• ই-পেপার

এফডিসিতে এলে আমার খারাপ লাগে : রুবেল

শিল্পী সমিতি নির্বাচন

শেষ হলো ভোটগ্রহণ, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু গণনা

বিনোদন প্রতিবেদক
শেষ হলো ভোটগ্রহণ, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু গণনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন চলছে ভোট গণনার প্রস্তুতি। 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু ভোটগ্রহণ শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কার্যক্রম শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত জুমার নামাজের জন্য ভোটগ্রহণ এক ঘণ্টা স্থগিত রাখা হয়। এরপর আবারও ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে নির্ধারিত সময়েই শেষ হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কামাল মো. কিবরিয়া লিপু জানিয়েছেন, ভোট গণনার কাজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আজই ঘোষণা করা হবে শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির ফলাফল।

এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এক প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।

এ ছাড়া সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইউসুফ খান। অন্যদিকে ১১টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ায় এখন সবার নজর ফলাফল ঘোষণার দিকে। কে নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিকে আগামী দুই বছর, তার উত্তর মিলবে ভোট গণনা শেষে।

মনে হচ্ছে এফডিসি পুনরুজ্জীবিত হয়েছে : অনন্ত জলিল

বিনোদন প্রতিবেদক
মনে হচ্ছে এফডিসি পুনরুজ্জীবিত হয়েছে : অনন্ত জলিল
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে চলচ্চিত্র অঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নতুন নেতৃত্বের প্রতি প্রত্যাশার কথা জানালেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। 

তার মতে, নির্বাচনে যে প্যানেলই জয়ী হোক না কেন, তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এফডিসিকে আবারও প্রাণবন্ত করে তোলা।

শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এই অভিনেতা।

এবারের নির্বাচনে তারকাপ্রার্থীর সংখ্যা কম এবং অনেক পরিচিত শিল্পী ভোট দিতেও আসেননি—এমন প্রশ্নের জবাবে অনন্ত বলেন, ‘অনেকে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, সময় দিতে পারছেন না। কিন্তু এখনো কেউ কেউ নিজেদের মূল্যবান সময় শিল্পী সমিতির জন্য দিচ্ছেন।’

বর্তমান প্রার্থীদের প্রশংসা করে তিনি আরো বলেন, ‘তায়েব ভাই নিবেদিত প্রাণ, জয়, শিবা শানু সাহেব, আরমান ভাই, চুন্নু ভাই, ওনারা তো সব সময় এফডিসির জন্য কাজ করেন। তারা এফডিসি নিয়ে সবসময় কাজ করেন, তারাই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। যারাই জিতুক না কেন, তারা এফডিসি নিয়ে কাজ শুরু করুক।’

এদিন ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। অনন্তর কথায়, নির্বাচনের কারণে ‘মনে হচ্ছে এফডিসি পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।’

ভোটকেন্দ্রের দরজায় তালা, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে উত্তেজনা

বিনোদন প্রতিবেদক
ভোটকেন্দ্রের দরজায় তালা, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে উত্তেজনা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে জুমার নামাজের বিরতির সময় ভোটকেন্দ্রের দরজায় তালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আরমান-মুক্তি প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকেরা অভিযোগ করেন, ভোটকক্ষের ভেতরে কয়েকজনকে রেখে বাইরে থেকে তালা দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুমানা ইসলাম মুক্তি অভিযোগ করে বলেন, ‘এমন কোনো নিয়ম তো নেই। নির্বাচন কমিশনারকে ফোন দিচ্ছি, কিন্তু ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ভেতরে লোক রেখে বিরতি দেওয়া হলো—এটা কেমন নিয়ম? তাঁদের সঙ্গে নির্বাচনে দাঁড়ানোই ঠিক হয়নি।’

ঘটনার একপর্যায়ে ভোটকক্ষের ভেতর থেকে এক নিরাপত্তারক্ষীকে বের হতে দেখা যায়। পরে তিনি বলেন, ‘আমি ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম। গেটে তালা দিয়ে দেওয়া হবে, সেটা বুঝতে পারিনি।’

তবে অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। তিনি বলেন, ভোটকক্ষের ভেতরে কোনো অনিয়মের সুযোগ ছিল না। 

তার ভাষ্য, ‘এ ধরনের কিছু ঘটার কোনো সুযোগ নেই। ভোটকক্ষের ভেতরের সবকিছুই প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে।’

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে শুরু হয় শিল্পী সমিতির নির্বাচন। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জুমার নামাজের জন্য দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়েছে। এরপর আবারও শুরু হয় ভোটগ্রহণ। এবার মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিকের মতো ভোট পড়েছে বলে খবর। 

এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, আর সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জয় চৌধুরী।

‘নির্বাচনে জায়েদ খানের ডিগবাজি মিস করি’, ভোট দিতে এসে জয়

বিনোদন প্রতিবেদক
‘নির্বাচনে জায়েদ খানের ডিগবাজি মিস করি’, ভোট দিতে এসে জয়
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে চিত্রনায়ক জায়েদ খানকে নিয়ে মজার মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জয় বলেন, ‘জায়েদ খান একটা বিনোদনের নাম। জায়েদ খানের সবকিছু মিস করি। নির্বাচনের সময় ওকে মিস করি, ডিগবাজিও মিস করি। আসলে জায়েদ খানের সবকিছুই সবাই মিস করি।’

তার এই মন্তব্যে উপস্থিত শিল্পী ও সাংবাদিকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

টানা কয়েকটি মেয়াদে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত মুখ ছিলেন জায়েদ খান। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, বক্তব্য এবং প্রচারণার নানা মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এবার তিনি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটকেন্দ্রেও বারবার উঠে আসে তার প্রসঙ্গ।

এদিকে, শুক্রবার সকাল থেকে এফডিসিতে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় সাড়ে ৯টার দিকে। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। 

এবারের নির্বাচনে ৫৭৩ জন ভোটার আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।

এ ছাড়া বিভিন্ন পদে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ১১টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ভোট গণনা শুরু হবে।