• ই-পেপার

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে মার্কিন দূতাবাসের সকর্তবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে মার্কিন দূতাবাসের সকর্তবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারী অনভিবাসী ভিসাধারীদের জন্য ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে। 

সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়া বা করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সুবিধার অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিলসহ ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগও হারাতে হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।

শনিবার (২৭ জুন) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে অনভিবাসী ভিসাধারীদের নিজেদের সব ধরনের ব্যয় নিজ দায়িত্বে বহন করার সক্ষমতা থাকতে হবে।

বার্তায় আরো বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী যদি যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করেন বা সেসবের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

দূতাবাসের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বর্তমান ভিসা বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন।

এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত আর্থিক প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়ার এবং নিজেদের খরচ বহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কোথাও ভারি বর্ষণের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কোথাও ভারি বর্ষণের শঙ্কা

রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, রংপুর ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সর্বোচ্চ বৃষ্টি ঝরেছে সিলেটে ৭৩ মিলিমিটার। 

সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
সংসদের অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আজ শনিবার সকাল ১১টা ২ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এতে সভাপতিত্ব করছেন।
 

লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন

অনলাইন ডেস্ক
লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন

ইজারা দেওয়া হবে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের ১১টি ট্রেন। ইজারা দেওয়ার অনুমোদন চেয়ে রেল সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি সদর দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর প্রক্রিয়া করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ট্রেনগুলো ইজারা দেওয়া হবে।’

পশ্চিমাঞ্চল রেলের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রতি বছর মোটা অংকের লোকসান হচ্ছে। এতে রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে। রাজস্ব বাড়ানোর জন্য ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, অপারেটরদের হাতে ট্রেন গেলে ভাড়া আরও বাড়বে। পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি আন্তর্জাতিক ট্রেন, ৬২টি আন্তনগর ট্রেন, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করছে। এরমধ্যে বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন ইজারা দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করছে বলে বাংলা ট্রিবউন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
 
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পশ্চিমাঞ্চল রেল বারবার তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭৬ লাখ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করেছে। এর বিপরীতে আয় করেছে ৬৪৯ কোটি টাকা। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। আয় হয়েছে ৬২১ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ মাসে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৮২৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছিল; কিন্তু আয় হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, ১০ থেকে ১২টি ট্রেন ধারাবাহিকভাবে লাভজনক ছিল। সেগুলো রাজশাহী-ঢাকা, ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী-খুলনা এবং রাজশাহী-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করে। কম ভাড়া, পরিচালন ব্যয় এবং টিকিটবিহীন ভ্রমণের কারণে বেশির ভাগ মেইল ও লোকাল ট্রেনগুলোতে লোকসান অব্যাহত আছে। অনেক যাত্রী স্থানীয় রুটে টিকিট ছাড়াই যাতায়াত করছেন। কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার পরিবর্তে ট্রেনের কর্মীদের তারা টাকা দিচ্ছেন।

পশ্চিমাঞ্চল রেলের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আনসার আলী বলেন, ‘অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের ফলে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। আরও কর্মী নিয়োগ করা হলে, এ ট্রেনগুলো থেকে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হলেও ইজারা দেওয়া বেশি লাভজনক। লোকাল ট্রেন থেকে কম আয়ের অন্যতম প্রধান কারণ যাত্রীদের টিকিট কিনতে অনীহা। এ কারণে আমরা ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।

এ বিষয়ে প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। সব মেইল ও লোকাল ট্রেনে সঠিকভাবে টিকিট পরীক্ষা করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। সব ট্রেনের আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্মিলিতভাবে তৈরি করা হয়। প্রতিটি মেইল বা লোকাল ট্রেনের বছরে কত লোকসান হয়, তা দেখানোর জন্য কোনও পৃথক হিসাব নেই।’