• ই-পেপার

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মৃত্যুর ৯ দিন পর হলো সেই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য

বিনোদন ডেস্ক
মৃত্যুর ৯ দিন পর হলো সেই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগালের অকালমৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁর সহকর্মী ও ভক্তরা। মৃত্যুর নয় দিন পর অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে এই অভিনেত্রীর শেষকৃত্য। গত ২৩ জুন পরিবারের উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়।

‘কুমকুম ভাগ্য’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ এবং ‘দিলওয়ালি দুলহা লে জায়েগি’-খ্যাত এই অভিনেত্রী গত ১৪ জুন মুম্বাইয়ের নালাসোপারায় নিজ বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত এখনো চলছে। 

Sanchita Ugale ??

এ ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

মৃত্যুর পরপরই সঞ্চিতার মরদেহ পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে তাঁদের পৈতৃক বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানেই পারিবারিক রীতি মেনে ২৩ জুন তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। মূলত গ্রামের বাড়িতে শেষকৃত্যের আয়োজন করায় টেলিভিশন অঙ্গনের অনেক সহকর্মী সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতেই অভিনেত্রীকে শেষ বিদায় জানানো হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যু এখনো শোকের ছায়া হয়ে আছে ভক্ত ও সহকর্মীদের মনে।

পরিবার নিয়ে ওমরাহ পালনে মক্কায় ভাবনা

বিনোদন প্রতিবেদক
পরিবার নিয়ে ওমরাহ পালনে মক্কায় ভাবনা
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। এ সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন বাবা, মা ও বোন। পবিত্র মক্কা শরিফ থেকে ছবি প্রকাশ করে নিজেই এ সুখবর জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ভাগ করে নিয়েছেন কাবা শরিফ প্রথম দেখার আবেগঘন অনুভূতিও।

শুক্রবার (২৬ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মক্কা শরিফের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন ভাবনা। ছবির ক্যাপশনে তিনি ওমরাহ পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ভাবনা লিখেছেন, ‘প্রথমবার যখন পবিত্র কাবার দিকে তাকালাম, আমার মুখ থেকে যেন সব শব্দ হারিয়ে গেল। কোনো ভাষা বা শব্দ দিয়ে সেই মুহূর্তের গভীর আবেগ, মনের ভেতরের উপচেপড়া পরম শান্তি আর অন্তরের কৃতজ্ঞতাকে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

May be an image of one or more people and headscarf

তিনি আরো লিখেছেন, ‘জীবনের এই পরম সৌভাগ্যের জন্য আল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ মালিক।’

অভিনেত্রীর এই পোস্ট প্রকাশের পর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে যায় মন্তব্যের ঘর। অনেকেই তাঁর ও পরিবারের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

ছোটপর্দার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন আশনা হাবিব ভাবনা। পরে ২০১৭ সালে অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘ভয়ংকর সুন্দর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। এতে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে ‘নয়নতারা’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন তিনি।

পরবর্তীতে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ‘দামপাড়া’সহ বেশ কয়েকটি ভিন্নধর্মী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দেন ভাবনা। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন নৃত্যশিল্পী, চিত্রশিল্পী এবং লেখক হিসেবেও সমান পরিচিত।

তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি

বিনোদন ডেস্ক
তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয় এবার নতুন এক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায়। তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাঁর সরকার। এ উদ্যোগের নাম রাখা হয়েছে ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’।

রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বছরে প্রায় ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি ব্যয় হবে। ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বানসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২২ জুন, যা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন, সেদিন থেকেই প্রকল্পটি কার্যকর হয়েছে। ফলে ওই তারিখ থেকে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া সব নবজাতক এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, দ্রাবিড় আন্দোলনের অন্যতম নেতা পেরারিঞার আন্নার জন্মবার্ষিকীতে।

তামিলনাডুর সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তামিল সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ‘থাই মামান সির’ প্রথা থেকে এই প্রকল্পের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত রীতিতে নবজাতকের মামা শিশুকে আশীর্বাদ হিসেবে বিভিন্ন উপহার দেন। 

