• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রী চীনা ব্যবসায়ীদের ১৮ মাসের চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন : বিডা চেয়ারম্যান

বেতন কাঠামোর গেজেট প্রস্তুত, কাটাছেঁড়া হচ্ছে ভাতা

অনলাইন ডেস্ক
বেতন কাঠামোর গেজেট প্রস্তুত, কাটাছেঁড়া হচ্ছে ভাতা
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে এবং খসড়া গেজেটও প্রস্তুত রয়েছে। যে কোনো সময় আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।

জানা গেছে, সরকারি চাকরীজীবীদের বেতন বৃদ্ধির হার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও সরকার পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের আগে তিনটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে যে কোনো একটি প্রস্তাবকে চূড়ান্ত করে ৩০ জুনের আগেই জারি করা হবে নবম জাতীয় পে-স্কেল বিষয়ক সরকারি গেজেট। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার কাজ করছে। 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং বাস্তবায়ন কৌশলসহ সার্বিক খুটিনাটি দিক বিষদ বিবেচনার জন্য সরকার গঠিত সচিব কমিটির সভায় যে তিনটি প্রস্তাব করা হয়েছে এর মধ্যে প্রথম প্রস্তাব সব গ্রেডের জন্য মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্পে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধির বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। তবে ব্যয় কমাতে কর্মচারীদের ভাতায় কাটাছেঁড়া করতে যাচ্ছে সরকার। এদিকে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ভাতা পুনর্মূল্যায়ন, সীমিতকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। বাতিলও হতে পারে ছোট ছোট কিছু ভাতা।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারের ওপর বড় অঙ্কের অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি হবে। এজন্য বাড়িভাড়া ভাতার হার পুনর্বিবেচনা এবং চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক ও যাতায়াত ভাতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব আলোচনায় এসেছে। সামাজিক বাস্তবতা ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনামূলক বেশি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন পে-স্কেলের আওতায় লিভ প্রিপারেটরি টু রিটায়ারমেন্ট (এলপিআর) ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে তারা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা মাউশির
সংগৃহীত ছবি

‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী সোমবার (২৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। শনিবার (২৭ জুন) (মাউশির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ চিঠি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো হয়েছে। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান টি' কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট কর্তৃক মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ, ব্যানার/ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার/র‍্যালি আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৯ জুন সকাল ১০টা ৫ মিনিটে এই কর্মসূচি উদ্বোধনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। 

মাউশির নির্দেশনাসমূহ: 

প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ, ১টি বনজ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে;

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন;

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মিডিয়ায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে;

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই দিবসে ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি টানানোর ব্যবস্থা করতে হবে;

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে র‍্যালির আয়োজন করতে হবে।

উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেট মেনে নিতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেট মেনে নিতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সবাই এলাকায় উন্নয়ন চান, কিন্তু বলেন বাজেট অনেক বেশি হয়ে গেছে। যদি উন্নয়ন চান, বাজেট বরাদ্দ তো বেশি হতেই হবে। বাসায় আপনি যদি ডাল-ভাতের বাজেট করেন, আর খেতে চান বিরিয়ানি, সেটা তো চলবে না। উন্নয়ন চাইলে বড় বাজেটও মেনে নিতে হবে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রস্তাবিত বাজেটকে সময়োপযোগী, মানবিক ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরে পরিকল্পিতভাবে অর্থনীতি, শিক্ষা ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ধ্বংস করা হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা বিভিন্ন এলাকায় হাসপাতাল, সড়ক ও উন্নয়ন প্রকল্পের দাবি জানাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণ হয়, বর্তমান সরকারের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে এবং তারা বিশ্বাস করেন, এই সরকারই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড নিয়ে সমালোচনার কথা উল্লেখ করে ইয়াসের খান বলেন, যারা একসময় এসব উদ্যোগকে ‘ভুয়া’ বলেছিলেন, তারাই এখন এই সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তার মতে, মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা পাওয়া ৪০ লাখ পরিবার শুধু উপকৃতই হবে না, এই অর্থ গ্রামীণ বাজারে ব্যয় হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, জিয়া পরিবার বিভিন্ন সংকটে দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতার পথে এগিয়েছিল, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারও মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে।

নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ৪৭ কোটি টাকায় কেনার পর তা বেসরকারি খাতে বিক্রি করে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে প্রায় বিনা মূল্যেই দেশের মানুষ বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন। তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচারস্বত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া শিশু ও তরুণদের মধ্যে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে তথ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অন্ধত্ব প্রতিরোধ আন্দোলনের অগ্রদূত ডা. রবিউল হোসেনের বিদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্ধত্ব প্রতিরোধ আন্দোলনের অগ্রদূত ডা. রবিউল হোসেনের বিদায়

দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতের অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মারা গেছেন। শনিবার (২৭ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

ডা. রবিউল হোসেনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ বাদ এশা চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা এবং একই দিন মিরসরাইয়ের কাঠাছড়া এলাকায় বাদ জোহর তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক রবিউল হোসেন ছিলেন উপমহাদেশের খ্যাতিমান চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (সিইআইটিসি) উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি। তিনি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখেন।

তার উদ্যোগে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি। পরবর্তীতে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ চক্ষু শিবির পরিচালনার মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখের বেশি রোগীর চোখের অপারেশন সম্পন্ন হয়।

১৯৭৫ সালে তিনি স্কুলশিক্ষার্থীদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার কর্মসূচি চালু করেন। এ কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ শিক্ষার্থীর চোখ পরীক্ষা করা হয়েছে।

১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে তার হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩০ শয্যার আধুনিক চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম আধুনিক চক্ষু চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।

চক্ষু চিকিৎসা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দেশ-বিদেশে বহু সম্মানে ভূষিত হন। এর মধ্যে রয়েছে জার্মান সরকারের ‘দ্য অর্ডার অব মেরিট’, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব বস্নাইন্ডনেসের ‘লাইফ লং সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজির পুরস্কার, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অব অফথালমোলজির ‘ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ ও স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড, চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজি স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি এবং দ্য ডেইলি স্টার অ্যাওয়ার্ড।

মিরসরাইয়ের সমাজসেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসা দম্পতির একমাত্র সন্তান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মৃত্যুকালে দুই ছেলে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চিকিৎসক সমাজের মতে, চক্ষু চিকিৎসা, অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্যসেবায় তার অসামান্য অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।