• ই-পেপার

আর্জেন্টিনার জয়ে ন্যাড়া হলেন রাবির ব্রাজিলভক্ত

কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক
কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করে সহকারী মৌলভি (কারি) এবং ইবতেদায়ি কারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দাওরায়ে হাদিসের সনদকে যুক্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। এতে কওমি মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) উত্তীর্ণ আলেমদের জন্য সরকারি নিয়োগের সুযোগ তৈরি হলো। 

সোমবার (২৩ জুন) মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দাউদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নতুন যোগ্যতার কথা জানানো হয়।

পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে সহকারী মৌলভি (ক্বারি) ও ইবতেদায়ি ক্বারি পদে নিয়োগের জন্য ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদধারীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড হতে ইলমে কিরাত বা হিফজুল কোরআন সনদ থাকা আবশ্যক হবে।  

নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলী

বয়সসীমা : আবেদনকারীর সর্বোচ্চ বয়স হতে হবে ৩৫ বছর। তবে সমপদের ইনডেক্সধারীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য করা হয়েছে।

শিক্ষাগত মান: পুরো শিক্ষা জীবনের যেকোনো স্তরে মাত্র একটি ৩য় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে, এর বেশি থাকলে আবেদন করা যাবে না। 

বেতন স্কেল ও গ্রেড

১. সহকারী মৌলভি (ক্বারি): সাধারণ ক্ষেত্রে ১১তম গ্রেডে ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে।

তবে আলিম মুজাওয়িদসহ ফাজিল সনদধারী হলে ১০ম গ্রেডে ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা বেতন স্কেল প্রাপ্য হবেন।

২. ইবতেদায়ি ক্বারি : এই পদের জন্য ১৬তম গ্রেডে ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নতুন নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে, যা কওমি আলেমদের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ আরো প্রশস্ত করবে।

৫ দিন ধরে নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

জবি প্রতিনিধি
৫ দিন ধরে নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি
নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

পরিবার সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সর্বশেষ মুঠোফোনে কথা বলেন সিরাজুল ইসলাম। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় তার সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

সহপাঠীরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েকজন তাকে দেখেছিলেন। তবে এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তারা জানান, শেষবার তাকে কিছুটা মানসিক চাপে ও বিষণ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।

এদিকে সিরাজুল ইসলামের সন্ধানে পরিবার ও বন্ধুরা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি সিরাজুল ইসলামের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে তার পিতার মোবাইল নম্বরে (০১৭১২০৭১১১৭) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন কামনা করেছেন তার পরিবার, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আগামী প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের মাঝে স্বতঃপ্রণোদনা থাকতে হবে। শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতেই হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় অপচয় না হয়। ইতিমধ্যে আমরা ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দিয়েছি, যাতে তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। এরপর থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াও সমন্বয় করব। শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করতে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, এখন পরীক্ষায় নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। অনেকে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে নকল করার চেষ্টা করে। তাই এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের মাধ্যমে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। সারা দেশের মতো পার্বত্য অঞ্চলেও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করতে হবে।

এ সময় চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জবি প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ ঘোষিত আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপতৎপরতা, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস ও আশপাশের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভাস্কর্য চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর যে নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে, তার বিচার বাংলার মাটিতে শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো অধিকার নেই এ দেশের মাটিতে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর নামে যদি তারা সাধারণ মানুষের শান্তি বিনষ্ট করতে বা কোনো অপতৎপরতা চালাতে চায়, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। আমরা রাজপথে ২৪ ঘণ্টা পাহারায় আছি।’

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘ক্যাম্পাস কিংবা ক্যাম্পাসের বাইরে স্বৈরাচারের কোনো দোসরের ঠাঁই হবে না। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে প্রমাণিত। তারা যদি কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তবে ছাত্রদল তা কঠোর হস্তে দমন করবে। আমরা প্রশাসনকেও সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি যেন কোনো চিহ্নিত অপরাধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।’

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বদা সজাগ থাকবেন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন।