• ই-পেপার

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকসহ (অতিরিক্ত আইজি) ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত আইজি ছাড়াও এ তালিকায় ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন। রবিবার (২৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি-পদায়ন করা হয়। 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।

এনএসআই পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে পদোন্নতি দিয়ে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজি এবং র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) ফারুক আহমেদকে পদোন্নতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ডিআইজি পর্যায়ে প্রলয় চিসিমকে পিটিসি নোয়াখালী, মিয়া মাসুদ করিমকে এপিবিএনের এফডিএমএন কার্যালয়, মোহাম্মদ ওসমান গনিকে পিটিসি রংপুর এবং এএফএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে পিটিসি খুলনায় পদায়ন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি পর্যায়ে মোহা. আসাদুজ্জামানকে র‌্যাবে, এ কে এম আক্তারুজ্জামান ও মো. কুতুব উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে, মো. আল মামুনকে ২য় এপিবিএনের অধিনায়ক, সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে পিএসটিএস বেতবুনিয়া এবং মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খানকে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ), সারদায় বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল ওয়ারীশকে পিটিসি রংপুর এবং মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার পর্যায়ে কাজী এহসানুল কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তর, মো. জাহিদুর রহমানকে বিপিএ সারদা, সালমা সৈয়দ পলিকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় এবং মো. শহীদুল ইসলাম ও মো. কামরুজ্জামানকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে আগস্টে, জানালেন মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে আগস্টে, জানালেন মন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী আগস্টের শেষের দিকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, নির্মাণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষে বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপে পৌঁছেছে। প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত ‘কমিশনিং ও স্টার্টআপ’ পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার ঠিক পূর্ববর্তী ধাপটি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল।

মন্ত্রী আরো বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবেশবান্ধব পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড : সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি মানবিক সরকার। এবার সামাজিক সুরক্ষা খাতে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট রাখা হয়েছে। এর আওতায় আগামী ৪ বছরে পর্যায়ক্রমে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’

এই কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলো সরাসরি সহায়তা পাবে। এ ছাড়া দেশের বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে শুধু ভাতাই নয়, তাদের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

পেশায় চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন স্বাস্থ্য খাতের সরঞ্জামাদির ওপর ট্যাক্স কমানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে হার্টের ভাল্ব, অক্সিজেনেটর ও ভাস্কুলার স্টেন্টের মতো জীবনরক্ষাকারী উপকরণের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স কমাতে হবে। এ ছাড়া ওষুধ রপ্তানি বাড়াতে ঔষধ প্রশাসনের ল্যাবরেটরিকে এমএল-থ্রি (ML3) মানে উন্নীত করার ওপর জোর দেন তিনি।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর এ দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও লুটপাটের শিকার হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে। বিএনপি সব সময় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করেছে। যারা বিগত দিনের সেই দুঃস্বপ্নকে ফিরিয়ে আনতে চায়, এ দেশের ছাত্র-জনতা তা আর কখনো মেনে নেবে না।’

প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় গেল বাংলাদেশের ১০ হাজার হ্যাচিং ডিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় গেল বাংলাদেশের ১০ হাজার হ্যাচিং ডিম
সংগৃহীত ছবি

প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলল বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় রপ্তানি হলো প্যারেন্ট হ্যাচিং এগস (ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ডিম)। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পোলট্রি প্রতিষ্ঠান কাজী ফার্মস লিমিটেডের মাধ্যমে ১০ হাজার ৪৪০টি হ্যাচিং ডিমের এই চালানটি পাঠানো হয়েছে। এর বাজারমূল্য ১৮ হাজার ৭২৯ মার্কিন ডলার।

রবিবার রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাণিসম্পদ খাতের পণ্য রপ্তানি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হবে এবং সামগ্রিক উন্নয়নের গতি বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি খাতকে রপ্তানিমুখী হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় প্রাণিসম্পদ খাত আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো হ্যাচিং এগস রপ্তানি সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে দেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণেও নতুন দিগন্তের সূচনা হলো।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আমরা আন্তর্জাতিক মানের ও রপ্তানিমুখী পোলট্রি শিল্প গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছি। এ ধরনের রপ্তানি উদ্যোগ দেশের পোলট্রি শিল্পের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান সরকারের আমলে এটিই দেশের প্রথম হ্যাচিং এগস রপ্তানির চালান। এই সফল উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অন্যান্য সম্ভাবনাময় বাজারে বাংলাদেশের পোলট্রি পণ্য রপ্তানির পথ আরও সুগম হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. সাখাওয়াত হোসেন, উপপরিচালক ডা. শারমিন সামাদ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কোয়ারেন্টাইন স্টেশনের ইনচার্জ ডা. মোহাম্মদ ওমর ফারুক। এ ছাড়া কাজী ফার্মস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, পরিচালক কাজী জিশান হাসান ও কাজী জাহিন হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।