শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় উসনাই বেগম (৬০) নামে আহত এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৭ জুন) তার মৃত্যু হয়।
রবিবার (২৮ জুন) ময়মনাতদন্ত শেষে নিহত উসনাই বেগমের মরদেহ এলাকায় এনে দাফন করা হয়েছে। নিহত উসনাই বেগম ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সারিকালিনগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। গত ২৪ জুন (বুধবার) রাতে জমির সীমানা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ইউপি মেম্বার শহীদুল ইসলাম, আব্দুল হালিম ও স্বপ্না বেগম। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উসনাই বেগমের পরিবারের সঙ্গে বাড়ির জমির সীমানা নিযে প্রতিবেশি আব্দুল হালিম, ডালিম মিয়া ও ছানা মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হালিমের লোকজন উসনাই বেগম ও তার ছেলে স্বপন মিয়ার (২৫) ওপর হামলা করলে মা-ছেলে দু’জনই আহত হন। গুরুতর আহত উসনাইকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে শুক্রবার রাতে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শনিবার সকাল ১০টায় সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পরপরই উসনাই বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে ঝিনাইগাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উসনাই বেগমের মৃত্যুর খবর পেয়ে খানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এজাহারনামীয় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতের বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠনোর নির্দেশ দিলে তাদেরকে জেলা কারাগাওে পাঠানো হয়।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. আমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই ঘটনায় সাত জনকে আসামি করে পূর্বে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, সেটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।




