• ই-পেপার

দেশে প্রথমবার আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু ৩ জুলাই

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

সানোর গোলে স্তব্ধ ব্রাজিল, এগিয়ে থেকে বিরতিতে জাপান

ক্রীড়া ডেস্ক
সানোর গোলে স্তব্ধ ব্রাজিল, এগিয়ে থেকে বিরতিতে জাপান
গোলের পর জাপানিদের উচ্ছ্বাস, ব্রাজিলিয়ানদের হতাশা। ছবি: ফিফা

ব্রাজিল ০-১ জাপান (প্রথমার্ধ শেষে)

স্তব্ধ হিউস্টন স্টেডিয়ামে থাকা হাজার হাজার হলুদ জার্সিধারী দর্শক, স্তব্ধ বিশ্বজুড়ে ব্রাজিলের কোটি কোটি ভক্ত।

বদলে যাওয়া জাপানকে নিয়ে ব্রাজিল যে শঙ্কায় ছিল, সেটিই হয়তো বাস্তবায়ন হতে চলেছে। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচের প্রথমার্ধে যে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে জাপান! ব্যবধানটা বিরতির পর ধরে রাখতে পারলেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়বে ব্রাজিল।

২৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত এক শটে ব্রাজিল গোলকিপার আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন জাপানের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কাইশু সানো। 

এই গোল হজমের দায়টা ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানিলোর। তার ভুল পাসেই বল পেয়ে জোরালো এক আক্রমণ চালায় জাপান। সেখান থেকেই জাপানকে এগিয়ে দেন সানো। দেশের জার্সিতে এটিই তার প্রথম গোল। 

আজও বেঞ্চে নেইমার, ব্রাজিলের একাদশে কারা আছেন

অনলাইন প্রতিবেদক
আজও বেঞ্চে নেইমার, ব্রাজিলের একাদশে কারা আছেন
আজও বেঞ্চে নেইমার। ছবি : রয়টার্স

কথার লড়াই অনেক হয়েছে। এবার মাঠের লড়াই দেখার অপেক্ষা। সেই লক্ষ্যে হিউস্টনে নামবে ব্রাজিল-জাপান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যে দল জিতবে তারাই পাবে স্বপ্ন জিইয়ে রাখার সুযোগ।

অন্যথা, পরাজিত দলকে কাটতে হবে বাড়ির টিকিট। কেননা এখন থেকে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার একটাই সুযোগ পাবে দলগুলো। ‘হেক্সার’ লক্ষ্যে খেলতে নামা ব্রাজিল আজ জাপানের বিপক্ষে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে।

তাই আজও বেঞ্চে গরম করবেন নেইমার। ৯৮১ দিন পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। আক্রমণভাগে যথারীতি ম্যাথিউস কুনহার সঙ্গে দুই দিকে থাকছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রায়ান। 

ব্রাজিলের একাদশ : 

অ্যালিসন বেকার, দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, ডগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকেতা, রায়ান, ম্যাথিউস কুনহা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

জাপানের একাদশ :

জিওন সুজুকি, হিরোকি ইতো, শোগো তানিগুচি, তাকেহিরো তোমিয়াসু, রিতসু দোয়ান, কাইশু সানো, কেইতো নাকামুরা, দাইচি কামাদা, দাইজেন মায়েদা, জুনাইয়া ইতো, আইয়াসে উয়েদা।

শেষ সময়ে উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার রাদুকানুর

ক্রীড়া ডেস্ক
শেষ সময়ে উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার রাদুকানুর

চোটের কারণে ব্রিটিশ টেনিস তারকা এমা রাদুকানু উইম্বলডন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। চলতি মাসে কুইন্স ক্লাবে দুর্দান্ত ফর্ম দেখানোর পর থেকেই পায়ের অস্বস্তিতে ভুগছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে রূপ নেয় এই টেনিস রানির। 

৩০তম বাছাইয়ে ক্রোয়েশিয়ার আন্তোনিয়া রুজিচের বিপক্ষে কোর্ট ১-এ প্রথম রাউন্ডের ম্যাচটি খেলার কথা ছিল ২৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের।