নতুন এই প্রকল্পে সেই প্রতীকী দায়িত্ব পালন করবে রাজ্য সরকার। ভালোবাসা, শুভকামনা ও আশীর্বাদের নিদর্শন হিসেবে প্রতিটি নবজাতককে দেওয়া হবে একটি করে সোনার আংটি।

সরকারের দাবি, এটি শুধু একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ নয়; বরং নবজাতক ও তাদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতীক। একই সঙ্গে তামিল সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করবে এই কর্মসূচি।

উল্লেখ্য, ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ ছিল বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে)-এর নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। পাশাপাশি সরকারের ‘ভেত্রি তামিলাগাম ভিশন ডকুমেন্ট’-এও এটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা বা সংগঠন ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিশেষ দিনে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের সোনার আংটি উপহার দিলেও, প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগকে স্থায়ী সরকারি কল্যাণ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।

অভিনয়ে নয়, নিজের বায়োপিকে ফিরতে চান পপি

বিনোদন প্রতিবেদক
অভিনয়ে নয়, নিজের বায়োপিকে ফিরতে চান পপি
সংগৃহীত ছবি

একসময় ঢাকাই চলচ্চিত্রের পর্দা মাতানো নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি দীর্ঘদিন ধরেই আছেন অভিনয়ের বাইরে। তাঁর পর্দায় ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও ভক্তদের সেই আশা আপাতত পূরণ হচ্ছে না। 

কারণ, নিয়মিত অভিনয়ে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

তবে অভিনয়ে একেবারেই ইতি টানেননি পপি। নিজের জীবন নিয়ে মানসম্মত ও গবেষণানির্ভর কোনো বায়োপিক নির্মিত হলে সেখানে অভিনয়ের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পপি গণমাধ্যমে বলেন, ‘অভিনয়ে ফেরার জন্য বিভিন্ন সময় নানা প্রস্তাব পেলেও সেগুলো গ্রহণ করার ইচ্ছা নেই। বর্তমানে স্বামী ও একমাত্র সন্তান আয়াতকে নিয়ে পারিবারিক জীবনেই সময় দিতে চাই। সুখী দাম্পত্য জীবনই এখন আমার প্রধান অগ্রাধিকার। তবে নিজের জীবন নিয়ে যদি নিখুঁত ও গবেষণানির্ভর কোনো বায়োপিক নির্মাণ করা হয়, তাহলে তাতে অভিনয় করতে আপত্তি নেই।’

খোঁজ মিলল পপির, খুলনায় জমি দখলের অভিযোগে জিডি হয়েছে থানায়

তিনি আরো বলেন, ‘শৈশব, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা, ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও চলচ্চিত্র জীবনের নানা অধ্যায় যথাযথভাবে তুলে ধরা হলে তবেই আমি কাজটি বিবেচনা করব। দেশে-বিদেশে আমার অসংখ্য ভক্ত রয়েছেন। তাই আমার জীবন নিয়ে নির্মিত বায়োপিকটি হতে হবে ব্যতিক্রমী।’

বর্তমানে পরিবারকেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখেছেন পপি। তাই নতুন কোনো সিনেমায় নিয়মিত কাজ করার চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনকে সময় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন তিনি।

‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পপির। প্রথম ছবিতেই ওমর সানীর বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দরদি সন্তান’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘মনের মিলন’, ‘প্রাণের প্রিয়তমা’, ‘কারাগার’, ‘লাল বাদশা’, ‘দু’জন দু’জনার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘কী যাদু করিলা’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’সহ বহু জনপ্রিয় ছবি।

অভিনয় দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন পপি। ২০০৩ সালে ‘কারাগার’ সিনেমার জন্য প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। পরে ‘মেঘের কোলে রোদ’ এবং ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য আরও দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

সবশেষে সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘ডাইরেক্ট অ্যাটাক’ সিনেমায় অভিনয় করেন পপি। এরপর থেকে তিনি চলচ্চিত্রের আলো-ঝলমলে জগত থেকে দূরে রয়েছেন।