• ই-পেপার

এবার নতুন ঠিকানায় গেল সেই ভাইরাল মহিষ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আ. লীগের বিচার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আ. লীগের বিচার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রদলের সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সহ-সম্পাদক শাদমান সাকিব, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবরার লাবিব উদয়, মুজিব হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন, এফ রহমান হলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল আলম শামীম প্রমুখ।

এ সময় তারা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল মিছিলোত্তর সমাবেশে বলেন, ‘সারা দেশে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সোচ্চার থাকবে।’

৭০ বছরের বৃদ্ধের লালসার শিকার স্কুলছাত্রী : বাথরুমে জন্ম নেওয়া নবজাতকের ঢামেকে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭০ বছরের বৃদ্ধের লালসার শিকার স্কুলছাত্রী : বাথরুমে জন্ম নেওয়া নবজাতকের ঢামেকে মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় ধর্ষণের শিকার এক স্কুলছাত্রীর (১২) নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (২১ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে তিন দিন বয়সী ওই পুত্রসন্তানটি মারা যায়।

সোমবার (২২ জুন) মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ নবজাতকের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, নবজাতকের প্রকৃত পিতৃপরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

জানা যায়, শরীয়তপুরের গ্রামের বাড়িতে দাদির সঙ্গে থেকে একটি স্থানীয় বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত ওই কিশোরী। তার বাবা-মা অপর এক সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরে থাকতেন এবং বাবা সেখানে রিকশা চালাতেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, প্রায় নয় মাস আগে একদিন সন্ধ্যায় কোচিং শেষ করে বাড়ি ফিরছিল তার মেয়ে। পথে প্রতিবেশী সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ মফিজুল ওরফে সোহেল তাকে ফুঁসলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে বিষয়টি তখন কাউকে জানায়নি ওই কিশোরী।

ঘটনার চার মাস পর কিশোরীর দাদি অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে ঢাকায় আসেন। ইতিমধ্যে তার বাবা-মা গাজীপুর থেকে বাসা বদল করে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় চলে আসেন। ঢাকায় আসার পর কিশোরীটি আর গ্রামে ফিরে যেতে রাজি হয়নি। পরে দাদিকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে কিশোরীকে মোহাম্মদপুরের বাসায় রেখে পড়াশোনা করানোর উদ্যোগ নিচ্ছিলেন বাবা-মা।

পারিবারিক সূত্রে আরো জানা যায়, গত শুক্রবার (১৯ জুন) হঠাৎ ওই কিশোরী পেটে প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানায়। তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় সে বাথরুমে প্রবেশ করে। দীর্ঘক্ষণ পর সে বাথরুম থেকে বের হয়ে নিজের ঘরে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ওই বাড়ির ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) বাথরুমে একটি নবজাতক পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজন নারীর সহায়তায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ওই দিনই ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাতে শিশুটি মারা যায়।

কিশোরীর বাবা বলেন, ‘নবজাতকটি কোথা থেকে এলো, তা খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি সেটি আমার মেয়েরই গর্ভের সন্তান। পরে তাকে অভয় দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে বিস্তারিত জানায়। আমরা মান-সম্মানের দিকে তাকিয়ে বিষয়টি আর কাউকে জানাতে চাইনি। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কোনো মামলাও করতে চাইনি।’

মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. সেলিম আজ বিকেলে নবজাতকের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। মর্গ সূত্রে জানা গেছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নবজাতকের বাবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নারীর ক্ষমতায়নে জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নারীর ক্ষমতায়নে জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টনের দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নারীর ক্ষমতায়নে বরাদ্দকৃত জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নারী নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নেওয়া কৌশলগুলো কতটুকু জেন্ডার চাহিদা পূরণ করছে ও অগ্রগতি কতটুকু, সে বিষয়ক সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি গুণগত বিশ্লেষণের পরিমাপক নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের জেন্ডার বাজেট বিষয়ে ধারণাগত স্পষ্টতা এবং পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর আজিমুর রহমান হলে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে নারী নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

বিএনপিএস-এর কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভানেত্রী ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্নার সভাপতিত্বে বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির পরিচালক শাহনাজ সুমী। বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরমিন্দ নীলোর্মি।

