একক অ্যাকাডেমিক শাখার সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

নেক্সাস সিরিজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ বলেন- বাংলাদেশের প্রচলিত প্রবৃদ্ধির কর্মপন্থা তার কাঠামোগত সীমায় পৌঁছে গেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (৪আইআর) যুগে কঠিন অর্থনৈতিক আপস-মীমাংসা কমাতে পরিমাপযোগ্য ও উদ্ভাবনী সমাধান অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন- কাঠামোগত সংস্কারের জন্য সরকার, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকে এক সমন্বিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং অর্থবহ পরিবর্তন আনতে এই তিনটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খান এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ড. সালমা করিম, গবেষণাভিত্তিক নীতি সংলাপকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে তাদের বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

কার্যকরী নীতি সংস্কারের ওপর একটি আলাপচারিতামূলক প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শেষ হয়, যেখানে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গবেষক এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের উচ্চ পর্যায়ের ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাকার্তায় টাইমস হায়ার এডুকেশনের জিএসডিসি আয়োজনে এআইইউবির অংশগ্রহণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জাকার্তায় টাইমস হায়ার এডুকেশনের জিএসডিসি আয়োজনে এআইইউবির অংশগ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গ্লোবাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কংগ্রেসে (জিএসডিসি) অংশগ্রহণ নিয়েছে। এ বছরে টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) আয়োজিত সম্মেলন ২২ থেকে ২৫ জুন ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ইন্দোনেশিয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের কংগ্রেসে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রদর্শনী (এক্সিবিটর) বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অংশ নেয় এআইইউবি। সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন অধিবেশনেও অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এআইইউবির প্রতিনিধি দলে ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইশতিয়াক আবেদীন, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য শানিয়া মাহিয়া আবেদীন, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. দীপ নন্দী এবং অফিস অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের উপপরিচালক কারলিন নোয়েলে জিটা লামাগনা।

সম্মেলন চলাকালে এআইইউবি ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে। এসব চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ ছাড়া সিটি ইউনিভার্সিটি অব ম্যাকাও, নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং হানইয়াং ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

অধ্যাপক ড. দীপ নন্দী এবং কারলিন লামাগনা টাইমস হায়ার এডুকেশনের সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস বিষয়ক একটি মাস্টারক্লাসে অংশ নেন। পাশাপাশি অধ্যাপক ড. দীপ নন্দী শিক্ষা ও সামাজিক প্রভাববিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

জিএসডিসি ২০২৬-এ এআইইউবির অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিকীকরণ কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।