প্রায় এক যুগ আগের একটি সিনেমার দৃশ্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রিভলবার রানি’ সিনেমায় অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাসের সঙ্গে তার একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল।
সম্প্রতি সেই দৃশ্য নিয়েই বিস্ফোরক দাবি করেছেন এক সাংবাদিক, যা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।
সম্প্রতি সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে দাবি করেন, সিনেমার একটি চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং চলাকালে ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুম্বন করতে থাকেন। এমনকি এতে অভিনেতার ঠোঁট কেটে রক্তও বের হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
পডকাস্টে সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে। “রিভলবার রানি” সিনেমার একটি দৃশ্যে কঙ্গনার তাঁকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দৃশ্য শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছিলেন।’

তবে এই দাবি কেবল সিমি চান্দোকের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে। ঘটনাটির পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। এছাড়া এ বিষয়ে কঙ্গনা রানাউত কিংবা বীর দাস—কেউই নতুন করে কোনো মন্তব্য করেননি।
অবশ্য বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালেও একই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন কঙ্গনা।
তিনি লিখেছিলেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ পোস্টটির সঙ্গে হাসি, জিভ বের করা এবং ফেসপাম ইমোজিও যুক্ত করেছিলেন তিনি।
তার ওই প্রতিক্রিয়া থেকেই স্পষ্ট, অভিযোগটিকে তিনি গুরুত্ব না দিয়ে রসিকতার সুরেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন।
কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ সিনেমায়। গত ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত।
অন্যদিকে বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন।









