• ই-পেপার

ময়মনসিংহে বিল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যার বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যার বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর
ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর শহরের আলোচিত কলেজ শিক্ষার্থী রবিন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে গফরগাঁও সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিহত রবিনের বন্ধুদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের ১৫ থেকে ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত একজন সন্দেহভাজন ছাড়া অন্য কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকলিন, আনাফ, রাইন, ইন্না ও তামান্না বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর এত দিন পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অপরাধীরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।’

নিহত রবিনের বাবা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ, টেহা-পয়সা নাই। আসামি ধরা পড়ে না। আমার একটাই পুত আছিন। আল্লাহর কাছে বিচার চাই।’

এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান সেখ বলেন, ‘রবিন হত্যাকাণ্ডের পর আমি এ থানায় যোগদান করেছি। ইতোমধ্যে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি এবং মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

নরসিংদীতে প্রতিনিধি
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা (৬৫) মারা গেছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৪টার দিকে নরসিংদী শহরের বাসাইল রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃদ্ধার সঙ্গে দুই প্যাকেট কাঁচা মাংস ও কিছু কাঁচা আম ছিল। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোথাও বেড়াতে বা আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

নরসিংদীতে নিখোঁজের তিনদিন পর মাইক্রোবাসচালকের মরদেহ উদ্ধার

নরসিংদীতে প্রতিনিধি
নরসিংদীতে নিখোঁজের তিনদিন পর মাইক্রোবাসচালকের মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

নরসিংদীর পলাশে নিখোঁজের তিনদিন পর ইব্রাহিম খান নামে এক মাইক্রোবাস চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে পাঁচদোনা-ঘোড়াশাল সড়কের ভাগদী এলাকায় একটি কালভার্টের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইব্রাহিম খান (২৭ ) পাঁচদোনার নেহাব গ্রামের শহিদ খানের ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়,  তিন দিন আগে রাতে একটি ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ইব্রাহিম। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজখবর না পেয়ে পরিবারের স্বজনরা পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন ঘোড়াশালের ভাগদী সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে পচা দুর্গন্ধ পেয়ে সন্দেহবশত আশপাশে খোঁজাখুজি করে। পরে একপর্যায়ে সড়কের পাশের একটি কালভার্টের নিচে একটি লাশ দেখতে পায় তারা। পরে পুলিশকে খবর দিলে নিহতের স্বজনরা ইব্রাহিমের লাশ সনাক্ত করেন।

ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ধারণা করা হচ্ছে, ঘাতকরা হত্যার পর গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি কালভার্টের নিচে ফেলে যায়। হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

ভোলায় দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ২০, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলায় দুই দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ২০, আতঙ্কে স্থানীয়রা
সংগৃহীত ছবি

ভোলার লালমোহন উপজেলায় গত দুই দিনে কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। এর আগে বুধবার আরো ১৩ জন আক্রান্ত হয়। আক্রান্তদের অধিকাংশই উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ ছাড়া কিছু কুকুরকে রোগাক্রান্ত অবস্থায় দেখা গেলেও সেগুলোর চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, কুকুরের আক্রমণের ভয়ে শিশু, নারী ও বয়স্করা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছে না। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার সময় কুকুরের উপদ্রব বেশি দেখা যাচ্ছে।

লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু মাহমুদ তালহা বলেন, কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা আক্রান্তদের বিনা মূল্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সামনে কুকুরের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করতে হবে। সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করলে কুকুরের কামড়ের ঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।