• ই-পেপার

আপাতত বিভাগীয় ৫ সেন্টারে মিলবে ভারতীয় ভিসা, বাড়বে পরিধি

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ–বিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ–বিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক  (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ–বিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টা টেস বি ব্রেসনান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে টেস বি. ব্রেসনান বাংলাদেশে অবস্থানরত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারত্ব ও সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকায় ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আইজিপি বলেন, বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘ ও বিদেশি  অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাংলাদেশ পুলিশের কার্যক্রম ও দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান গভীর সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অদূর ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার বলেন, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই ২০২৬ লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)-এর আওতায় যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং যুক্তরাজ্য প্রেরিত ‘ইউকে লেটার’ এর প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান।

বৈঠকে অভিবাসন অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং তা পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করা হয়। মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-২ অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 

ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাসস
ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই।

আগামীকাল শুক্রবার পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। তাই আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসুন আমরা সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরো সুদৃঢ় করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে নিজেদের আরো নিবেদিত করি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত হয় পবিত্র আশুরা। ইসলামের ইতিহাসে এটি এক অনন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এটি শুধু শোক ও স্মরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা ধারণ করে।’

তিনি বলেন, ‘কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এমন এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।’

মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালা আমাদের দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তার পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদতের মহান মর্যাদা বরণ করেছিলেন। তার এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের জন্য সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।’

পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান সর্বশেষ রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং একই সঙ্গে কারবালার মর্মন্তুদ ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তার পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়াও তিনি এই শোকাবহ দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ, গ্রাহকের ভোগান্তি কমাতে সরকারের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ, গ্রাহকের ভোগান্তি কমাতে সরকারের উদ্যোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ টোকেনের অতিরিক্ত ডিজিট নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশের পর তা নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গ্রাহকদের সহায়তায় বিদ্যুৎ বিভাগ ও দেশের ছয়টি বিতরণকারী সংস্থাগুলোর হটলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ টোকেন আপডেটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত ২৩ জুন ‘কালের কণ্ঠ’র শেষ পাতায় ‘এক রিচার্জে ১৮০-২০০ ডিজিট, বিপাকে গ্রাহক’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার কার্যকর হওয়ার পর অনেক গ্রাহক রিচার্জের সময় প্রচলিত ২০ ডিজিটের পরিবর্তে ১৮০ থেকে ২৪০ ডিজিট পর্যন্ত টোকেন নম্বর পাচ্ছেন। দীর্ঘ এই টোকেন নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে বারবার ভুল হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে মিটার লক হয়ে সাময়িকভাবে বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে এবং সমস্যা সমাধানে গ্রাহকদের বিদ্যুত্ অফিসে যেতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর তা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রিপেইড মিটার রিচার্জে বাড়তি টোকেন নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তির সংবাদটি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগসহ ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের হটলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।’

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার কার্যকর হওয়ার কারণে অনেক গ্রাহককে মিটারে ২০০ বা তার বেশি ডিজিটের টোকেন আপডেট করতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সহায়তার জন্য হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রকাশিত হটলাইন নম্বরগুলো হলো—বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় সেবা ১৬৯৯৯, বিপিডিবি কল সেন্টার ১৬২০০, পবিবো কল সেন্টার ১৬৮৯৯, ডিপিডিসি লিমিটেড কল সেন্টার ১৬১১৬, ডেসকো লিমিটেড কল সেন্টার ১৬১২০, নেসকো লিমিটেড কল সেন্টার ১৬৬০৩ এবং ওজোপাডিকো লিমিটেড কল সেন্টার ১৬১১৭।