রাদুকানু বলেছেন, টুর্নামেন্টে খেলার জন্য সম্ভাব্য সব কিছুই করেছি। কিন্তু আজ রাতে চূড়ান্ত স্ক্যানের পর দেখা গেছে, আমি যে সামান্য ব্যথাটা সামলে নিয়েছিলাম তা একটি স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে পরিণত হয়েছে।

চিকিৎসক আমাকে আর জোর করে খেলা চালিয়ে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে যোগ করেন ব্রিটিশ এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়। যিনি ২০২১ সালে ইউএস ওপেন জিতেছিলেন।

‘রোনালদোর কারণে ক্ষতি হচ্ছে পর্তুগালের’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘রোনালদোর কারণে ক্ষতি হচ্ছে পর্তুগালের’
হতাশাকে সঙ্গী করে মাঠ ছাড়ছেন রোনালদো। ছবি : রয়টার্স

যার উপস্থিতির জন্য চাতক পাখির মতো থাকত দল। এখন তার থাকাটাই নাকি দলের জন্য ক্ষতির। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে এমনটাই শুনতে হচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেও তাই বেশিরভাগেরই হৃদয় জয় করতে পারছেন না রোনালদো। দলে থাকাটা যেমন ক্ষতিকর মনে করছেন পর্তুগিজ তারকার এক সময়কার ক্লাব সতীর্থ ডিয়েগো ফোরলান। ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী উরুগুয়ের সাবেক স্ট্রাইকারের মতে, পুরোনো স্টাইলে এখনো খেলছেন রোনালদো।

ইএসপিএনের শো ‘লা কাসা দেল কুন’ অনুষ্ঠানে ফোরলান বলেছেন, ‘স্ট্রাইকার হিসেবে বলছি, সমস্যাটা হচ্ছে রোনালদো সেন্টার পজিশনে দাঁড়িয়ে থাকে। সে এখন পুরোপুরি নাম্বার নাইন। শুধু গোলের সুযোগের অপেক্ষায় ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকে। সে বলের জন্য কোথাও নামছে না। এতে পর্তুগালকে সীমাবদ্ধ করে রাখছে।’

 

রোনালদোর খেলার ধরন এখন পুরোনো আমলের বলে জানিয়েছেন ফোরলান। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ‘সিআর সেভেনের’ সঙ্গে ২১ ম্যাচ খেলা উরুগুয়ের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘‘এটা ঠিক সেই পুরোনো কৌশলে খেলে আমরা বলতাম, ‘আমি এখানেই থাকব কারণ গোল করতে পারব এমন জায়গা আছি।’ তবে আপনি এটা বোঝেন না যে এর ফলে দিনশেষে দলের ক্ষতি করছেন। কারণ আপনি একটুও নড়াচড়া না করলে প্রতিপক্ষের দুজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারও সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকছে। এতে একজন আপনাকে ম্যান মার্কিং করায় অন্যজন ফ্রি থেকে যায়। তখন আপনাকে বল দেওয়ার মতো আর কেউ থাকে না, কারণ আপনি সেই পথ বন্ধ করে দিচ্ছেন।’’

ফোরলান অবশ্য ভুল বলেননি। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ছাড়া গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন রোনালদো। অনেক সময়ই ৪১ বছর বয়সী তারকাকে উপরে ঠাঁই হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সমাধান হিসেবে তাই ফোরলান বলেছেন, ‘সে যদি দুই দিকের উইং ধরে সরে যায় তাহলে অন্যরা ভেতরে ঢোকার জায়গা পাবে। এমনকি সে নিজেও প্লে-মেকিং করতে পারবে। এখানেই পর্তুগাল মার খেয়ে যাচ্ছে, কারণ তারা আক্রমণাত্মক হতে পারছে না। সবকিছু একপাশে আটকে যাচ্ছে। আমি বলব না এটা বড় সমস্যা, তবে তাকে বোঝাতে হবে, নড়াচড়া করো তাতে তুমিও কিছু করতে পারবে।’

আগামী ৩ জুলাই নকআউট ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে রোনালদো কি করেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।