• ই-পেপার

২৯৯ ডলারে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আনছে মেটা

অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা বিটিআরসির

অনলাইন ডেস্ক
অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা বিটিআরসির
সংগৃহীত ছবি

অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ সতর্কবার্তা দেয়। এতে বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকি-টকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকি-টকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

এমতাবস্থায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মলসহ সকল ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা যাচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করা যাবে না। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সকলকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?

অনলাইন ডেস্ক
ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?
ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্তমানে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ—সব কিছুই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করা হচ্ছে। তবে তাড়াহুড়া বা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা না জানায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ প্রাপক টাকা তুলে ফেলার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট না হলে

যে নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে সেটিতে যদি বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা না থাকে, তাহলে টাকা ফেরত পাওয়া তুলনামূলক সহজ।

বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের পাশে ‘ক্যানসেল’ অপশন দেখা গেলে সেটিতে ক্লিক করে টাকা ফেরত নেওয়া যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাতিল না করলেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট হলে

যদি নম্বরটিতে আগে থেকেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডিতে ট্রানজেকশন আইডি, তারিখ, সময় ও টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

এরপর বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করে অথবা লাইভ চ্যাটে বিষয়টি জানাতে হবে। প্রয়োজনে জিডির কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং লেনদেনের তথ্য নিয়ে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রাপককে ফোন করা কি ঠিক?

অনেকে ভুল নম্বরে টাকা পাঠানোর পর সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কারণ প্রাপক বিষয়টি জানার পর দ্রুত টাকা তুলে ফেলতে পারেন বা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতে পারেন। তাই আগে অফিশিয়ালভাবে অভিযোগ করা বেশি নিরাপদ।

টাকা কিভাবে ফেরত পাওয়া যায়?

বিকাশ সরাসরি কারও অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে অন্যকে দিতে পারে না। তাই প্রাপকের সম্মতি প্রয়োজন হয়।

প্রাপক যদি ভুল লেনদেনের বিষয়টি স্বীকার করে টাকা ফেরত দিতে রাজি হন, তাহলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় টাকা ফেরত পাওয়া যায়। আর প্রাপক রাজি না হলে আইনি প্রক্রিয়ার সহায়তা নিতে হতে পারে।

সতর্ক থাকুন

ভুল নম্বরে টাকা পাঠানো এড়াতে টাকা পাঠানোর আগে নম্বর দুই-তিনবার মিলিয়ে নিন। প্রাপকের নাম দেখে নিশ্চিত হয়ে তারপর পিন নম্বর দিন। বড় অঙ্কের টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্ক থাকা উচিত।

উল্লেখ্য, সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপই ভুল লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সবচেয়ে বড় উপায়।

হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

অনলাইন ডেস্ক
হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের সেবা ব্যাহত হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা স্বাভাবিকভাবে অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত ৪টার দিকে এ সমস্যা দেখা দেয়।

এসময় ইনস্টাগ্রামে নতুন ছবি লোড না হওয়া, প্রোফাইল না দেখানোসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা গেছে। তবে অ্যাপের সব অংশ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা ত্রুটির বার্তা পাচ্ছেন।

বিভিন্ন প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ সাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম বর্তমানে কিছু অঞ্চলে বা ব্যবহারকারীদের জন্য কারিগরি সমস্যার কারণে কাজ করছে না। সার্ভারে সমস্যার কারণে অ্যাপ লোড হতে সমস্যা (ফিড বা টাইমলাইন রিফ্রেশ না হওয়া), সার্ভার সংযোগ ত্রুটি লগইন দেখাচ্ছে।

প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়) এবং যুক্তরাজ্যে রাত ১০টার দিকে সমস্যার শুরু হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবহারকারীরা একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন। তবে বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এর আগে, গত ১২ জুন বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফেসবুকে বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। তখন মোবাইল ও কম্পিউটারে একসঙ্গে ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। প্ল্যাটফর্মটিতে ঢোকার চেষ্টা করলে উইন্ডোতে ‘সরি, সামথিং ওয়েন্ট রং’ লেখা দেখা যাচ্ছিল। পরে কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর সচল হয় বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। দেশটির শেনজেনের জাতীয় সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন নামের সুপারকম্পিউটার তালিকা টপ৫০০ -এর সর্বশেষ তালিকায় প্রথম হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে রয়টার্স এ তথ্য দেয়।

তিন বছর পর চীন আবার এই তালিকায় অংশ নেয়। লাইনশাইন সম্পূর্ণভাবে চীনে তৈরি চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। এটি দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার হওয়ার অর্থ এই নয় এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে সবচেয়ে শক্তিশালী। কারণ টপ৫০০-এর র‌্যাংকিং মূলত বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কম্পিউটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে করা হয়। এআই সক্ষমতার ওপর নয়।

নতুন তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে। এল ক্যাপিটান যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগল ও এক্সএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-ভিত্তিক আরো শক্তিশালী কম্পিউটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত টপ৫০০ তালিকায় অংশ নেয় না।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের এই সাফল্য মূলত দেশটির নিজস্ব চিপ প্রযুক্তির অগ্রগতি তুলে ধরার প্রচেষ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরি করতে সক্ষম, সেটিই তারা বিশ্বকে দেখাতে চায়।

উল্লেখ্য, লাইনশাইনে উন্নত এআই চিপ ব্যবহার করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও বেসরকারি প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর সঙ্গে চীনের প্রতিযোগিতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।