• ই-পেপার

‘রবিবার বিয়ে করছি’, আমির খানের ঘোষণা

ভোট দিয়ে নীরবেই বেরিয়ে গেলেন আলমগীর ও উজ্জ্বল

বিনোদন প্রতিবেদক
ভোট দিয়ে নীরবেই বেরিয়ে গেলেন আলমগীর ও উজ্জ্বল
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে সবার নজর কাড়লেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আলমগীর ও উজ্জ্বল। জুমার নামাজের বিরতির পর একসঙ্গেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ভোটকেন্দ্রে হাজির হন তারা। ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে কোনো বক্তব্য না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন এই দুই শিল্পী।

দীর্ঘদিনের সহকর্মী দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত শিল্পী ও ভোটাররা। অনেকেই এগিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, কেউ আবার স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তোলেন। ভোট দেওয়ার আগে ও পরে তাদের ঘিরে তৈরি হয় ছোটখাটো ভিড়।

বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যান। এরপর আলমগীর ও উজ্জ্বল একসঙ্গেই ভোট দেন এবং নীরবে বেরিয়ে যান। গণমাধ্যমের সঙ্গে এদিন কোনো কথাই বলেননি তারা।

সকালের পর থেকেই এফডিসি প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। জুমার নামাজের জন্য সাময়িক বিরতির পর আবারও শুরু হয় ভোটগ্রহণ।

তবে নামাজের বিরতির সময় ভোটকেন্দ্রের গেটে তালা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলে হট্টগোল করেন আরমান–মুক্তি প্যানেলের সমর্থকেরা। 

তাদের দাবি, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লোক রেখে বাইরে তালা লাগানো হয়েছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

যদিও নির্বাচন কমিশনার কিবরিয়া লিপু এ অভিযোগ নাকচ করে দেন। তিনি জানান, এমন কোনো অনিয়মের সুযোগ ছিল না। 

তার কথায়, প্রজেক্টরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একাধিক প্রার্থী। সকাল থেকেই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে এফডিসিতে ভিড় করেন প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা।

শিল্পী সমিতি নির্বাচন

ব্যান্ড পার্টি, পালকি নিয়ে ভোট দিতে এলেন অভিনেতা

বিনোদন প্রতিবেদক
ব্যান্ড পার্টি, পালকি নিয়ে ভোট দিতে এলেন অভিনেতা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সকাল থেকেই উৎসবের আবহে মুখর ছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শিল্পীদের আনাগোনা, প্রার্থীদের শুভেচ্ছা বিনিময়, ফুল দিয়ে ভোটার বরণ আর গণমাধ্যমের সরব উপস্থিতিতে এফডিসি যেন রূপ নেয় এক মিলনমেলায়।

শুক্রবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবার মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তাঁদের ভোটেই আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব।

ভোটকেন্দ্রে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিভিন্ন পদের প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা। প্রধান ফটকেই ভোটারদের শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদপ্রার্থী শিপন মিত্র ও চিত্রনায়িকা জলিকে। তারা দুজনই শিবা সানু–জয় চৌধুরী পরিষদের প্রার্থী।

সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভোট দিতে এফডিসিতে আসেন অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম।

নির্বাচন নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথাও জানান এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ হোক। নির্বাচনের পর তো আমরা সবাই এক। কোনো বিভেদ না থাকুক।’

তবে দিনের সবচেয়ে আলোচিত উপস্থিতি ছিল অভিনেতা শম্ভু সরকার সঞ্জয়ের। ব্যান্ড পার্টি আর পালকির শোভাযাত্রা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়ে তিনি মুহূর্তেই সবার নজর কাড়েন। সোনালি পোশাক, কাঁধে শাল আর হাতে লাঠি নিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ভিড় করেন শিল্পী, দর্শনার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

ভোট দেওয়ার পর নিজের ব্যতিক্রমী উপস্থিতির ব্যাখ্যায় শম্ভু সরকার সঞ্জয় বলেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই উৎসব। প্রার্থীদের উৎসব, ভোটারদের উৎসব। তাই প্রতিবারই দিনটিকে ঘিরে আমার অনেক পরিকল্পনা থাকে। কখনো ঘোড়ায় চড়ে, আবার কখনো সৈন্য নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছি। এবার এসেছি পালকি নিয়ে।’

এবারের নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জয় চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন পদে ১০ জনের বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদেই প্রার্থী হননি। ফলে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে ৫৭৩ জন সদস্যের ভোটে এবার শিল্পী সমিতিতে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়।

টেইলর সুইফটের বিয়ের উৎসব শুরু

বিনোদন ডেস্ক
টেইলর সুইফটের বিয়ের উৎসব শুরু
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বসংগীতের তারকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ে নিয়ে জল্পনা যেন শেষই হচ্ছে না। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের ছুটির সপ্তাহান্তে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বসতে যাচ্ছে এই বহুল আলোচিত আয়োজন। যদিও এখন পর্যন্ত বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেননি এই তারকা জুটি।

এদিকে, কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, আনুষ্ঠানিক আয়োজনের আগেই টেইলর ও ট্রাভিস আইনিভাবে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। 

রয়টার্সের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পেজ সিক্স’-এর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, ঘনিষ্ঠ কয়েকজন স্বজনকে নিয়ে তারা ব্যক্তিগতভাবে বিয়ের শপথ বিনিময় করেছেন। তবে ঠিক কবে বা কোথায় সেই অনুষ্ঠান হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

Workers make arrangements inside the Madison Square Garden

নিউইয়র্ক সিটির প্রকাশিত একটি বিশেষ ইভেন্ট পারমিটে ‘স্পেশাল ইভেন্ট অ্যাট এমএসজি’-এর সূচিও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ১০০ অতিথিকে নিয়ে একটি ‘প্রি-পার্টি সেলিব্রেশন’ বা রিহার্সাল ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এরপর রাতভর ভেন্যুর আশপাশের সড়ক বন্ধ রাখা হবে।

শুক্রবার বিকেল থেকে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনসংলগ্ন কয়েকটি সড়কে যান চলাচল সীমিত থাকবে। পথচারীদের চলাচলেও আংশিক বিধিনিষেধ থাকবে এবং কাছের পেন স্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। 

পারমিট অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ‘মেইন ইভেন্ট’, যা শনিবার ভোর পর্যন্ত চলতে পারে।

Getty Images A police officer places a metal barricade on the streets around Madison Square Garden while a TV crew looks on.

এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ভেন্যুর বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন ধরেই সেখানে সাজসজ্জার সামগ্রী, ক্যাটারিং সরঞ্জাম ও অন্যান্য উপকরণ পৌঁছাতে দেখা গেছে। পাশাপাশি অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ ও নিরাপত্তা বেষ্টনীও তৈরি করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকতে পারেন। সম্ভাব্য অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন গিগি হাদিদ, কারা ডেলিভিন, সেলেনা গোমেজ, জো ক্রাভিৎসসহ বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং ট্রাভিস কেলসির দল কানসাস সিটি চিফসের কয়েকজন সতীর্থ।

নিউইয়র্কের বাসিন্দা অ্যালিসা হেইনেন এএফপিকে বলেন, টেইলর সুইফটের ভক্তদের কাছে এই আয়োজন অনেকটা ‘রাজকীয় বিয়ে’র মতো। তার ভাষায়, ‘তিনি আমেরিকার সবচেয়ে বড় তারকা। আমাদের কাছে তিনি যেন রাজপরিবারেরই একজন।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ২৫০ বছর পূর্তির প্রস্তুতি এবং চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ—সব মিলিয়ে ব্যস্ত এক সপ্তাহান্তে এই আয়োজন ঘিরে নিউইয়র্কে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানীও এক সংবাদ সম্মেলনে বিয়ের গুঞ্জনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘যদি কেউ ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বিয়ে করে থাকেন, তাহলে তারা ঘরের ভেতরেই থাকবেন এবং গরম থেকেও নিরাপদ থাকবেন। শহরের অন্যদের জন্যও এটি ভালো একটি উদাহরণ।’

তবে সব জল্পনা-কল্পনার মাঝেও টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি—কেউই এখন পর্যন্ত বিয়ের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।

পর্তুগালে নিষিদ্ধ বই নিয়ে লাইব্রেরি চালু করলেন দুয়া লিপা

বিনোদন ডেস্ক
পর্তুগালে নিষিদ্ধ বই নিয়ে লাইব্রেরি চালু করলেন দুয়া লিপা
দুয়া লিপা, ছবি: ইন্সটাগ্রাম

বিশ্বখ্যাত পপ তারকা দুয়া লিপা পর্তুগালের পোর্তো শহরে নিষিদ্ধ ও সেন্সরশিপের শিকার বই নিয়ে একটি স্থায়ী লাইব্রেরি চালু করেছেন। ‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’ নামে এই উদ্যোগের লক্ষ্য মুক্ত চিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বই পড়ার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা।

গত ২৭ জুন ‘বাবেল ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল’-এ লাইব্রেরিটির উদ্বোধন করা হয়। এটি পর্তুগালের বিখ্যাত বইয়ের দোকান লিভ্রারিয়া লেলো-র ভেতরে অবস্থিত।

তত
দুয়া লিপা, ছবি: ইন্সটাগ্রাম

এটি দুয়া লিপার প্রথম ফিজিক্যাল লাইব্রেরি। তার ২০২২ সালে চালু করা সার্ভিস-৯৫ বুক ক্লাবেরই একটি সম্প্রসারিত উদ্যোগ এটি।

লাইব্রেরি উদ্বোধনের সময় দুয়া লিপা বলেন, কোনো বই নিষিদ্ধ হলে শুধু একটি গল্পই হারিয়ে যায় না, বরং হারিয়ে যায় মানুষের চিন্তা, মতপ্রকাশ এবং প্রশ্ন করার সুযোগ। তিনি বলেন, এই লাইব্রেরি সেই সব লেখক, বই ও পাঠকদের জন্য, যারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে বিশ্বাস করেন।

‘দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি’-তে ১০০টি বই রাখা হয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন সময়ে নিষিদ্ধ হয়েছে অথবা সেন্সরশিপের মুখে পড়েছে। বইগুলো চারটি বিষয়ের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে—ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, কণ্ঠস্বর ও স্মৃতি।

দদদ
'দ্য ম্যানিফেস্টো লাইব্রেরি' নামের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এমন বইগুলোকে পাঠকদের সামনে তুলে ধরা, যেগুলো মুক্ত চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে উৎসাহিত করে এবং সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে বার্তা দেয়।

সংগ্রহে রয়েছে মার্গারেট অ্যাটউডের দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল, জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪, সিমোন দ্য বোভোয়ারের দ্য সেকেন্ড সেক্স, ইয়োকো ওগাওয়ার দ্য মেমোরি পুলিশ এবং সালমান রুশদির দ্য স্যাটানিক ভার্সেস-এর মতো আলোচিত বই।

দুয়া লিপা বলেন, তিনি চান এই লাইব্রেরি লেখক ও পাঠকদের জন্য একটি নিরাপদ জায়গা হয়ে উঠুক। যেখানে সবাই স্বাধীনভাবে বই পড়তে, নতুন ধারণা জানতে এবং মতবিনিময় করতে পারবেন।

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে স্কুল ও পাবলিক লাইব্রেরিতে বই নিষিদ্ধ করার ঘটনা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পাঠকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বইগুলো তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন দুয়া লিপা।