• ই-পেপার

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান

১৮ মাসের পুরোটা সময় এনসিপি গঠন করার পেছনে কাটিয়েছেন ইউনূস

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা। ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে, এক টাকাও দুর্নীতি কেউ যদি বের করতে পারো। হো, তুমি রাজনীতি করো, তুমি কাজকর্ম করো না, তুমি বাতাস খেয়ে বেঁচে আছ। এক টাকা দুর্নীতি করলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

আমজনতার দলের এই নেতা আরো বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা কে দুর্নীতি করেছে? এই হান্নান মাসউদ, এই হাসনাত আবদুল্লাহ, এই আসিফ, এই নাহিদ। এরাই তো সবকিছু মিলিয়ে করেছে। ওয়াসার দুর্নীতির কথা কে জানে না? নাহিদের নাম সিরিয়ালি রয়েছে। আসিফের নাম রয়েছে। কার নাম নেই? একেকজনের পিএস-এপিএস কত বড় বড় টাকার জালিয়াতির মামলা হলো?’

আমজনতার দলের তারেক রহমান বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক, যেটা আমরা প্রতিবছর আমরা জানুয়ারি মাসে পাই, অথচ এদের লুটপাটের কারণে, সারজিসদের লুটপাটের কারণে পাঠ্যপুস্তক আমরা জুন-জুলাই মাসে পেয়েছি এবং সেই পাঠ্যপুস্তক কেনাকাটার জালিয়াতির সব বের হয়েছে না? নাকি বাকি আছে এখনো? এসব কিছুর কোনো জবাব দিতে পারবে না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ৬০০ শিশু মারা গেছে। কাকে দায়ী করব? কাকে দায়ী করব? কারা সারা দেশে মাস্তানি করেছে? কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা, এরা নিয়ন্ত্রণ করছে না? তাহলে ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে?’

যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা সংসদে স্বাধীনতার কথা বলে : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা সংসদে স্বাধীনতার কথা বলে : রাশেদ খান
বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়নি তারা আজকে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে।’

রবিবার (২৮ জুন) কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, ‘যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, একটি পতাকা চায়নি, একটি মানচিত্র চায়নি—যারা সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারা আজকে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে। জাতির জন্য এটি অত্যন্ত লজ্জার। সেই ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী দল জামায়াতে ইসলামী ঠিক ওই নামেই, যে নামে তারা ওই সময় ছিল। একই নামে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে তারা।’

রাশেদ খান বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে তারা প্রধান বিরোধী দল হয়েছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। তবে তাদের কণ্ঠে আসলে ওই ধরনের জোর নেই। কারণ হীনম্মন্যতা আছে যে এই দেশের স্বাধীনতা তারা চায়নি। যে কারণে তারা আসলে চাইলেও সেই অর্থে বিরোধিতা করতে পারে না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার এলাকার একটি প্রোগ্রামে বলছেন যে আমরা সংসদে যতই চিল্লাপাল্লা করি না কেন, আমরা আবার বাইরে একসঙ্গে চা খাই, লাউঞ্জে একসঙ্গে বসে আড্ডা দিই। এই কথাগুলো তিনি বলছেন মূলত বিএনপির নেতাকর্মীদের শান্ত করার জন্য। যে যতই আপনারা সংসদে আমাদের এই আওয়াজটা দেখেন এটা মূলত না করলেই না হয়, সে জন্য করতে হয়।’

রাশেদ খান বলেন, ‘সংসদে যে বাজেট অধিবেশন চলছে, আপনার কি মনে হয় এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? তারা বলছে যে আমরা ছায়া সরকার গঠন করেছি। তো, আপনাদের ছায়া অর্থমন্ত্রী কে? যিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পক্ষ থেকে বাজেটের দোষ বা সমালোচনা করবেন। এখন বাজেটের আলোচনায় তারা চলে যাচ্ছেন অন্যদিকে। ট্রেন যেমন লাইনচ্যুত হয়, ঠিক আমাদের বিরোধী দল এই বাজেটের আলোচনায় লাইনচ্যুত হয়েছে।’

সাক্ষাৎকারে রাশেদ আরো বলেন, ‘১৬ বছর বিএনপির অনেকে ঘরে ঘুমাতে পারেনি। অনেকে বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবনে ছিলেন। অনেকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন এই মানুষগুলোকে যদি কটাক্ষ করেন তারা এত দিন কোথায় ছিলেন? ১৬ বছর তো আপনাকে আমরা দেখিনি সংগ্রাম করতে।’