মূল বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শরমিন্দ নীলোর্মি বলেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মোট বাজেটের ৩৪ শতাংশ জেন্ডার বিষয়ক বাজেট হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মোট জিডিপির ৪ শতাংশ। নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা ও প্রায় ৪ কোটি সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মতো কর্মসূচি প্রশংসনীয়। তবে নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খাতে বরাদ্দ আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।

তবে তিনি জানান, নারীর নিরাপদ কর্মপরিবেশ খাতে বরাদ্দ ১২ শতাংশ, সাইবার নিরাপত্তা খাতে ৭ শতাংশ, চলাচল ও নিরাপত্তা খাতে ৩০ শতাংশ, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে ২২ শতাংশ এবং সরকারি সেবা গ্রহণসংক্রান্ত খাতে ৩৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়া নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। একই সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটও কমানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. শরমিন্দ নীলোর্মি আরো বলেন, নারীদের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণে কোনো প্রকার বরাদ্দ রাখা হয়নি। এমনকি শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটও কমানো হয়েছে।

সভাপ্রধানের বক্তব্যে ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, বাজেটে নারীর জন্য বরাদ্দ নারী উন্নয়ন নীতির কর্মকৌশল অনুযায়ী হচ্ছে কি না তার কোনো খতিয়ান নেই। তাই বরাদ্দকৃত জেন্ডার বাজেটের কার্যক্রমগুলো কিভাবে সরাসরি নারীর ক্ষমতায়ন ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালার কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত, তার অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রতি বছর তৈরি ও জনসমক্ষে পেশ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক তানিয়া হক পরিবারকেন্দ্রিক বাজেট প্রণয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সেটি না হলে সাধারণ মানুষ বাজেটের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। নীতি-নির্ধারকদের, বিশেষ করে সাংসদদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও বাজেট বাস্তবায়নকালীন সময়ে অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়মিত পর্যালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মালেকা বানু বাজেটের অংশীজন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ‘নারীর জন্য বাজেট অথচ নারীদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনা করা হয়নি। ফলে এটি কতটা নারীবান্ধব হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘নারী নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রশ্নে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) উপজেলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ, সরকারি আইনগত সহায়তা এবং নির্যাতনের শিকার নারীর জন্য শেল্টার হোমের সংখ্যা বাড়ানোর মতো অত্যাবশ্যক বিষয়গুলো বাজেটে গুরুত্ব পায়নি।’

গোলটেবিল বৈঠকে প্রাগ্রসরের নির্বাহী পরিচালক ফৌজিয়া খন্দকার বলেন, ‘নারীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন, জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরণ, নারী ও বহুমাত্রিক লিঙ্গ পরিচয়ের নাগরিক এবং প্রান্তিক নারীর জন্য কর্ম, নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীর ক্ষমতায়নকে জোরদার করার ক্ষেত্রে বাজেটে উল্লেখযোগ্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।’

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে আরো অংশ নেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রীতিলতা হক, জেন্ডার বাজেট ও প্ল্যানিং বিশেষজ্ঞ নিলুফার করিম, বিলস-এর পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন, নেটজ বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আফসানা বিনতে আমীন, সাংবাদিক নাদিরা কিরণ, শ্রমিকনেত্রী সাহিদা পারভীন শিখা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের শারমীন আক্তার, এডাবের সমাপিকা হালদার এবং জেন্ডার বিশেষজ্ঞ নাজনীন পাপ্পু।

জুরাইন ও শ্যামপুরে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৭ মামলায় জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুরাইন ও শ্যামপুরে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৭ মামলায় জরিমানা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন জুরাইন ও শ্যামপুর এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে মোবাইল কোর্ট। জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সোমবার (২২ জুন) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ৭টি মামলায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে জুরাইন ও শ্যামপুর এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালীন রাস্তার উভয় পাশের ফুটপাত ও সড়কে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার ফুটপাত ও সড়ক সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত ও পরিষ্কার করা হয়, যার ফলে পথচারীদের চলাচল সহজতর হয়েছে।

নগরবাসীর স্বার্থে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী অবৈধ দখল, ফুটপাত দখল এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এই নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযান চলাকালীন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।