• ই-পেপার

রূপগঞ্জ

মহাসড়কের পাশে ময়লা অপসারণ ও বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

পাঁচ ড্রাম্প ট্রাক জব্দ

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটা কাটার দায়ে আটজনের নামে মামলা করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে। মামলায় তিন চালকসহ আটজনের নাম উল্লেখসহ ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

এর আগে রবিবার গভীর রাতে ইটভাটায় মাটি নেওয়ার সময় তিন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় পাঁচটি ড্রাম্প ট্রাক জব্দ করা হয়। 

গ্রেপ্তাররা হলেন ট্রাকচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, মো. হৃদয় ও আবু রায়হান। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, উপজেলার মহিশাষী গ্রামের রাতুল, শোলধন গ্রামের জুয়েল, মধুডাঙ্গা গ্রামের রাফি মোহাম্মদ সজিব ও সুরুজ আহমেদ।

স্থানীয়রা জানায়, প্রভাবশালীদের সিন্ডিকেট ও ইটভাটার মালিকদের দৌরাত্ম্যে ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ হচ্ছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা সত্ত্বেও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে এই ধ্বংসলীলা পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না। ফলে দিনদিন কৃষি জমি কমে আসছে, কৃষিপণ্য উৎপাদনও হ্রাস পাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক জমির মালিক সাময়িক লাভের আশায় মাটি বিক্রি করে দেন, যা আশপাশের অন্যের কৃষি জমির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষি জমির এই নীরব ধ্বংস যেন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একাংশ এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় সাধারণ কৃষকরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করে ভেকু জব্দ করছে। সেটা আবার জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। জরিমানা দিয়ে পুনরায় চক্রগুলো মাটি কাটা শুরু করায় স্থায়ী সমাধান মিলছে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মামুন বলেন, ফসলি জমির মাটিকাটা বন্ধে প্রতিরাতেই অভিযান পরিচালনা করে ভেকু ও ট্রাক জব্দ করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। এরপরও মাটিকাটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়ায় ফলে গোটা ধামরাই এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার মতো জমি পাওয়া যাচ্ছে না। 

এমপি জানান, অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটিকাটা বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
 

লালপুর

বাঁশপণ্য টিকিয়ে রাখতে নারীর লড়াই

আব্দুল জব্বার সুজন, লালপুর (নাটোর)
বাঁশপণ্য টিকিয়ে রাখতে নারীর লড়াই
বাঁশ দিয়ে ঝুড়ি বুনছেন জেলেখা বাওয়া। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলার কারিগরপাড়া গ্রামে। ছবি: কালের কণ্ঠ

গ্রামের নাম কারিগরপাড়া। নাটোরের লালপুর উপজেলার এই গ্রামে একসময় প্রায় ৫০০ পরিবার বাঁশের পণ্য তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই ঝুড়ি তৈরির শব্দ শোনা যেত। এখন আর  সেই দিন নেই। 

প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতার কাছে হার মেনেছে বাঁশপণ্যের কারিগরদের অধিকাংশই। যে কয়জন টিকে রয়েছেন, জেলেখা বেওয়া তাদের একজন।  ৭০ বছর বয়সী এই নারীর দিন কাটছে দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে। তবু আকড়ে ধরে রেখেছেন এই শিল্প। 

সম্প্রতি জেলেখার বাড়িতে তার সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। জেলেখা জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে মারা যান তার স্বামী রিয়াজ উদ্দিন। এরপর দুই সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন নিঃস্ব জেলেখা। কোনো জমিজমা নেই, নেই স্থায়ী বসবাসের জায়গা। 

এ সময় জেলেখা পারিবারিক পেশা হিসেবে বাঁশের ঝুড়ি তৈরিকে বেছে নেন। হাতে তৈরি ঝুড়ি স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে যা আয় হয়, তা দিয়েই চলে তার সংসার। তবে সেই আয় এত সামান্য যে, তা দিয়ে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করাও কঠিন।

তীব্র হতাশা নিয়ে জেলেখা বলেন, ‘সারাদিন বসে ঝুড়ি বানাই, কিন্তু বিক্রি কম। যা পাই, তা দিয়ে ঠিকমতো খেতেও পারি না।’ 

স্থানীয় সূত্র জানায়, কারিগরপাড়া গ্রামে একসময় প্রায় ৫০০ পরিবার বাঁশের ঝুড়ি তৈরির পেশায় যুক্ত ছিল। কিন্তু প্লাস্টিক পণ্যে সহজলভ্যতায় বাঁশ পণ্যের চাহিদা দিন দিন কমছে। তাই ৫০০ পরিবার থেকে কমতে কমতে এখন এই পেশায় কোনোরকম টিকে রয়েছে মাত্র ২০টি পরিবার। 

