সেতুতে এমনিতেই দুর্ঘটনার শঙ্কা বেশি। তার ওপর উল্টো পথে অটোরিকশার দাপট। ট্রাফিক আইন অমান্য করে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এলাকার শাহ আমানত সেতুতে উল্টো পথে অবাধে চলছে এসব যান। এতে দুর্ঘটনার আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক এলাকা থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত বিপরীতমুখী লেনে চলছে ইজিবাইকসহ হালকা যান। এ নিয়ে প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীদের অভিযোগ, উল্টো পথে চলাচলকারী অটোরিকশা প্রায়ই মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। অনেক সময় অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও ইতোমধ্যে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাদের।
নগরীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের অভাবে চালকদের মধ্যে বেপরোয়া মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে।
নিয়মিত মোটরসাইকেলে যাতায়াতকারী সৌরভ দাস বলেন, শাহ আমানত সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়কে উল্টো পথে যান চলাচল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে সেখানে। কিছুদিন আগে সেতুতে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক বাবা ও তার ছেলে। আমরা চাই না এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর ঘটুক। তাই আইন অমান্যকারী চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, শাহ আমানত সেতু এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত অভিযান, সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়াতে হবে। আইন অমান্যকারী চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে উল্টো পথে যান চলাচল অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
এ ব্যাপারে মইজ্জ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ আবু সাঈদ বাকার বলেন, শাহ আমানত সেতুতে উল্টো পথে যান চলাচল বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। তবে অনেক চালক ফাঁকি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করেন। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




