• ই-পেপার

এখনো উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ ছাত্রশিবির নেতা জিসান

সিলেটে সাত দিন ধরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে সাত দিন ধরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ
সংগৃহীত ছবি

সিলেটে আফজল হোসাইন  নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সাত দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সে নগরের শাহপরাণ থানাধীন জাহানপুরস্থ মুহিব রোকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।

নিখোঁজ আফজল হোসাইন  (২১) সিলেট নগরের মেজরটিলা ইসলামপুর এলাকার মুসলিমনগরের বাসিন্দা মৃত আনা মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, গত ৭ জুন রবিবার মাদ্রাসা থেকে আফজল কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যায়। এরপর সে বাসায় ফেরেনি। বাসায় না ফেরায় আত্মীয় স্বজনরা মাদ্রাসাসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান পাননি। এ বিষয়ে পরদিন ৮ জুন নিখোঁজ আফজালের মা শিফা বেগম সিলেটের শাহপরাণ রহ. থানায় জিডি করেছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের সময় আফজল হোসাইনের পরনে খয়েরি রঙের পাঞ্চাবি ও সাদা পায়জামা ছিল। তাঁর গায়ের রং শ্যামলা, গোলাকার মুখায়ব, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। সে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।

সিলেটের শাহপরান রহ. থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্কর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বলেন, ‘নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালন
ছবি : কালের কণ্ঠ

শিশুশ্রম বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সহায়তায় জেলা শহরের কলেজ রোড এলাকায় একটি মানববন্ধন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)। পরে রাজা সূর্য কুমার ইনস্টিটিউশনের হলরুমে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সনাক সভাপতি মো. আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সনাকের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নাজমা সুলতানা ও ফজলুল হক মণ্ডল, সদস্য অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান, পরিমল চন্দ্র, মধুসূদন সাহা, দিদারুল হক হিরু, খাদিজাতুল কুবরা নাজমা এবং শয়ন শিকদার।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে শিশুশ্রম নিরসনে বিভিন্ন নীতিগত অঙ্গীকার ও আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি থাকলেও এটি এখনও একটি গভীর সামাজিক সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। বিশেষ করে বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা, আইন ও নীতি থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের অভাব এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর উদাসীনতার কারণে সমস্যাটি অব্যাহত রয়েছে।

আলোচনাসভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে শিশুশ্রম নিরসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা বা উদাসীনতা ‘লাল কার্ড’ পাওয়ার যোগ্য। শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ, জবাবদিহিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সনাকের সদস্য, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।

শেরপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিলনমেলা

শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিলনমেলা
ছবি : কালের কণ্ঠ

শেরপুরে আনন্দ মিছিল করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকরা। রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে শেরপুর সরকারি কলেজ মাঠে মিলনমেলা শেষে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় আর্জেন্টিনা দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে পতাকা হাতে ভুভুজেলা বাঁশি ও বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে নেচে-গেয়ে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকরা আনন্দ-উল্লাস করে। শহরের রঘুনাথ বাজার থানা মোড়ে এসে পটকা ফুটিয়ে উল্লাস করে এ আনন্দ র‌্যালি ও মহামিলনমেলার সমাপ্তি ঘটে।

00

আর্জেন্টিনা ফুটবল ফ্যানসের অন্যতম সংগঠক সাংবাদিক মো. মেরাজ উদ্দিন বক্তব্য বলেন, আমরা আশাবাদী এবারও টানা দ্বিতীয়বার এবং সব মিলিয়ে চতুর্থবারের মতো আর্জেন্টিনা ফিফা বিশ্বকাপ জিতবে। এটাই হয়তো মেসির শেষ বিশ্বকাপ। এ জন্য আমরা দলের শুভ কামনায় এ মহামিলনমেলা ও আনন্দ র‌্যালির আয়োজন করেছি। এর মধ্য দিয়ে শেরপুরে আমরা ফুটবলে একটি আর্জেন্টিনা পরিবার গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি।

আশুলিয়ায় চার্জে থাকা মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ী

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় চার্জে থাকা মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ী
ছবি : এআই দিয়ে প্রস্তুত করা

সাভারের আশুলিয়ায় চার্জে থাকা দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট এলাকার আলীমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর তার কক্ষে আগুনও ছড়িয়ে পড়ে।

দগ্ধ মিজানুর রহমান ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার সিদ্দিক ভেন্ডার এলাকার বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ার সোনিয়া মার্কেট এলাকায় স্টকলট ব্যবসা করতেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মিজানুর রহমান আলীমের বাড়ির নিচতলায় একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করতেন। শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ বিকট শব্দের পর তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে যায়। পরে কক্ষের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিস্ফোরণের ঘটনায় কক্ষের কিছু আসবাব পুড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মোবাইল ফোনের পোড়া অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের দাবি, মিজানুর রহমান দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন, যার একটি আইফোন। ঘটনার সময় দুটি ফোনই চার্জে সংযুক্ত ছিল এবং তিনি সেগুলো ব্যবহার করছিলেন। এ অবস্থায় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়।

তবে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি কর্মকর্তা মামুন হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো ফোন আসেনি। এমন কোনো ঘটনার তথ্যও আমাদের জানা নেই।’