• ই-পেপার

অক্সফোর্ডে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক

রাশেদ খান

হান্নান মাসউদের হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, বাতিল হচ্ছে এমপি পদ!

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদের হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, বাতিল হচ্ছে এমপি পদ!
হান্নান মাসউদ।

সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। এই অপরাধে হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে কিনা, প্রশ্ন করেন তিনি।

আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ করেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অপরাধে বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ? সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হলফনামায় অসত্য তথ্য উল্লেখ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ।

হান্নান মাসউদ তার আইনজীবীর পরামর্শে হলফনামায় অসত্য তথ্য দেন। এমপি হান্নান মাসউদ এবিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানান রাশেদ খান। বলেন, ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর রিটার্ন দিতে সুবিধা হবে বলে অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে হলফনামা হান্নান মাসউদকে তার আইনজীবী করার পরামর্শ দিয়েছেন।

রাশেদ খান বলেন, তিনি (হান্নান মাসউদ) দাবি করেছেন, তার স্থাবর সম্পদ নাই। তার মানে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

হলফনামার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর ২০২৫ সালের ১১ আগস্টের একটি বক্তব্য কোড করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, 'কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে ভোটের পরেও তদন্ত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে সত্যতা মিললে বাতিল হবে প্রার্থিতা, চলে যাবে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ। এটি সুনির্দিষ্টভাবে বিধান আরপিওতে সন্নিবেশ করা হয়েছে।'

রাশেদ খান বলেন, আমি হান্নান মাসউদ সম্পর্কে অতীতে যেসব তথ্য দিয়েছি, তা সত্য না কি মিথ্যা, তা হান্নান মাসউদের হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলেও উত্তর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে হান্নান মাসউদ দাবি করেছেন, সে তার সহধর্মিণীর সেমিস্টার ফি দিয়েছে মাহবুব ভাই নামক একজনের থেকে ধার করে। আর নতুন বাড়ি করার জন্য ইট কিনেছে, কিন্তু ৩ লাখ টাকা এখনো বাকি! টাকার অভাবে শোধ করতে পারছেন না, একজন এমপি এতো গরিব, এতো সৎ! আহারে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ খান প্রশ্ন করেন, হলফনামায় এই সততা কেন ফুটিয়ে তুললেন না তিনি?

সীমান্তে পুশইন ও হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় এক্যের বিক্ষোভ আজ

অনলাইন ডেস্ক
সীমান্তে পুশইন ও হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় এক্যের বিক্ষোভ আজ

ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে পুশইন, সীমান্তে হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য, ঢাকা মহানগরী। আজ সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৫টায় শাহাবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। 

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমানা আযাদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী জেরারের মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সিলেটে জামায়াত আমির

‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে ১৩ ফেব্রুয়ারি গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারত’

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে ১৩ ফেব্রুয়ারি গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারত’
ছবি : কালের কণ্ঠ

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারত বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গৃহযুদ্ধ শুরু হলে এটা এ জাতিকে কোথায় নিয়ে যেত আল্লাহতালাই ভালো জানেন। এটা আমাদের আশঙ্কা, এটা না-ও হতে পারত। দেশপ্রেমিক মানুষের দায়িত্ব হচ্ছে যেখানেই সন্দেহ সেখানে এড়িয়ে চলা। সন্দেহের জায়গা খুব তীব্র ছিল।’

রবিবার (১৪ জুন) রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগর আয়োজিত ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির বলেন, “হিসাবনিকাশ স্পষ্ট। আমাদের অবস্থান ছিল গণভোটের ‘হ্যা’-এর পক্ষে। ৬৮ দশমিক ৬ ভাগ ভোট দিয়েছে ‘হ্যাঁ’-তে। এটা পরিষ্কার আপনারা দেখেছেন। নির্বাচনের সপ্তাহ দিন আগে গাছে, বাসে, লঞ্চে, ট্রেনে সব জায়গায় আওয়াজ একটাই আওয়াজ ছিল, দ্বিতীয় কোনো আওয়াজ ছিল না। তাহলে এত মানুষের ভোট গেল কোথায়?”

তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষ বলেছে, ভোট দিলাম আপনাদের আর সরকার গঠন করল আরেক দল। এটা কিভাবে হলো? আপনারা এটা মেনে নিলেন কেন? মানুষের একটু ক্ষোভ আমাদের ওপর ছিল। এরপর আর মানুষের বুঝতে আর দেরি হয়নি। অল্প দিনের মাঝেই মানুষ বুঝে গেছে যে আমরা কেন মেনে নিয়েছি।’

সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, সীমান্তে অব্যাহত উত্তেজনা চলছে। সীমান্তের ওপার থেকে এমনসব উসকানিমূলক কথাবার্তা বলা হচ্ছে, আমরা যদি দেশ ও জাতীয় হিসেবে প্রত্যেকটি কথার উত্তর দিতে যাই তাহলে প্রতিদিন একবার যুদ্ধ বেধে যাবে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘দুই-দুইবার স্বাধীন হলাম। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা পেলাম কি। সবাই বলছে স্বাধীনতার সুফল এখনো ঘরে ওঠেনি।’ এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ি করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার সুফল ঘরে উঠাবেটা কে? উঠাবে এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। যারা আমরা কথা বলি কোনো না পর্যায়ে দেশ শাসন আমরাই করেছি, দেশ পরিচালনা আমরাই করেছি। তাহলে আমরা কাকে দোষ দিতে চাচ্ছি। আমরা আমাদের দোষ দেখি না কেন? নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজের দুর্বলতার দূর করার চেষ্টা করছি না। এটাই বিশাল প্রশ্ন।’

সংসদে জনগণকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করে যাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সংসদের ভেতরে চরমপন্থা অবলম্বন করবো না এবং অধমপন্থা অবলম্বন করব না। আমাদের অবস্থা মধ্যমপন্থা, যৌক্তিক। দেশ এবং জাতির স্বার্থে যা প্রয়োজন। আমরা বিরোধী দল হিসেবে জাতিকে দেওয়া কথা মেনে চলার চেষ্টা করছি। আমরা এর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করব না।’

বিএনপি জনগণের সঙ্গে ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ইতোমধ্যে সরকারি দল জনগণকে দেওয়া ওয়াদা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে। নির্বাচনের আগে তারাই বলেছিল, গণভোটের রায় যেদিকে যাবে সেটাই তারা মানবে। তারা এখন মানে না কেনো? তারা এখন শপথ নেয় না কেনো? তারা এখন বলছে, সাংবিধানিক ভিত্তি নাই। জিজ্ঞেস করেছিলাম, এটা প্রথম গণভোট নয়, স্বাধীনার আগের আরো তিনটি গণভোট হয়েছে। সেগুলারও সাংবিধানিক ভিত্তি ছিল না। তখনও সংবিধানে গণভোটের কোনে ট্রেডিশন ছিলো না । তখন যদি গণভোট হালাল হয়ে থাকে, এখন হারাম হয় কেনো।’

একই অর্ডারে দুইটা ভোট জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচন। একটার গোশত হালাল কিন্তু আরেকটা হারাম। এটা কোন ধরনের কথা। এখন তারা বলছেন, নির্বাচন যেকোনোভাবে করার জন্য এটা আমরা জাতিকে বলেছিলাম। এটা আমাদের মনের কথা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি জাতির সাথে এভাবে স্ট্যান্ড বাজি করে তাহলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের উপর মানুষের আস্থা থাকবে কেনো? আর মানুষ যদি আস্থা হারিয়ে তাহলে এদেশ হবে একটা জঙ্গলি দেশ।’

বিএনপির আচরণে বিস্মিত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে বিএনপির জন্ম হয় নাই। সেই ৭৮ সালে জন্ম নেয়া দল তিলে তিলে আজকে এসে দাঁড়িয়ে এই পর্যায়ে। তারা কেনো যে এ আচরণ করছে আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা আশা ছেড়ে দেইনি। আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো। জনগণের এই রায় একবার ব্যর্থ হয়ে যায় এদেশে গণরায় কোনোদিন টেকসই হবে না। আমরা টেকসই একটা নিয়মতান্ত্রিক সমাজ চাচ্ছি। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা পছন্দ করি না। আমরা সংসদের ভিতরে সবকিছু সমাধান হউক এটা টাই। কিন্তু সংসদের সে জায়গাটা সংকুচিত হয়ে যায় তাহলে আমাদের ময়দানে আসা ছাড়া উপায় থাকে না। অতএব আমাদের অবস্থান দুই জায়গায়। আমাদের অবস্থান সংসদের. আমাদের অবস্থান ময়দানে। সংসদে যদি সমাধান না হয়, রাজপথে আমরা সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ। এবং আমরা গভীরভাবে আস্থাশীল জনগণের এ রায় ব্যর্থ হবে না। এ রায় আমরা আদায় করে ছাড়বো। কোনো ছাড়া দেব না।’

রাতেই বিক্ষোভে নামছে ছাত্রশিবির

অনলাইন ডেস্ক
রাতেই বিক্ষোভে নামছে ছাত্রশিবির
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের হিজাব নিয়ে কটূক্তি এবং দেশব্যাপী অব্যাহত ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। রবিবার (১৪ জুন) রাতে সংগঠনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জাতীয় সংসদে হিজাব নিয়ে কটাক্ষ এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে চলমান ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে আজ রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করবে সংগঠনটি। ঢাকার মূল মিছিলটি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে তোপখানা রোডের জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।

জানা গেছে, বাজেট অধিবেশনে প্রবীণ সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক (হিজাব) ইঙ্গিত করে দেওয়া বক্তব্য এবং সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনের ঘটনায় এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে।