• ই-পেপার

চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের সময় হামলা

১৫ জনের নামে পুলিশের মামলা, গ্রেপ্তার ১

জামালগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
জামালগঞ্জে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার সাচনা বাজারে উত্তর ইউনিয়ন ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস শহীদ ছবর আলী তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং উত্তর কামলাবাজ সামাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইনসান আহমেদ মনিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আলী আক্কাছ মুরাদ ও মো. খুরশেদ আলম, সাচনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাকর মজুমদার, কালীপুর নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা নূরুল হক, ভীমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন এবং উত্তর কামলাবাজ সামাজিক সংগঠনের সভাপতি এমদাদুর রহমান হিরণসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের প্রধান শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মেধার বিকাশ দেশের ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে পারে। কিন্তু যুবসমাজ মাদকের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়লে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মাদকাসক্তি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ বলেও তারা উল্লেখ করেন।

তারা আরো বলেন, মাদকাসক্তি বিভিন্ন অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, কিশোর অপরাধসহ নানা সামাজিক অপরাধের পেছনে মাদকের প্রভাব রয়েছে। তাই মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগ নয়, অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদেরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা যুবসমাজকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তাদের মতে, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

সমাবেশে উপস্থিত জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী বলেন, ‘মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা— হয় মাদক ছাড়তে হবে, নয়তো এই এলাকা ছাড়তে হবে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, মাদক নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে প্রাণ গেল আরেক ভাইয়ের

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে প্রাণ গেল আরেক ভাইয়ের
প্রতীকী ছবি

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে  চাচাতো ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে প্রাণ হারালেন আরেক ভাই। 

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নছরতপুর (মল্লিকপাড়া) গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের নীরেন্দ্র মল্লিক (৪৫) এবং তার চাচাতো বড় ভাই পল্লী চিকিৎসক দিগেন্দ্র মালাকার (৬০)।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন ব্যবসায়ী  নীরেন্দ্র মল্লিক। স্বজনরা তাৎক্ষণিক একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছার পর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কান্নার শব্দে নিহতের চাচাতো ভাই দিগেন্দ্র মালাকার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকেও একই অ্যাম্বুলেন্সে করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের আত্বীয় অনন্ত মালাকার  বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি। নীরেন্দ্রর মৃত্যুর খবর শুনে আমরা যখন সবাই স্তব্ধ, ঠিক তখনই দিগেন্দ্র দাদাও আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। একই রাতে, একই অ্যাম্বুলেন্সে করে আধা ঘন্টার ব্যবধানে দুই ভাইয়ের এভাবে চলে যাওয়াটা পুরো গ্রামকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

নারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ, পাথরঘাটার ওসি প্রত্যাহার

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি
নারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ, পাথরঘাটার ওসি প্রত্যাহার
ওসি মো. এনামুল হক। সংগৃহীত ছবি

বরগুনার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হককে প্রত্যাহার করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এক নারীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ তদন্তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) স্বাক্ষরিত ওই পত্রে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরীকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এসিড হামলার শিকার ফাতিমা জমাদ্দার অর্পা নামের এক নারী গত ২০ মে আদালতের নির্দেশে পাথরঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ৯ মে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর এসিড নিক্ষেপ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি থানায় এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

ফাতিমা জমাদ্দারের অভিযোগ, মামলার প্রধান আসামি বাদশা আকনকে গত বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হলেও ঘুষের বিনিময়ে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি জানতে গত বৃহস্পতিবার সকালে থানায় যাওয়ার পথে তাঁর ওপর আবারও হামলা চালানো হয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, থানায় ওসির কক্ষে প্রবেশের পর ওসি তাঁকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি সেই মাল? ইবলিশ যেন কোথাকার।’ এছাড়া তাঁর সঙ্গে অশালীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। এতে তিনি অপমানিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু। তিনি দাবি করেন, তাঁর সামনেই ওসি ভুক্তভোগী নারীকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন আচরণে উপস্থিত সবাই বিব্রত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে এ ঘটনার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওসি মো. এনামুল হকের সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সাগরে ইলিশের আকাল, খালি হাতে ফিরছেন জেলেরা

মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ, পাথরঘাটা (বরগুনা)
সাগরে ইলিশের আকাল, খালি হাতে ফিরছেন জেলেরা
ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে মাছ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ছিল। দীর্ঘ বিরতিতে মাছের নিরাপদ প্রজনন শেষে সাগরে ইলিশের পরিমাণ বাড়বে এবং জালে প্রচুর মাছ মিলবে- এমন আশায় দলে দলে সাগরে রওনা হন জেলেরা। তবে নিষেধাজ্ঞার পর আট দিনেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। এতে হতাশ হয়ে প্রায় খালি হাতে ফিরতে দেখা গেছে অধিকাংশ জেলে নৌকাকে।

জেলেরা বলছেন, একটি বড় ট্রলার নিয়ে গভীর সাগরে মাছ ধরতে গেলে সেখানে সাধারণত ১০ থেকে ১৫ দিন থাকতে হয়। প্রত্যেক  ট্রলারে ১৫ থেকে ২৫ জন মাঝি-মাল্লা থাকেন। এ সময় খাবার, বিশুদ্ধ পানি, বরফ, জ্বালানি তেল ও অন্যান্য রসদ বাবদ খরচ হয় তিন  থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা। একটি ট্রিপ লাভজনক করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার মাছ বিক্রি প্রয়োজন। কিন্তু এবার অনেক ট্রলার খরচের টাকাও তুলতে পারেনি। 

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ট্রলার ভিড়লেও নেই চিরচেনা কোলাহল। মাছ নামানোর ব্যস্ততা, আড়তদারদের হাঁকডাক কিংবা শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য অনেকটাই অনুপস্থিত। কারণ অধিকাংশ ট্রলারই ঘাটে ফিরেছে ট্রলারভর্তি ইলিশ নয়, হতাশা নিয়ে।

উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে ও ট্রলার মালিকদের দাবি, সাগরে মাছের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু তাদের জীবিকাই নয়, দেশের মাছভিত্তিক  অর্থনীতিও হুমকিতে পড়বে। তাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান তারা।

এদিকে, পাথরঘাটা খুচরা মাছ বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মাছের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে অনেক ধরনের মাছের প্রত্যাশিত দাম।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন,
৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর বড় আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। পাঁচ থেকে সাত দিন সাগরে থেকেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাইনি। বাধ্য হয়ে খালি হাতেই ফিরছি। যে ট্রিপে আগে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করতাম, এবার সেখানে খরচের টাকাও ওঠেনি।’

এই ট্রলারের মালিক আরো বলেন, ‘যখন আমরা এক ট্রিপে ১০-১২ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করি, তখন সবাই তা শুনতে পায়। কিন্তু টানা তিন-চারটি ট্রিপ লোকসান দিলে সেই কষ্টের কথা কেউ শোনে না। ভেবেছিলাম আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব। কিন্তু উল্টো আরো  লোকসানের মুখে পড়ছি। এভাবে চলতে থাকলে একসময় হয়তো এই পেশা ছাড়তে হবে।’

এফবি সিফাত ট্রলারের মালিক মো. মুজিবুর রহমান কালু বলেন, ‘মাছ না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। অনেকেই দাদন ও ঋণের বোঝা নিয়ে দিশাহারা।’ তিনি বলেন, গোপন সূত্রে জানতে পেরেছি, নিষেধাজ্ঞাকালে কিছু অসাধু ট্রলার মালিক ও জেলে প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে সাগরে মাছ শিকার করেছেন। 

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা মেনে জেলেরা কর্মহীন সময় পার করেছেন। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। আশা ছিল নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে গিয়ে ভালো মাছ পাবেন, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এখন ইলিশের ভরা মৌসুম, অথচ সাগরে মাছের দেখা মিলছে না।’

পাথরঘাটা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হক বলেন, ‘জেলেরা প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা কম মাছ পাচ্ছেন বলে জানতে পেরেছি। আমরাও ভেবেছিলাম নিষেধাজ্ঞার পর মাছের প্রাচুর্য বাড়বে। তবে এটি সাময়িক পরিস্থিতি হতে পারে। আশা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাগরে ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের উপস্থিতি বাড়বে এবং জেলেরা ভালো আহরণ করতে পারবেন।’