• ই-পেপার

কুমিল্লায় দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

লাকসামে অর্ধলক্ষ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
লাকসামে অর্ধলক্ষ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় প্রায় অর্ধলক্ষ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আগামী রবিবার (২৮ জুন) দিনব্যাপী চলবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর এই ক্যাম্পেইন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এইচআই) মো. তাজুল ইসলাম এবং পৌরসভার ইপিআই সুপারভাইজার মো. আবদুস ছোবহান পৃথকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌরসভার তত্ত্বাবধানে এবার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ২৪টি ওয়ার্ড (পুরাতন) ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ২৪৭টি কেন্দ্রে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪৭ হাজার ৪০৬ জন শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ), সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এএইচআই) এবং স্বাস্থ্য পরিদর্শকসহ (এইচআই) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৫১৯ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। লাকসাম উপজেলার স্বাস্থ্য ও

পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএন্ডএফপিও) ডা. নাজিয়া বিনতে আলম জানান, লাকসাম উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ২৪টি ওয়ার্ডের (পুরাতন) ১৯২টি এবং পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৫৫টি মোট ২৪৭টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের ৬ হাজার ৩৪৯ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৪১ হাজার ৫৭ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই ক্যাপসুলে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যেই একটি চক্র নানাহ ধরণের গুজব ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

কেরানীগঞ্জে মুমূর্ষু প্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে মুমূর্ষু প্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেন ইউএনও
ছবি: কালের কণ্ঠ

কেরানীগঞ্জ উপজেলার কদমতলী পয়েন্ট এলাকায় রাস্তার পাশে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকা এক প্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান ইউএনও উমর ফারুক। সেখানে গিয়ে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকা ওই ব্যক্তিকে দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।

ইউএনও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে একজন দুর্বৃত্ত ওই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি করত। পরে সুযোগ বুঝে তাকে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ইউএনও উমর ফারুক বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। 
 

নেত্রকোনায় সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে ইট টানানোর অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে ইট টানানোর অভিযোগ
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের দিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা ইট টানানোর অভিযোগ উঠেছে বেনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তারের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। 

শাহনাজ আক্তার ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে বিদ্যালয়ের পাঠদান চলাকালে ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে দিয়ে নিজের বাড়ির টয়লেট নির্মাণের জন্য রাখা ইট টানানোর কাজ করিয়েছেন শাহনাজ আক্তার। এসংক্রান্ত একটি ভিডিও কালের কণ্ঠের প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ইট বহন করতে দেখা যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাহনাজ আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিন বলেন, ‘বিদ্যালয় ছুটির পর আমি উপজেলা শহরে গিয়েছিলাম। তখন স্কুল চলছিল না। শিক্ষার্থীদের দিয়ে আমার স্ত্রী শুধু কিছু ইট এদিক-সেদিক করে রাখানো হয়েছে। ইট টানানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি। গ্রামে আমার কিছু শত্রু রয়েছে, তারা ষড়যন্ত্র করে ভিডিওটি তৈরি করে থাকতে পারে।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন খানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি ভিডিও আমার হাতেও এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হালুয়াঘাটে স্বামীর কোদালের আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ
হালুয়াঘাটে স্বামীর কোদালের আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু
হালুয়াঘাটে কৈচাপুর ইউনিয়নের জোকাবিলের কান্দা গ্রামের ধানক্ষেতে শিরিনা আক্তারের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শিরিনা আক্তার (৩০) কে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের জোকাবিলের কান্দা গ্রামের ধানক্ষেতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত শিরিনা আক্তার গাঙ্গিনাপাড় এলাকার আব্দুল মান্নানের মেয়ে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বড়খালের পাড় গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র হাবিবুর রহমান (৪০) পলাতক রয়েছেন।

এলাকাবাসীর বরাদ দিয়ে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী হাবিবুরের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্ত্রী নিহত শিরিনা আক্তারের মাঝে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। নিহতের স্বামী তাকে ঠিকমতো ভরণপোষণ দিত না।

স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার দিন দুপুরের দিকে হাবিবুর রহমান জোকাবিলের কান্দা গ্রামে ফসলি জমিতে তার স্ত্রীকে বাজার করে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। পরে সেখানেই কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে কোদালের গাড়া দিয়ে শিরিনা আক্তারের মাথায় আঘাত করে সেখান থেকে দ্রুত চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শিরিনার মৃত্যু হয়। নিহত শিরিনার ৯ বছরের মেয়ে ও ১ বছর ৬ মাস বয়সী পুত্রসন্তান রয়েছে।

নিহতের ফুফু আনোয়ারা বলেন, ‘হাবিবুর রহমানের আগের সংসার ছিল। সে সংসার রেখেই ভালোবেসে শিরিনাকে বিয়ে করে। তাদের দুজনের বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে। এ ঘটনার হাবিবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িতে তালা দিয়ে সবাই পালিয়ে গেছে।

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত মো. মোজাম্মেল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। লাশ উদ্ধারের পক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আমাদের অভিযান চলছে।