• ই-পেপার

গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের নতুন সমন্বয়ক সালমান সিদ্দিকী

সাড়ে তিন দশক পর জাবি সিনেটে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সাড়ে তিন দশক পর জাবি সিনেটে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিনেটের ৪৩তম বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর এ অধিবেশনে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

শনিবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে উপাচার্য, সিনেট সদস্য, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) মনোনীত পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৭৩-এর ১৯(১)(ক) ধারা অনুযায়ী সিনেটে পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্তির বিধান রয়েছে। তবে আইনগতভাবে আসনগুলো সংরক্ষিত থাকলেও তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সেগুলো কার্যত শূন্য ছিল। সম্প্রতি জাকসুর তৃতীয় কার্যনির্বাহী সভায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক প্রতিনিধিত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তবে ছাত্রত্বসংক্রান্ত জটিলতার কারণে জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম সিনেট অধিবেশনে অংশ নিতে পারেননি। ফলে শুরুতে তিনজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নিয়েই অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা ও আইনি জটিলতার পর নতুন দুই সদস্যকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

অধিবেশন শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাকসুর জরুরি অনলাইন কার্যনির্বাহী সভায় সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আহসান লাবিব এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবু তালহাকে সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়। দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় ২টা পর্যন্ত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, জরুরি কার্যনির্বাহী সভায় সিনেট সদস্য হিসেবে জাকসুর সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আহসান লাবিব এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবু তালহাকে মনোনীত করা হয়েছে।

সিনেটে অন্তর্ভুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হলেন জাকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) ফেরদৌস আল হাসান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (নারী) আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা, পরিবেশ ও প্রকৃতিবিষয়ক সম্পাদক সাফায়েত মীর, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আহসান লাবিব এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবু তালহা।

জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন রাকসুর সংস্কৃতি সম্পাদক

রাবি প্রতিনিধি
জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন রাকসুর সংস্কৃতি সম্পাদক
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে ‘শহীদ জননী’ হিসেবে সম্মানিত জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকীকে ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক জায়িদ হাসান জোহা। শনিবার (২৭ জুন) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করে এই মন্তব্য করেন তিনি। 

ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশনে জোহা লেখেন, ‘জাহান্নামের ইমামের মরণদিবস আজ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বাস্তবায়ন করেছিল বিদেশি নকশা।’

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকে এর সমালোচনা করেছেন।

জোহার পোস্টের সমালোচনা করে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফী এক পোস্টে লেখেন, “রাকসুর অপ!সংস্কৃতি সম্পাদক জোহা শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বলে ফতোয়া দিয়েছে । কারণ জাহানারা ইমামই প্রথম ওদের জাতির পিতা রাজাকার কুলের শিরোমনি গোলাম আজমকে গণআদালতে ফাঁসি দিয়েছিল। এটাই আমাদের গত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক খেসারত যে জোহার মতো যুদ্ধাপরাধীর উত্তরসূরিরা দেশের ২য় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়, শহীদের মাকে নিয়ে বাজে কথা বলার সাহস পায়।’

পপুলেশন ও সায়েন্স ও হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আমানউল্লাহ খান আমান সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘রাবিতে যারা ছাত্ররাজনীতি করে তারা খুবই আনস্মার্ট। ক্যাম্পাসে এতক্ষণ প্রতিবাদমুখর হওয়া উচিত ছিল। রাকসুর অপসংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদকের পদ বাতিলের দাবিতে রাকসুর সভাপতিকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া উচিত। তারা বাংলাদেশে থেকে এ দেশের ইতিহাস কটাক্ষ করবে এটা—মেনে নেওয়া যায় না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জায়িদ হাসান জোহা বলেন, “বিগত সময়ে যেই তথাকথিত ‘যুদ্ধাপরাধীর’ নামে যেই হত্যাকাণ্ড হয়েছিল সেই গ্রাউন্ডটা জাহানারা ইমামের হাত ধরে তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশে মব কালচারের গোড়াপত্তনকারী জাহানারা ইমামকে জাহান্নামের ইমাম বলেছি। আমি কোনো শহিদের মা'কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করিনি। তবে এখানে কোনোভাবে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করা হয়নি।‘শহিদের মা’ পরিচয় কারো ‘খুনি’ পরিচয় মুছে দিতে পারে না।’

প্রসংগত, জাহানারা ইমাম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত লেখিকা, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক কর্মী। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের এই অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশে ‘শহীদ জননী’ হিসেবে পরিচিত ও সম্মানিত। ১৯৯২ সালে স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।

১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে পাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে পাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স
সংগৃহীত ছবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বিশ্বের ১৩টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইমার্জিং ফ্রন্টিয়ার্স ইন অ্যাডভান্সড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস-২০২৬ (ইফাস্ট-২০২৬)’ শনিবার (২৭ জুন) শুরু হচ্ছে।

পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মেলন উপলক্ষে শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩৯টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ২২৮টি সরাসরি, ৭৮টি ভার্চুয়ালি এবং ৬৯টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন থাকবে। উন্নত পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাম্প্রতিক গবেষণা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ।

সম্মেলনে মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান গবেষক ও শিক্ষাবিদরা সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি কীনোট ও ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে অংশ নেবেন।

সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন পাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কনফারেন্স চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান।

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ‘ধার করা প্রযুক্তি দিয়ে কোনো দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, কনফারেন্স কনভেনার ড. মো. ফজলুল হক, কনফারেন্স সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজাসহ আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দৈনিক কালের কণ্ঠ ও যমুনা টেলিভিশন।

বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঈন, সম্পাদক তানভীর

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঈন, সম্পাদক তানভীর
সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর আনজুম (বাঁ দিক থেকে)। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কৃষি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মঈন। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন একই অনুষদের স্নাতক শিক্ষার্থী মো. তানভীর আনজুম।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সদস্য সমাবেশে শাখা সভাপতি নির্বাচন এবং নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশে কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক মো. নুরুল হুদা।

সংগঠনটির দাবি, কেন্দ্রীয় সভাপতি স্বাক্ষরিত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে শাখা সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পেয়ে আব্দুল্লাহ আল মঈন সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে কেন্দ্রীয় সভাপতি তাঁকে সাংগঠনিক শপথবাক্য পাঠ করান।

এরপর সদস্যদের পরামর্শক্রমে নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন শাখা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. তানভীর আনজুমকে মনোনয়ন দেন।

প্রসঙ্গত, নবগঠিত এ কমিটি ২০২৬ সালের অবশিষ্ট সময় দায়িত্ব পালন করবে।