• ই-পেপার

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ের দাবিতে প্রবাসীর বাড়িতে অবস্থান তরুণীর

সুনামগঞ্জ

ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর অভিযোগ

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট দিয়ে কিশোরকে ফাঁসানোর অভিযোগ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরি করে এক কিশোরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বড় ভাই।

বুধবার রাতে জামালগঞ্জ থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন ওই কিশোরের বড় ভাই আলী মিয়া।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কামধরপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে ছামিরুল ইসলাম (১৫)-কে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একই গ্রামের বর্ষা (২৮) নামে এক নারী নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা দাবি করেন। পরে সেই দাবির সমর্থনে ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তৈরির চেষ্টা করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া রিপোর্ট তৈরির প্রস্তাব দেন ওই নারী। তবে একাধিক স্থানে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি কৌশল পরিবর্তন করে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে সঙ্গে নিয়ে জামালগঞ্জের মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান এবং ওই নারীর আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট নিজের নামে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে। এ সময় স্থানীয়রা জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

মেহেরুন্নেছা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মিসবাহ উদ্দিন বলেন, বিষয়টি অনিয়মপূর্ণ মনে হওয়ায় অভিযুক্ত নারীর নামে কোনো রিপোর্ট দেওয়া হয়নি।

মেডিকো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. এফাউল মিয়া বলেন, একজন নারী আমাদের প্রতিষ্ঠানে এসে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট সংগ্রহের চেষ্টা করেন। আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি।

অভিযোগকারী আলী মিয়া বলেন, আমার ভাই এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাকে ফাঁসিয়ে আমাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযুক্ত বর্ষা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মানহানির মামলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজবাড়ীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি মো. মাসুদ মন্ডলকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার হাতিরঝিল থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রাজবাড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আসামি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রামদিয়া গ্রামের নওশের মন্ডলের ছেলে। তিনি রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানগঞ্জ ইউনিনের বেলগাছি রঘুনাথপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর থানায় শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার পর থেকেই আসামি মাসুদ মন্ডল পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজবাড়ী সদর থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামান ও এসআই সোহেবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঢাকার হাতিরঝিল থানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

রাজবাড়ী থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, ‘অপরাধ করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আসামিকে গ্রেপ্তারের পর যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। শিশু সুরক্ষায় ও অপরাধীদের দমনে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।’

রাঙামাটি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় রসুন-ইউরিয়া সার জব্দ

রাঙামাটি সংবাদদাতা
রাঙামাটি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় রসুন-ইউরিয়া সার জব্দ
সংগৃহীত ছবি

রাঙামাটির সীমান্তবর্তী হরিণা এলাকা দিয়ে নদীপথে ভারতে পাচারের সময় চায়না রসুন ও ইউরিয়া সার জব্দ করেছে ছোট হরিণা ১২ বিজিবি টহল দল। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে ছোট হরিণা এলাকা দিয়ে নদী পথে সীমান্ত দিয়ে ইঞ্জিন চালিত বোটে পাচারের সময় জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, নদীপথে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে কিছু যাবে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টহল জোরদার করা হয়। এসময় ইঞ্জিন চালিত বোটে ১৮ বস্তা চায়না রসুন ও ৯ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন সময় একটি চক্র বাংলাদেশি পণ্য পাচারের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির তৎপরতায় বারবার ব্যর্থ হয় তারা। 

বিজিবি ছোট হরিণা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালানা বন্ধে বিজিবি কঠোর নজরদারি করছে। কোনো অবৈধ পণ্য বাংলাদেশ থেকে যাতে সীমান্ত পাড়ি দিতে না পারে সেজন্য বিজিবি সজাগ রয়েছে। গত মাসে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কেজি মতো চায়না রসুন জব্দ করা হয়েছে।

কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত উপজেলার কুটি দক্ষিণ বাজার ও এর আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুটি ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে একই স্থানে ও একই সময়ে পৃথক দুটি কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি পক্ষ কসবা আখাউড়ার সংসদ সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মুশফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করে।

অপরদিকে, বিএনপির আরেকটি পক্ষ কুটি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম শাহীনকে সংবর্ধনা দেওয়ার অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ওই সভায় কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফখর উদ্দিন খান প্রধান অতিথি এবং সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। একইসঙ্গে কুটি দক্ষিণ বাজার ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একই স্থান ও সময়ে বিএনপির দুই পক্ষের কর্মসূচি থাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কুটি দক্ষিণ বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।