• ই-পেপার

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জনশক্তি রপ্তানি কমছে

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টা ২ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়েছে।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ
সংগৃহীত ছবি

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর কামরান দাংগাল এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে ইতিবাচক ধারায় অগ্রসর হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বেড়েছে। সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের একাধিক সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করেছে এবং পাকিস্তানের উন্নত শিক্ষা কাঠামো দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

গত মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত শিক্ষা মেলার সাফল্য সম্পর্কেও এ সময় বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করা হয়। হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তান আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের ৫০০ জন ছাত্রছাত্রীকে স্কলারশিপ প্রদান করবে। এর মধ্যে ৭৪ জন ইতিমধ্যে পাকিস্তানে গমন করেছেন। আগামীতে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আরো বেশি মেধা বিনিময়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে।

চলমান ‘নলেজ করিডোর’ প্রকল্প সামনের দিনগুলোতে আরো সংহত করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার একটি সংসদীয় গ্রুপ গঠন এবং সংসদীয় পর্যায়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার করার আহ্বান জানান। আলোচনার এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক ভূমিকার জন্য হাইকমিশনারের মাধ্যমে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার প্রধান হিসেবে জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপরই আমার সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, একটি সফিস্টিকেটেড বাহিনী হিসেবে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আহ্বান জানাই।

বৃহস্পতিবার তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এসএসএফ যখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই সময়ের সঙ্গে বর্তমান সময়ের অনেক পার্থক্য। বর্তমানে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থা ও ব্যবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে এসএসএফ-এর পিছিয়ে থাকার কোনোই সুযোগ নেই। 

তরুণ বেলা থেকেই এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে নিজের পরিচিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে বর্তমানে প্রতিদিন-প্রতি সময় আমি এসএসএফের কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করছি। তবে এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে আমার পরিচয় নতুন নয়। মরহুমা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তখন থেকেই অর্থাৎ আমার তরুণ বেলা থেকেই আমি এসএসএফের কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম নামাজে জানাজা আয়োজনের ক্ষেত্রেও প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে এসএসএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমি এসএসএফকে আমার ও আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আবারো ধন্যবাদ জানাই।

এসএসএফের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নিজের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করতে চান বলে উল্লেখ করে বলেন, সেটি হলো, সরকার প্রধান হিসেবে জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপরই আমার সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা। সুতরাং, নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, একটি সফিস্টিকেটেড বাহিনী হিসেবে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই।

সরকার প্রধান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায়শই জনসভা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে হয়। এই ধরনের অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিছুটা জটিল। এ ধরণের পরিস্থিতিতে একদিকে সরকার প্রধানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা, অপরদিকে নাগরিক জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত রাখা এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেই এসএসএফকে তাদের নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, এ ধরণের পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু এবং সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এসএসএফের কর্মদক্ষতাও প্রতিভাত হয়ে ওঠে।

তারেক রহমান বলেন, কিছুক্ষণ আগেই আমি এসএসএফ-এর নবনির্মিত অত্যাধুনিক ফায়ারিং রেঞ্জটি উদ্বোধন করেছি। উদ্বোধনী মহড়াও প্রত্যক্ষ করেছি। পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে নবনির্মিত এই ফায়ারিং রেঞ্জ নিঃসন্দেহে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আশা করি, নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন এবং নিজেদের পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে আপনারা এই ফায়ারিং রেঞ্জের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসএসএফের মতো বিশেষায়িত বাহিনীর জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি চেইন অব কমান্ড এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান এবং দেশে-বিদেশে রাষ্ট্রঘোষিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সঙ্গে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। সুতরাং, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে দেশের অন্য সকল নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমেই এসএসএফকে নিরাপত্তা কৌশল নিশ্চিত করতে হয়। আমি মনে করি, সমন্বয় যত বেশি দক্ষতার সঙ্গে করা যায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তত বেশি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, অবশ্যই আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবেন। তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণ যাতে দুর্ব্যবহারের শিকার না হয় সে দিকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকবেন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এসএসএফ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন। 
 

অসহায় রোগীদের সহায়তায় ২০ কোটি টাকা, পাবেন যারা

বাসস
অসহায় রোগীদের সহায়তায় ২০ কোটি টাকা, পাবেন যারা

ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

দেশের ৫৩টি জেলার ৪ হাজার ১০৭ জন উপকারভোগীর মধ্যে এ অর্থ বিতরণ করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিকিৎসা সহায়তা শাখা থেকে জারি করা পত্রে সম্প্রতি এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব পত্রে স্বাক্ষর করেন।

পত্রে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত এ বরাদ্দ সংশ্লিষ্ট জেলার সোনালী ব্যাংকের হিসাবসমূহে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিজস্ব ৭৫ শতাংশ বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে ১৫ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংরক্ষিত ২৫ শতাংশ বাজেটের অব্যয়িত অর্থ থেকে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা যোগ করে মোট ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এই অর্থ দেশের বিভিন্ন জেলায় চিকিৎসা সহায়তার অপেক্ষায় থাকা ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকজনিত পক্ষাঘাত, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

বরাদ্দ পাওয়া জেলার মধ্যে রয়েছে বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফরিদপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, নাটোর, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট ও সুনামগঞ্জ।

জেলাভিত্তিক চাহিদা ও আবেদন বিবেচনায় বিভিন্ন পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নাটোর জেলায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা, দিনাজপুরে ১ কোটি টাকা, নরসিংদীতে ৮০ লাখ টাকা, রংপুরে ৭০ লাখ টাকা, পাবনায় ৬০ লাখ টাকা এবং বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে ৫০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ অবশ্যই ‘ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০১৯ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী ব্যয় করতে হবে।

অর্থ ব্যবহারে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কার্যক্রমের দায় সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাকে বহন করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যে উদ্দেশ্যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিতে হবে। পাশাপাশি ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, গুরুতর ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহনে সহায়তা করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

অতিরিক্ত এই বরাদ্দের মাধ্যমে হাজারো রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং তাদের পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।