• ই-পেপার

চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী

বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার জরুরি
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০% আয়কর প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)।

করের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সমিতি বলেছে, বাজেট প্রণয়নের পূর্বে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আয়কর প্রত্যাহারের যৌক্তিকতা বিস্তারিতভাবে বর্ননা করা হয় এবং এ ব্যাপারে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেলেও বাজেট প্রস্তাবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

রবিবার (২১ জুন) বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরির উপকরণ ক্রয় এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। এর পাশাপাশি ১০% আয়কর বহাল থাকলে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে, যা উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি করবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়। সে ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর আয়কর আরোপ বা বহাল রাখা অলাভজনক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশ্নের জন্ম দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে করমুক্ত রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হলেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়নি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ওপর আরোপিত করও বহাল রয়েছে।

দেশে বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বরাদ্দ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে করমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা একান্ত জরুরি।

বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়,ইউজিসি, অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত আয়কর প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে বলেছে, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়; এটি দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি, জাতীয়ভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ।

বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিনিয়োগকারীদের হয়রানি বন্ধে ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ চালু করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরো সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের যাতে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে না হয়, সে জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ভৌত স্থাপনা বা শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাস্তব অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় তা ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের স্থাপনায় নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত বিষয়সহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থাপনা পরিদর্শন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।

তিনি জানান, বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বিলম্বিত না হয়, সে জন্য সরকার অস্থায়ী বা প্রভিশনাল লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনার একটি রূপরেখা নির্ধারণ করেছি। এখন খাতভিত্তিক লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। কারণ একেক খাতের জন্য একেক ধরনের অনুমোদন ও নথিপত্র প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া যেমন টেক্সটাইল কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া থেকে ভিন্ন।

বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইভি প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে আরো টেকসই পরিবহনব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে চায়। সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে, ডিজেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল এবং সংকটকালে সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের যানবাহনব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তির দিকে নিতে সরকার আগ্রহী। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির আমদানি ও ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে বিনিয়োগকারী অনলাইনে এক প্ল্যাটফর্মে ক্লিক করেই প্রয়োজনীয় সেবা পাবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো সময়, ব্যয় ও জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করা।’

সভায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রশংসা করে জেবিসিসিআই নেতারা বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।

ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

অনলাইন ডেস্ক
ডিসি সারওয়ার আলমকে সিলেট থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বদলিপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২০২৫ সালের ১৮ অগাস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে পদায়ন করা হয়।

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
সংগৃহীত ছবি

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।