• ই-পেপার

চবিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে রাজশাহী কলেজের আবাসিক হলে বৃক্ষরোপণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে রাজশাহী কলেজের আবাসিক হলে বৃক্ষরোপণ

সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রত্যয়ে রাজশাহী কলেজের আবাসিক হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সোমবার (২৯ জুন) কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারটি আবাসিক হল প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মিরাতুজ জাহান মিলি, সাধারণ সম্পাদক রাফাত আহমেদ প্রীতম, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার আলম শাফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিথিলা ফারজানা আশা ও শাহেদ ইসলাম, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক ডি এম আল আমিন, সদস্য সাইয়েদ বিন আনোয়ার ফারদিন অন্তরসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মিরাতুজ জাহান মিলি বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও পরিবেশ দূষণের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নোয়াখালীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নোয়াখালীতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে নোয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ রবিবার (২৮ জুন) বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে নোয়াখালী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কর্মসূচি আয়োজিত হয়।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষপ্রেম জাগিয়ে তোলা, পরিবেশ রক্ষায় তাদের সম্পৃক্ত করা এবং একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, বসুন্ধরা শুভসংঘ নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি নাজিব আহমেদ নাবিল, সাধারণ সম্পাদক মেহেরাব হোসেন সায়েম, সহসভাপতি লাবিব চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান পিয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আফিফা সুলতানা, দপ্তর সম্পাদক ইসতিহা শবনম, সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অর্পিতা রানী মজুমদার, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক হুমায়রা আফরোজসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা। 

কর্মসূচির শুরুতে পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষের অপরিহার্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, ‘বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বনভূমি উজাড় এবং পরিবেশদূষণ বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সংকট মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।’

তারা আরো বলেন, ‘একটি গাছ যেমন আমাদের অক্সিজেন দেয়, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বন্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত বছরে অন্তত একটি হলেও গাছ রোপণ করা এবং সেটির সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা।’

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে গাছের চারা হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের খালি জায়গায় চারা রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি গাছ শুধু একটি গাছ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিশুদ্ধ বাতাস, ছায়া, খাদ্য এবং নিরাপদ পরিবেশের প্রতীক।

বসুন্ধরা শুভসংঘ নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি নাজিব আহমেদ নাবিল বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং তরুণদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে, যাতে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সবুজায়ন বৃদ্ধি পায় এবং পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরো শক্তিশালী হয়।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ নোয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেরাব হোসেন সায়েম বলেন, ‘ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।’

উপস্থিত শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন। তারা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো, চারার নিয়মিত পরিচর্যা করা এবং অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার অঙ্গীকার করেন।

হাতীবান্ধায় ডেঙ্গু সচেতনতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের ক্যাম্পেইন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
হাতীবান্ধায় ডেঙ্গু সচেতনতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। উপজেলার মেডিক্যাল মোড় এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়সমূহ তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মেডিক্যাল মোড় সংলগ্ন এলাকা ও হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে জনসচেতনতা তৈরিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম রহমান।

সচেতনতা কার্যক্রম শেষে হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে একটি মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি আলিমুদ্দিন কলেজের প্রভাষক মো. মিজানুর রহমান, শশধর বর্মন এবং ধনঞ্জয় রায়। এ সময় হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার খসড়া কমিটি প্রস্তাব করা হয়।

প্রস্তাবিত কমিটিতে মো. নূর নবী হোসেন সভাপতি এবং কেশব চন্দ্র রায় সাধারণ সম্পাদক ও  বিভিন্ন পদে  দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আফছানা নাহিদ আঁখি, প্রিয়া রায়, সুমাইয়া আক্তার, মেনতাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, জাকির হোসেন, হামিদুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, মাহমুদ হোসেন ফিরোজ, রাসেল ইসলাম, আশরাফুজ্জামান সুমন, হাসিন হাসনাত নেরাজ, নয়ন চন্দ্র রায়, নুর মোহাম্মদ নিশাত, গৌতম কুমার রায়, সাগর চন্দ্র রায়, রুবাইয়া আক্তার রুম্পা, রিতু, শামীমা আক্তার রিয়া, লাবনী খাতুন, পূর্ণিমা রাণী, হিরামনি আক্তার হ্যাপী, সেতু রাণী, অর্পিতা রাণী, শিমা আক্তার, বিলকিস আক্তার বৃষ্টি, আরাফাত রহমান রাফি, সুমাইয়া নাজনীন, আল আমিন, সিয়াম, সোহেল, বেলাল, মুন, জাহাঙ্গীর আলম, শাহা লেবু, অনিক, জিহাদ আলী ও কামরুজ্জামান।

এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম রহমান বলেন, ‘তরুণদের সামাজিক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করে একটি সচেতন, দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক সমাজ গড়ে তুলতে বসুন্ধরা শুভসংঘ নিরলসভাবে কাজ করছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব তৈরি করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

ভাঙ্গুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ৪০০ শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ভাঙ্গুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ৪০০ শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয়
ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) উপজেলার পুকুরপাড় আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ভলেন্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভাব) ভাঙ্গুড়া কার্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

শুভসংঘের সদস্যরা জানান, উপজেলার ১৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে পুকুরপাড় আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টি চলনবিল অধ্যুষিত এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং স্বাস্থ্য সচেতনতারও ঘাটতি রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন সহযোগিতা করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তারা।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হলে আগে থেকেই রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে দ্রুত রক্ত সংগ্রহ করা সহজ হয়। তাই এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই।

ভলেন্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভাব) ভাঙ্গুড়া শাখার ব্যবস্থাপক লিটন আহমেদ বলেন, আমরা মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করছি। বসুন্ধরা শুভসংঘ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় সুনাম অর্জন করেছে। শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছি।

উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি আরিফুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ঢাকার মাইলস্টোন বিদ্যালয়ে বিমান দুর্ঘটনার পর অনেক শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ তাৎক্ষণিকভাবে জানা না থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ভলেন্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করেছে। মানুষের কল্যাণে পাশে থাকার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।