• ই-পেপার

শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

সেমিস্টার সমাপনীর ৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বাকৃবি

বাকৃবি প্রতিনিধি
সেমিস্টার সমাপনীর ৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বাকৃবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

পবিত্র আশুরা ও সেমিস্টার সমাপনী ছুটি উপলক্ষে ৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। বুধবার (১৭ জুন) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. সারওয়ার জাহান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আশুরা ও সেমিস্টার সমাপনী ছুটি উপলক্ষে আগামী ২৪ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব অনুষদের সেমিস্টারের ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে উক্ত তারিখসমূহে নির্ধারিত পরীক্ষাসমূহ যথারীতি চলবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বলেন, ‘করোনা মহামারির এই প্রথম সেমিস্টার সমাপনীর ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। মাঝখানে সেশন জটের কারণে বেশ কয়েকবছর এটি বন্ধ ছিল। তবে এবার শুরু হওয়ার মাধ্যমে আগামীতে চালু থাকবে। প্রতি বছর জুন এবং ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এখন থেকে এমন সেমিস্টার সমাপনী ছুটি পাবেন শিক্ষার্থীরা।’ 

বাকৃবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ জুলাই, নবীনবরণ ৬ জুলাই

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবিতে ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ জুলাই, নবীনবরণ ৬ জুলাই
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের (লেভেল-১, সেমিস্টার-১) ক্লাস আগামী ৭ জুলাই থেকে শুরু হবে। এর আগে ৬ জুলাই কেন্দ্রীয়ভাবে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিষয়ক শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. ফারুখ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে অনুষদ ও হলভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হবে। পরদিন ৭ জুলাই থেকে সব অনুষদে নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে।

নবাগত শিক্ষার্থীদের হলে ওঠার বিষয়ে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশনের আগের দিন অর্থাৎ ৫ জুলাই সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে উঠতে পারবেন। মাইগ্রেশনের মাধ্যমে বিভাগ পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের লটারির মাধ্যমে হল বরাদ্দ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বন্ধ থাকবে এবং নির্ধারিত কোনো পরীক্ষা থাকলে তা স্থগিত থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, আগামী ৬ জুলাই ১ম বর্ষের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে নবীনবরণ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলনায়তনে সংস্কারকাজ চললেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশনে নবীন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কাঠামো, নিয়ম-কানুন ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এতে উপাচার্যসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বাকৃবির ৬টি অনুষদে মোট ১ হাজার ৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণে কন্ট্রোল রুম চালু, ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার এবং কেন্দ্রে প্রবেশের সময়সূচি সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে বোর্ড। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। 

কন্ট্রোল রুম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা, তথ্য বা জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে পারবেন।

কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর-

  • ০২-২২৩৩৬৯৮১৫
  • ০১৫৫০৪১১২০৩
  • ০১৭১৪৯৯৪০৭৩
  • ০১৭৫৬১০৩১৫২

এছাড়া ই-মেইল করা যাবে [email protected]-এই ঠিকানায়।

ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহার প্রসঙ্গে বোর্ড জানায়, পরীক্ষার্থীরা সাধারণ ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে নন-প্রগ্রামেবল কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত ক্যালকুলেটরের মডেলগুলো হলো— এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস এবং এফএক্স-৯৯১সিডাব্লিউ।

পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে প্রবেশ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, কেন্দ্রের আশপাশে যানজট ও জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের জন্য শুধু পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশসংক্রান্ত পূর্বের সব নির্দেশনা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। পরীক্ষাকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে।

চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে ফের তদন্ত কমিটি, ব্যক্তিগত আক্রোশের অভিযোগ ঢাবি অধ্যাপকের

অনলাইন ডেস্ক
চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে ফের তদন্ত কমিটি, ব্যক্তিগত আক্রোশের অভিযোগ ঢাবি অধ্যাপকের
অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) অধ্যাপক মুশতাক আহমদ ও অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ ওঠে। ওই বছরের বোর্ড অব গভর্ন্যান্সের (বিজি) ১১৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তৎকালীন উপ-উপাচার্যকে (শিক্ষা) আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আরো ছিলেন তৎকালীন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও ফিন্যান্স বিভাগের একজন অধ্যাপক।

তদন্ত শেষে কমিটি মত দেয়, অস্ট্রেলিয়ায় জমা দেওয়া গবেষণাপত্রটি সংশোধন সাপেক্ষে প্রকাশের জন্য বিবেচিত হয়েছিল, তবে তা চূড়ান্তভাবে গৃহীত বা প্রকাশিত হয়নি। কারণ, সংশ্লিষ্ট সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটির কোনো খণ্ডসংখ্যা, সংখ্যাক্রম বা প্রকাশকাল উল্লেখ ছিল না। ফলে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তৎকালীন উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিজি সর্বসম্মতিক্রমে ওই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক জানান, এই বিষয়টি মীমাংসিত। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় (২০২৫ সালের ৩০ জুলাই) হয়রানির উদ্দেশ্যে কতিপয় শিক্ষক তার বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ জমা দেন। এরপর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিনের মতামতের ভিত্তিতে এসএমটি সভায় বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আইন উপদেষ্টার মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আইন অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক করে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা যায়, সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটির লেখক ছিলেন মোট তিনজন। তবে পুনরায় যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, সেখানে শুধু অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হকের নাম উল্লেখ করে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রোশ ও হিংসাবশত করা হয়েছে বলে অভিযুক্ত মনে করছেন।

অধ্যাপক ড. মো. রিদওয়ানুল হক বলেন, ‘বিজির সিদ্ধান্তে আমাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। ওই ঘটনার পর প্রফেসর হয়েছি ৮ বছর হয়ে গেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষাখাতে আমার অবদানে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে অভিযোগ দিয়েছে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।