• ই-পেপার

নয়াদিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফেরত এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সম্পদের কর ফাঁকি বন্ধ করতে নতুন নিয়ম করছে এনবিআর

অনলাইন ডেস্ক
সম্পদের কর ফাঁকি বন্ধ করতে নতুন নিয়ম করছে এনবিআর

কর ফাঁকি দেওয়ার প্রচলিত পথ বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর রিটার্নে উত্তরাধিকার সূত্রে বা উপহার হিসেবে পাওয়া সম্পদের আর্থিক মূল্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, বহু বছর ধরে ধনী করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, জমি ও স্বর্ণ পাওয়ার পর ওইসব সম্পদের ক্ষেত্রে বলা হয় ‌‘মূল্য অজানা’। 

এর ফলে এ ধরনের করদাতাদের কোটি কোটি টাকার বাস্তব সম্পদ থাকলেও এসব সম্পদের ওপর সরকার কোনো ধরনের রাজস্ব পায় না। এই চর্চা এবার বন্ধ হতে যাচ্ছে। নতুন উদ্যোগের আওতায় এ ধরনের সমস্ত সম্পদের অর্থমূল্য করদাতার ট্যাক্স ফাইলে যুক্ত করতে হবে রিটার্ন জমার সময়। 

বাংলাদেশে সম্পদ কর নেই। তবে চার কোটি টাকার উপরে সম্পদ থাকলে প্রতি বছরের আয়ের ওপর সারচার্জ দিতে হয়। ফলে নতুন করে ভ্যালুয়েশন করা হলে প্রায় চার হাজার নতুন করদাতা ওই সারচার্জের আওতায় আসবে। পাশাপাশি সারচার্জের আওতায় থাকা বিদ্যমান করদাতাদেরও সম্পদের পরিমাণ বাড়বে।

জানা যায়, শিগগিরই এনবিআর দেশের ‍ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন এলাকা অনুযায়ী বিগত ৪০ বছরের মৌজা মূল্যের তথ্য নেবে। সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ সহজ করতে এই তথ্য অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমে যুক্ত করা হবে। এর ফলে আগামী বছর যারা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা জমি, ফ্ল্যাট কিংবা স্বর্ণালঙ্কারের মূল্য 'অজানা' দেখানোর সুযোগ আর পাবেন না বলে আশা করা হচ্ছে।

এনবিআর আশা করছে, এই পদ্ধতিতে ভ্যালুয়েশনের কারণে নতুন করে প্রায় ২ হাজারের ব্যক্তি চার কোটি টাকার সম্পদের সীমা অতিক্রম করবেন। আর যারা বর্তমানে এই সীমা অতিক্রম করেছেন, তাদেরও সম্পদের অর্থমূল্যের পরিমাণ বাড়বে। এর মাধ্যমে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাড়তি প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। 

এদিকে, জুলাইয়ের মধ্যে আয়কর পরিপত্র প্রকাশ করা হবে এবং কীভাবে এ ভ্যালুয়েশন করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হবে। 

পুরোনো ও অকেজো রেল নিলামে বিক্রি সম্ভব নয় : রেলমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পুরোনো ও অকেজো রেল নিলামে বিক্রি সম্ভব নয় : রেলমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরোনো ও অকেজো রেলসমূহ নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সপ্তম দিনে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। এদিন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন লাইনে বর্তমানে ট্র্যাক রিনিউয়াল বা রেললাইন পরিবর্তনের কাজ চলছে। এ সময় ব্যবহারযোগ্য রেলগুলো সংশ্লিষ্ট প্রকল্প এলাকায় সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরে সেগুলো রেল প্রতিস্থাপনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

তিনি বলেন, রেল পরিবর্তনের সময় পুরনো বা অকেজো রেলগুলো অগোছালো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেলেও কাজ শেষ হলে সেগুলো নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা হয়।

অকেজো রেল নিলামে বিক্রি না করার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, এসব রেল পরবর্তীতে রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে বাঁধ সুরক্ষা (এমব্যাঙ্কমেন্ট প্রটেকশন) এবং বিভিন্ন অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে রেলফেন্সিং বা বেড়া নির্মাণে এগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এর ফলে রেলওয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। অকেজো রেলগুলো যেহেতু রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সুরক্ষামূলক কাজে পুনর্ব্যবহার করা হয়, তাই সেগুলো উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কের যেসব স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটে, সেসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে সংস্কার কাজের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সাইন-সিগন্যাল স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার, জেব্রা ক্রসিং এবং রাম্বল স্ট্রিপ স্থাপনের কাজও চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ও গুরুতর আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা।

তিনি আরো জানান, চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পেশাদার চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের আগে বাধ্যতামূলকভাবে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন আপাতত হচ্ছে না

অনলাইন ডেস্ক
উপজেলা পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন আপাতত হচ্ছে না
সংগৃহীত ছবি

উপজেলা পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। তবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা কর্মজীবী নারীদের বাসস্থান ও নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব বিবেচনা করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ক্রমান্বয়ে প্রতিটি জেলায় একটি আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টার এবং কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল স্থাপন প্রক্রিয়া বিবেচনাধীন।

সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিশেনের সপ্তম দিন নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এ দিন বিকাল ৩টায় হওয়া সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, নওগাঁর মান্দা উপজেলাসহ দেশের প্রতিটি উপজেলায় কর্মজীবী মহিলা এবং শিশুদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা? থাকলে তা কত দিনে বাস্তবায়ন হবে?

জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা আপাতত নেই।

মন্ত্রী জানান, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আওতায় মোট ৬৪টি ডে কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে রাজস্ব বাজেটের আওতায় ৪৩টি ডে কেয়ার সেন্টার ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় ২০টি এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার সদর কার্যালয়ে একটি ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনুমোদিত ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৬০টি ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় আরও ৬০টি ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা কর্মজীবী নারীদের বাসস্থান ও নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব বিবেচনা করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ক্রমান্বয়ে প্রতিটি জেলায় একটি আধুনিক ডে কেয়ার সেন্টার এবং কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল স্থাপন প্রক্রিয়া বিবেচনাধীন। কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মায়েদের সন্তানদের নিরাপদ ও সুরক্ষার লক্ষ্যে নওগাঁ জেলায় ২০টি ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের আওতায় একটি ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হলে সে ক্ষেত্রে মান্দা উপজেলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার

অনলাইন ডেস্ক
দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার
সংগৃহীত ছবি

বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯০টি বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সোমবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমানে দেশে বৈধ মোটরসাইকেলের সংখ্যা কত এবং অবৈধভাবে চলাচল করা মোটরসাইকেল বৈধ করা হবে কি না?

জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম অনুযায়ী দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯০টি। সড়ক, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী মোটরসাইকেল বন্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিআরটিএ থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করেনি এমন কোনো মোটরসাইকেল মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন দাখিল করলে বিআরটিএ সেগুলোকে বৈধতা প্রদান তথা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেবে।