• ই-পেপার

কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮

তার জীবনে আসিম মুনীর কতটা গুরত্বপূর্ণ, জানালেন জেডি ভ্যান্স

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
তার জীবনে আসিম মুনীর কতটা গুরত্বপূর্ণ, জানালেন জেডি ভ্যান্স

সন্ত্রাসবাদ, দুই প্রতিবেশী ভারত ও আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা, ভঙ্গুর অর্থনীতি, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অসন্তোষ, রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ- নানান বিষয়ে বিপর্যস্ত ছিল পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক  অঙ্গনে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি ছিল তলানিতে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ যেন তাদের জন্য লাইফলাইন হয়ে এসেছে।

যুদ্ধ বন্ধে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর রবিবার সুইজারল্যান্ডে শুরু হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিতে যাওয়ার লক্ষ্যে আলোচনা। প্রায় চার মাসের যুদ্ধকে হরমুজ প্রণালী থেকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসতে পর্দার সামনে পেছনে অনেকেরই ভূমিকা আছে। তবে সবার আগে বলতে হবে পাকিস্তানের নাম। যুদ্ধ থামাতে তাদের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবে বিশ্ব। ইরান যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানি নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

টেলিফোনে সব পক্ষের সঙ্গে বিরামহীন কথা বলেছেন, প্রয়োজনে উড়ে গেছেন। কোথাও আটকে গেলে জট খুলতে চেষ্টা করেছেন। সমঝোাতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে একবারই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মুখোমুখি বসেছিল, সেটিও ইসলামাবাদে। আর এই দুতিয়ালীতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীর। আইয়ুব খানের পর ফিল্ড মার্শাল পদে উন্নীত হওয়া পাকিস্তানের প্রথম ব্যক্তি আসিম মুনীর। একই সঙ্গে তিনি দেশটির প্রথম চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেসের মর্যাদাও পেয়েছেন। দেশের ভেতরে স্বীকৃতির পাশাপাশি যুদ্ধ থামাতে ভূমিকার কারণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছেন আসিম মুনীর।

এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় ভাসলেন আসিম মুনীর। সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টকের লেক লুসার্নের বিলাসবহুল রিসোর্টে রবিবার আলোচনায় সব পক্ষের সামনেই আসিম মুনীরকে তার জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে মর্যাদা দিলেন ভ্যান্স।

উপমহাদেশের দুজন বক্তি ভ্যান্সের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, একজন তো পাকিস্তানের আসিম মুনীর। অপরজন হলেন–ভারতীয়, তার নাম ঊষা ভ্যান্স। দ্বিতীয় নামটির ক্ষেত্রে অবশ্য ভ্যান্সের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না। কারণ ঊষা ভ্যান্স তার জীবনসঙ্গী। 

রবিবার আসিম মুনীরের উপস্থিতিতেই জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘আমি বলতে চাই, ইসলামাবাদে যখন প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে ফিল্ড মার্শাল মুনির আমাদের স্বাগত জানিয়েছিলেন, তখন থেকেই আমি কৌতুক করে আসছি যে আমার জীবনে অত্যন্ত, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুইজন ব্যক্তি আছেন—একজন ভারতীয় এবং একজন পাকিস্তানি। ভারতীয় জন হলেন আমার স্ত্রী, আর পাকিস্তানি হলেন ফিল্ড মার্শাল মুনির।’

ভ্যান্স আরো জানান, গত তিন মাসে তিনি সবচেয়ে বেশি কথা বলেছেন আসিম মুনিরের সঙ্গে।

উচ্ছ্বসিত ভ্যান্স বলেন, ‘তার (আসিম মুনীর) দূরদর্শিতা ও কূটনৈতিক বিচক্ষণতা ছাড়া আমি আজ এখানে থাকতে পারতাম না। তিনি নিশ্চিতভাবেই একজন চমৎকার সেনানায়ক। তবে আমি মনে করি তিনি নিজেকে একজন বিচক্ষণ কূটনীতিক হিসেবেও প্রমাণ করেছেন। অবশ্যই, তিনি একজন অসাধারণ নেতা।’

আসিম মুনীর এবং পাকিস্তান তাদের এই অর্জন ভবিষ্যতে কীভাবে কাজে লাগান, সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

ক্ষমতা ছাড়তে পরিকল্পনার ঘোষণা দেবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ক্ষমতা ছাড়তে পরিকল্পনার ঘোষণা দেবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার (২২ জুন) সকালে তার পদত্যাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সূত্রগুলো এ ইঙ্গিত দিয়েছে। এতে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই অ্যান্ডি বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ খুলে যেতে পারে।

সূত্র অনুযায়ী, স্টারমার ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়ে সোমবার একটি বিবৃতি দিতে পারেন, তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি গত তিন দিন ধরে নিজের অবস্থান ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছেন এবং বার্নহামের নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম গত শুক্রবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নিজের আসন নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পথ সুগম হয়। এরপর থেকেই তাকে স্টারমারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বার্নহাম এর আগে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন। সম্প্রতি স্টারমারের পদত্যাগের দাবি উঠলে বার্নহাম মেয়রের দায়িত্ব ছেড়ে উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেইকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হন। 

এদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের বরাতে স্টারমার সোমবার (২২ জুন) সকালে ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে দাঁড়িয়ে নিজের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারেন।

১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের কর্মকর্তারা শুক্রবার পর্যন্ত দাবি করছিলেন, স্টারমার নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল আছেন। কিন্তু অন্তত ছয়জনের বেশি ক্যাবিনেট মন্ত্রী গোপনে তাকে জানিয়েছেন, তার সময় শেষ হয়ে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সপ্তাহান্তে চেকার্স গ্রামীণ বাসভবনে অবস্থান করে সম্ভাব্য পদত্যাগের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।

চাপ বাড়তে থাকায় গত কয়েকদিন ধরে তিনি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত বিবেচনা করছেন। দলীয় নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও, অনেকেই মনে করছেন অ্যান্ডি বার্নহাম সহজেই নতুন নেতা হিসেবে উঠে আসতে পারেন।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম দফার বৈঠকে ‘আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি’, দাবি মধ্যস্থতাকারীদের

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম দফার বৈঠকে ‘আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি’, দাবি মধ্যস্থতাকারীদের
ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ সমাপ্তের চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে শুরু হওয়া প্রথম দফার আলোচনা শেষ হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তান জানিয়েছে, এতে ‘আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি’ হয়েছে। গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি হওয়ার পর রবিবার সুইজারল্যান্ডে এই আলোচনা শুরু হয়।

সোমবার দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে কাতার ও পাকিস্তান জানায়, একটি ‘উচ্চ পর্যায়ের কমিটি’ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একটি ‘রোডম্যাপ’ বা কর্মপরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে। পুরো সপ্তাহজুড়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চলবে। এর আগে আলোচনায় যুক্ত থাকা এক মার্কিন কূটনীতিক বলেন, হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা নিয়ে ইরানের কিছু বিভ্রান্তিকর বার্তার ব্যাখ্যা পরিষ্কার করতেই মূলত আলোচনা হচ্ছে। কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে চলাচল নিশ্চিত করতে এবং ভুল বোঝাবুঝি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে একটি ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা’ গঠন করা হয়েছে। মার্কিন ওই কূটনীতিক বলেন, আলোচনায় পারমাণবিক চুক্তির কিছু বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে। তিনি জানান, সুইজারল্যান্ডের লুসার্ন শহরে বৈঠকে থাকা দুই দেশের প্রতিনিধিদল এই কার্যক্রমকে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করবে। 

গত সপ্তাহের প্রাথমিক চুক্তিতে ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি ছিল। এতে লেবাননসহ ‘সব ফ্রন্টে’ যুদ্ধ বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথাও ছিল। তবে এরপর দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ইসরাইলি বিমান হামলায় বহু লেবাননি নিহত হন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে শুক্রবার ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপরও সংঘর্ষ ও বিমান হামলা চলতে থাকায় শনিবার ইরান ঘোষণা দেয়, তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল অব্যাহত ছিল।

কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে লেবানন প্রজাতন্ত্র এবং মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় সব পক্ষ একটি বিশেষ সমন্বয় কাঠামো গঠনে সম্মত হয়েছে। লুসার্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের আলোচনা শুরু হওয়ার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ইরানকে ‘অবিলম্বে লেবাননে থাকা তাদের বড় অঙ্কের বেতন পাওয়া প্রতিনিধিদের সমস্যা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে’। তা না হলে তিনি ‘আবারও খুব কঠোরভাবে ইরানের ওপর আঘাত হানার’ হুমকি দেন। এর জবাবে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘তারা কি বুঝতে পারে না, তাদের হুমকির যদি সত্যিই কোনো প্রভাব থাকত, তাহলে আজ তাদের এমন অসহায় অবস্থায় থাকতে হতো না? তারা শুধু কথা বলে, আর কাজ করে দেখাই আমরা।’

রবিবার সংঘর্ষ কিছুটা কমেছে বলে খবর পাওয়া যায়। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, উত্তর ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অবস্থান করবে। হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ নিজেদের রক্ষা করবে। 

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক অবকাশকেন্দ্রে আলোচনা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনাকে নতুনভাবে শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানান, ইরান যদি মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরির কার্যক্রম এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা বন্ধ করতে রাজি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও দেশটির সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রস্তুত। তবে ইরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ভ্যান্সের সঙ্গে ছিলেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে গালিবাফের সঙ্গে ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সুইজারল্যান্ডে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। পুরো যুদ্ধজুড়ে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আরেক দফা আলোচনার আয়োজনও করেছিল দেশটি। কাতারও মধ্যস্থতায় অংশ নিয়েছে। রবিবার গভীর রাতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা অব্যাহত থাকায় তিনি স্বাগত জানাচ্ছেন।

সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেন। এর লক্ষ্য ছিল দ্রুত যুদ্ধ শেষ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা ছিল। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়ে গিয়েছিল এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছিল। এ ছাড়া ইরানের বন্দরে যাওয়া ও সেখান থেকে আসা জাহাজের ওপর আরোপ করা সামরিক অবরোধ তুলে নিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রাথমিক চুক্তিতে ইরানের ‘পুনর্গঠন’ পরিকল্পনার জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচির কথাও ছিল। পাশাপাশি দেশটির ওপর থাকা সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি এখনো আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছে। এটিকেই সংঘাতের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি বারাক ওবামার আমলে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন। পরে তিনি আবার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। রবিবার সামুদ্রিক জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট মেরিনট্রাফিকের ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, কিছু জাহাজকে প্রণালিতে প্রবেশ, বের হওয়া এবং চলাচল করতে দেখা গেছে। যদিও ইরান দাবি করেছিল, তারা প্রণালিটি বন্ধ করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিকেলের শেষ দিকে চারটি তেলবাহী জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করে। আরো চারটি পণ্যবাহী বা পরিবহন জাহাজ, গত সপ্তাহের শেষ দিক থেকে প্রণালির পশ্চিম অংশে স্থির ছিল। পরে সেগুলোকে পূর্ব দিকে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে আরো চারটি জাহাজকে পশ্চিম দিকে প্রণালি ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। সেগুলো ইরানের উপকূলসংলগ্ন জলসীমা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে সব ধরনের চলাচল এই তথ্যের মধ্যে ধরা নাও পড়তে পারে। কারণ কিছু জাহাজ তাদের অবস্থান জানানোর যন্ত্র বন্ধ করে রাখতে পারে। 

প্রাথমিক চুক্তিতে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার কথা থাকলেও লেবাননে এরপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হিজবুল্লাহর হামলায় পাঁচজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল বলেছে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে তাদের সংঘাত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে তারাও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। এর কিছুদিন পর লেবাননও এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা এক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট ছোঁড়ে। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননজুড়ে বোমা হামলা শুরু করে। তারা দক্ষিণাঞ্চলে দেশটির প্রায় পাঁচ শতাংশ এলাকা দখল করে নেয়। তাদের লক্ষ্য ছিল উত্তর সীমান্ত থেকে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের দূরে সরিয়ে দেওয়া। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা সেখান থেকে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করেনি।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, দুই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৪ হাজার ৫৭ জন নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লেবাননে অন্তত ৩৪ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। উত্তর ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন আরো চারজন বেসামরিক মানুষ।