তিনি বলেন, ‘১৬ বছরে যাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে, যারা হাসিনার আমলে জুলুমের কারণে ব্যাংক থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য যে ঋণটা নিয়েছিলেন, সেটা শোধ করতে পারেননি। এই দোষটা কি আসলে শেখ হাসিনার, নাকি যিনি ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছিলেন তার? ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করেন তাদের আপনি কোনোভাবে কটাক্ষ করতে পারেন না।’

হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি : মো. তারেক
সংগৃহীত ছবি

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি। আমরা জিজ্ঞেস করলে বলে ইউটিউবে দেখেন।’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘হাসনাতরা চ্যালেঞ্জ করে এক টাকার দুর্নীতি যদি কেউ বের করতে পারে তাহলে সে রাজনীতি ছেড়ে দেবে, সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দেবে, সংসদ থেকে বের হয়ে যাবে, আর এমপি থাকবে না। তারা তো ত্রাণের হিসাব দিতে পারেনি। যখন আমরা জিজ্ঞেস করি, তারা বলে ইউটিউবে দেখেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইউটিউবে গিয়ে আমরা দেখলাম, টিএসসিতে ত্রাণের জন্য কাপড়চোপড় যা আসছিল, তা তারা কেজি দরে বিক্রি করেছে। সেগুলো কাপড়ওয়ালারা নিয়ে মাঠে শুকাইতে দিছে।’

মো. তারেক রহমান বলেন, ‘একটা রিকশাওয়ালা তার টাকা দিয়েছেন, একটা গৃহবধূ কানের দুল খুলে দিয়েছেন, নাকফুল খুলে দিয়েছেন বন্যার ত্রাণের জন্য। সেই টাকা তারা দেয়নি, তছরুপ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘যে সময় মানুষের গলা পর্যন্ত পানি, মানুষ মারা যাচ্ছে বন্যার পানিতে, সেই সময় বন্যার জন্য নেওয়া ত্রাণ না দিয়ে পরবর্তীতে বলতেছে সরকারি তহবিলে দিয়েছে। সেই তহবিলের টাকার বিষয়ে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি, আজ পর্যন্ত দুই পয়সা পেয়েছেন? এগুলোর উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা সততার মানদণ্ডের কথা বলতেছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রকল্পের কথা বলে তার (হাসনাত) নিজের এলাকায় কয়েক শ কোটি টাকা নিয়েছে।’

অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না : মো. তারেক
সংগৃহীত ছবি

পয়েন্টে পয়েন্টে অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দাবি করেন।

ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘অয় (হাসনাত আবদুল্লাহ) আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিছিল দেয়, চিল্লায় ও তো জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম মিটিং করেছে শ্রমিক লীগ নেতার বাসায়। ও এক টাকার জালিয়াতির কথা বলে! এক টাকা? তারপরে এই য়ে চট্টগ্রামের চসিক মেয়র নির্বাচন করেছিল আওয়ামী লীগ থেকে ও চসিক মেয়রের বাসায় কেন গেল এবং ও যে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল, চসিক মেয়রের ছবি লাগানো নাম লাগানো পানির বোতল দিয়ে করেছে। এক টাকার দুর্নীতি? ওরা কি ইফতার খায়? নাকি টাকা চিবায়া খায়? আমি জিজ্ঞাস করেছি এই য়ে ইফতার মাথাপিছু ১২০০ টাকা। কোটি কোটি টাকা নিয়ে ইফতার আয়োজন করল, এটা কি জুলাইয়ের স্পিরিট।’ 

তিনি বলেন, ‘যে ব্যবসায়ীদের মব সৃষ্টি করে, টাকা লুটপাট কইরা এই রকমভাবে ইফতার আয়োজন করতে হবে। তারা আজকে চ্যালেঞ্জ ছোড়ে কত বড় ভয়ংকর সাহস। লুটপাট কইরা ভাসাইয়া দিয়া, শত শত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি-ইন্ডাস্ট্রি মব কইরা বন্ধ কইরা দিয়া ওরা সততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে। শত শত শিক্ষকের চাকরি কাইড়া নিয়া ওরা শততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে। শত শত ব্যাংকারকে ব্যাংক থেকে বের করে দিয়ে ওরা সততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে—এই রকম চ্যালেঞ্জ দেওয়া কতটা যৌক্তিক।’