• ই-পেপার

শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডা জাইমা রহমানের

আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান, ৫ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান, ৫ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সাভারের আশুলিয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পেশাদার ৫ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট, চারাবাগ উত্তরপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- টাঙ্গাইল জেলার সদর থানার পাতুলীপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম ওরফে রনি (৪৫), বগুড়া জেলার ধুনট থানার বুড়িয়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে মো. লিওন আলী (২৮), গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার জালাল তাহির গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. লাভলু (৫০), টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার ভিহালী গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. সোহেল (২৫), ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার গোমাইল গ্রামের মো. শফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. আতিকুর রহমান (৩৫)। 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। আশুলিয়া থানা এলাকা মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে এবং অপরাধ নির্মূলে ভবিষ্যতেও আশুলিয়া থানা পুলিশ কর্তৃক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

ধামরাইয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাই

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
ধামরাইয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাই

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ব্যারিকেড দিয়ে গৌরাঙ্গ রাংজবংশী (৪০) নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে ধামরাইয়ের কালামপুর বিলট্রেড নামক কারখানার পশ্চিমপাশে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী গৌরাঙ্গ রাজবংশী জানান, তিনি এসডিআই নামের এক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে তিন লাখ টাকা ঋণের চেক ডাচ বাংলা ব্যাংক কালামপুর বাজার শাখায় জমা দেন। গতকাল মঙ্গলবার তিনি ওই ব্যাংক থেকে তিন লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এরপর তিনি অটোরিকশা যোগে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে নান্নার গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন। অটোরিকশায় আরো যাত্রী ছিল বলে জানান তিনি।

অটোরিকশাটি যখন কালামপুর বিলট্রেড নামের একটি কারখানার পশ্চিম পাশে পৌঁছায় তখন একটি হায়েস মাইক্রো দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। এরপর মাইক্রো থেকে পাঁচ-ছয়জন ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হায়েসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে গাড়ির ভেতরে মারধর করে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে এক ঘণ্টা গাড়ির ভেতরে ঘুরাতে থাকে। পরে তাকে মহাসড়কের ডাউটিয়া সেতুর কাছে নামিয়ে দেয়। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দেননি তিনি।

মিরসরাইয়ে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতক উদ্ধার, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতক উদ্ধার, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নে কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশু উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর সোনাপাহাড় এলাকার ভোলা সওদাগর বাড়ির মীর হোসেনের ঘরের সদর দরজার সামনে থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির সামনে পড়ে থাকা একটি কালো পলিথিনের প্যাকেট দেখে সন্দেহ হয় মীর হোসেনের। কাছে গিয়ে তিনি কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে প্যাকেটটি খুলে সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি কন্যাশিশুকে দেখতে পান। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করান।

মীর হোসেন বলেন, সকাল ১০টার দিকে বাড়ির সদর দরজার সামনে একটি পলিথিনের প্যাকেট দেখতে পাই। পরে প্যাকেটের ভেতর একটি নবজাতক শিশুকে দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানাই। স্থানীয় প্রতিবেশী আহম্মদ উল্লাহর মাধ্যমে শিশুটিকে বারইয়ারহাট শেফা ইনসান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বারইয়ারহাট শেফা ইনসান হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এস এ ফারুক বলেন, সকাল ১১টার দিকে নবজাতকটিকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রথমদিকে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ ছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর বর্তমানে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার বলেন, বিষয়টি আমাকে সরাসরি কেউ জানায়নি। সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। হাসপাতালে যোগাযোগ করে শিশুটির সর্বশেষ অবস্থা জানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে শিশুটির পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
হেলাল উদ্দিন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের (৩০) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরের দিকে বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনাটি উপজেলায় রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কৈলাটি রামচন্দ্রপুর আমিনা আজিজুল নুরে মদীনা হেফজুল কোরআন মাদরাসায় ঘটে । অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন ওই মাদরাসার মোহতামিম। 

অভিযুক্ত হেলাল উদ্দীন ওরফে হাফিজুর রহমান নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া রামনগর গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার এজাহারে মাদরাসার মোহতামিম হেলাল উদ্দীন ওরফে হাফিজুর রহমানকে (৩০) আসামি করা হয়েছে। এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, গত ১২ জুন দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী টয়লেট থেকে দেরি করে ফিরে এলে তার মা দেরি করার কারণ জানতে চাইলে সে শিক্ষকের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা সে জানায়। পরে শিশুটির মা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন পাশাপাশি তিনি কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করেন। মামলায় হেলাল উদ্দিনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয়, গত ছয় থেকে সাত মাস ধরে এ ধরনের নির্যাতন চলছিল।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিদ্দিকী (রেনু) বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ভুক্তভোগীর পরিবারকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।