 

কলম্বিয়ার নির্বাচনে জয়ের পথে ট্রাম্প সমর্থিত প্রার্থী

অনলাইন ডেস্ক
কলম্বিয়ার নির্বাচনে জয়ের পথে ট্রাম্প সমর্থিত প্রার্থী
ছবি : সংগৃহীত।

কলম্বিয়ার নির্বাচনে জয়ের পথে ট্রাম্প-সমর্থিত আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। প্রাথমিক ভোট গণনায় দেখা গেছে, ডানপন্থী প্রার্থী আবেলার্ডো দে লা এস্পিয়েলা অল্প ব্যবধানে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে আছেন। তার জয় হলে দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাত ও সহিংসতা মোকাবেলার নীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প সমর্থিত দে লা এসপ্রিয়েল্লা অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠী, মাদক পাচার ও অপরাধ দমনে সামরিক অভিযান জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী বামপন্থী প্রার্থী ইভান স্যাপেদাকে পরাজিত করার পথে রয়েছেন। দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, ‘আজ আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এটি এমন একটি অধ্যায়, যা নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও সুযোগে ভরপুর একটি কলম্বিয়া গড়ার স্বপ্নে বিশ্বাসী লাখো মানুষের গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্মিত।’

রানঅফ নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ৯৯ শতাংশের বেশি ভোট গণনা শেষে দে লা এসপ্রিয়েলা পেয়েছেন প্রায় ৪৯ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট আর সেপেদা পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে সেপেদা এখনো পরাজয় স্বীকার করেননি। তিনি বলেছেন, প্রাথমিক ফলাফল ‘এখনও আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত নয়’। তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক ভোট গণনা ও যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে, আমরা সেটিকেই স্বীকৃতি দেব।’ 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মতে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় সাধারণত প্রাথমিক ফলাফলের তুলনায় খুব সামান্য পরিবর্তন দেখা যায়।

ক্যারিবীয় উপকূলীয় অঞ্চলে বেড়ে ওঠা দে লা এসপ্রিয়েলা ওই এলাকায় ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন। প্রাথমিক ভোট গণনার ফল প্রকাশের পর তিনি উপকূলীয় শহর বারানকিলায় হাজারো সমর্থকের সমাবেশে ভাষণ দেন। নিজেকে ‘এল তিগ্রে’ (বাঘ) নামে পরিচয় দেওয়া দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, ‘আজ রাতটি জাতির জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আজ একটি নতুন যুগের শুরু, একটি নতুন ব্যবস্থার সূচনা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি সবার প্রেসিডেন্ট হব, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা অন্য প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। সবার জন্যই আমি কাজ করব।’ দে লা এসপ্রিয়েলা দেশের ১৯৯১ সালের সংবিধান রক্ষা ও তা মেনে চলার অঙ্গীকারও করেন।

দে লা এসপ্রিয়েলার জয়ের খবর আসার পর তার সমর্থকেরা হলুদ রঙের কলম্বিয়া ফুটবল দলের জার্সি পরে এবং জাতীয় পতাকা হাতে উৎসব করেন। তারা গান গেয়েছেন, নেচেছেন এবং আতশবাজি ফুটিয়েছেন। এ সময় তারা ‘স্বদেশের জন্য দৃঢ় থাকো’ ও ‘পেত্রো, বিদায়!’ স্লোগান দেন। অনেক সমর্থক ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মতো টুপি পরেছিলেন, যাতে লেখা ছিল, ‘কলম্বিয়াকে আবার মহান করে তোলো!’ ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘তিনি বিশাল ব্যবধানে জিতেছেন।’

দে লা এসপ্রিয়েলার জয়ের খবরে তার সমর্থকেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।  অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইভানের  সমর্থকেরাও বারানকুইলার রাস্তায় জড়ো হন। তারা অল্প ব্যবধানের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে, যদি কোনো পক্ষ ফলাফল মেনে না নেয়, তাহলে দেশে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

রবিবার গভীর রাতে কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। দে লা এসপ্রিয়েলার জয়ে ক্ষুব্ধ বিশাল জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে বিক্ষোভকারীরা মার্কিন পতাকা পোড়ায় এবং পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।

আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা কে?

আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা একজন আইনজীবী ও ব্যবসায়ী। রাজনীতিতে আসার আগে তার কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না। আইনজীবী হিসেবে তিনি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাব এবং কলম্বিয়ার আলোচিত প্রতারক ডেভিড মুরসিয়া গুজমানের পক্ষে কাজ করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, এটি তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ ছিল। নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কারণে তার সঙ্গে নায়িব বুকেলের তুলনা করা হয়।

নির্বাচনী সমাবেশ ও সামাজিক মাধ্যমে তিনি এবং তার সমর্থকেরা প্রায়ই কলম্বিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি পরেন। সমাবেশে তারা সামরিক কায়দায় সালামও দেন। নিরাপত্তার কারণে দে লা এসপ্রিয়েলা প্রায়ই বুলেটপ্রুফ কাচের আড়াল থেকে বক্তব্য দেন।

কলম্বিয়ার অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাত কয়েক দশক ধরে চললেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। বিদ্রোহী ও অপরাধী গোষ্ঠী, যেমন ফার্কের ভিন্নমতাবলম্বী সদস্যরা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) এবং ক্ল্যান ডেল গলফোর সদস্যসংখ্যা গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।

কোকেন পাচারের লাভজনক রুট ও অবৈধ খনির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এসব গোষ্ঠীর সংঘর্ষে সহিংসতা বেড়েছে। গত বছর কলম্বিয়া-ভেনেজুয়েলা সীমান্তে সংঘাতের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদক দেশ কলম্বিয়ায় কোকেন উৎপাদনও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সমালোচকদের মতে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর ‘টোটাল পিস’ বা শান্তি আলোচনা-কেন্দ্রিক নীতি সফল হয়নি। তাদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতির সুযোগে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরো শক্তিশালী হয়েছে এবং নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে।

এ অবস্থায় আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আলোচনা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলোচনার বদলে কঠোর সামরিক অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হবে। এ ছাড়া তিনি কলম্বিয়ার জঙ্গলে বড় আকারের কারাগার নির্মাণ, সরকারি ব্যয় কমানো এবং স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার আনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন দে লা এসপ্রিয়েলা

আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা বহু বছর যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে বসবাস ও কাজ করেছেন। ২০২৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেন। নির্বাচনে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্য সমর্থন পান। ট্রাম্প বলেছিলেন, দে লা এসপ্রিয়েলা অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করবেন, অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন এবং দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন।

নির্বাচনের আগে ট্রাম্প আরো বলেন, দে লা এসপ্রিয়েলা নির্বাচিত হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন পাবেন। ঐতিহাসিকভাবে কলম্বিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দেয়। এর একটি বড় কারণ ছিল সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো এবং ট্রাম্পের মধ্যে অভিবাসন নীতি, শুল্ক এবং লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে মতবিরোধ।

বিশ্লেষকদের মতে, দে লা এসপ্রিয়েলার উত্থান লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী রাজনীতির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের অংশ। নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনের ইস্যুতে ভোটারদের উদ্বেগ অনেক দেশে ডানপন্থী নেতাদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। তার জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন অঞ্চলের আরও কয়েকজন ডানপন্থী নেতা। 

জাভিয়ের মিলেই বলেন, কলম্বিয়ার জনগণ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সমৃদ্ধি এবং কঠোর নিরাপত্তার পথ বেছে নিয়েছে এবং সংগঠিত অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। এ ছাড়া হোসে আন্তোনিও কাস্ট বলেন, ‘কলম্বিয়ার জন্য স্বাধীনতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যা দেশটিকে নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।’