গ্রামের কারিগর মানিকের ভাষ্য, ‘এই ঝুড়ি শুধু আমাদের রুজি-রুটি না, এটা আমাদের পূর্বপুরুষের পরিচয়। কিন্তু এখন কাজ কমে গেছে, টিকে থাকা কঠিন।’ একই সুরে কথা বলেন আরো দুই কারিগর সেন্টু ও রন্টু। তারা বলেন, ‘আগের মতো এখন আর চাহিদা নেই। ফলে আয় কমে গেছে; অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে।’

স্থানীয় কৃষক আব্দুর রশিদ মাস্টার বলেন, ‘বাঁশের ঝুড়িতে ফল ভালো থাকে, বাতাস চলাচল করে বলে ফল নষ্ট হয় না। কিন্তু এখন অনেকেই প্লাস্টিক ব্যবহার করছে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।’ 

তবে প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে এই শিল্পে কিছুটা প্রাণ ফিরে আসে বলে জানান ফল ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, আম ও লিচুর মৌসুমে বাঁশের ঝুড়ির চাহিদা বাড়ে। কৃষকেরা গাছ থেকে সংগ্রহ করা ফল ঝুড়িতে করে বাজারে নিয়ে যান। 

বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রধান ড. ফয়েজ  উদ্দিন মিয়া বলেন, বাঁশের ঝুড়ি শুধু একটি পণ্য নয়, এটি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এর ব্যবহার বাড়ানো সময়ের দাবি। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশ রক্ষায় বাঁশের মতো প্রাকৃতিক উপকরণের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় বলেন, ‘বাঁশের তৈরি ঝুড়ি পরিবেশবান্ধব এবং ফল সংরক্ষণে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ফল সতেজ রাখে এবং পরিবহনের সময় ক্ষতি কমায়। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রয়োজন সরকারি সহায়তা ও মানুষের  সচেতনতা।’

উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মৃদুল রায় বলেন, ‘কারিগরদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং বাজারজাত করার  সুযোগ বাড়ানো গেলে এই শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে এই পেশায় আগ্রহী করে তুলতে হবে।’

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস

শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর আয়োজনে মানববন্ধন থেকে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড দেখানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। 

সোমবার (১৫ জুন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি থেকে বর্জ্য খাতে শিশুশ্রম নির্মূলে ১২ দফা দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এ কর্মসূচিতে সহায়তা করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, ‘শিশুশ্রমকে লাল কার্ড দেখাই : শিশুর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করি, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান গড়ি।’

মানববন্ধনে সনাকের পক্ষ থেকে সুপারিশে বলা হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে শিশুশ্রমের ঘটনা জানাতে পৃথক হটলাইন চালু করতে হবে। পাশাপাশি ডাম্পিং সাইট, ল্যান্ডফিল ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনগুলোতে বিশেষায়িত শিশুশ্রম পর্যবেক্ষণ ইউনিট গঠন করে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মো. মেহেদী হাসান এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সনাক সদস্য মো. আরজু মিয়া।

বাঞ্ছারামপুরে দেড় হাজার বৃক্ষ বিতরণ

আজকের একটি গাছ, আগামীকাল আপনার শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
আজকের একটি গাছ, আগামীকাল আপনার শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস
ছবি : কালের কণ্ঠ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। “Plant a tree today, let a child breathe tomorrow” (আজকের একটি গাছ, আগামীকাল আপনার শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস)—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তারিকুল ইসলাম। যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসের খান (অপু)-এর অর্থায়নে উপজেলার ১৩৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের কাছে ফলদ, বনজ এবং ওষুধি—এই তিন জাতীয় দেড় হাজার চারাগাছ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আজিজ। এ ছাড়া গাছের উপকারিতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল আহমেদ এবং চরলহনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলাম।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আজিজ তাঁর বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে যে ১০টি করে চারাগাছ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সঠিক যত্ন নিতে হবে। শুধু গাছ রোপণ করলেই হবে না, নিয়মিত সার-পানি দেওয়া এবং গাছগুলো রক্ষায় উপযুক্ত বেড়ার ব্যবস্থা করতে হবে, যেন আগামী ছয় মাস বা এক বছর পর গাছগুলো সঠিকভাবে বেড়ে ওঠে।

পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক  কামাল উদ্দিন ব্যারিস্টার নাসের খান অপুর এই মহতি ও জনস্বার্থমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি একজন প্রকৃত শিক্ষানুরাগী মানুষ। বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষা ও পরিবেশের উন্নয়নে তার এই অবদান প্রশংসনীয় এবং এর মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষা আঙিনায় তার স্মৃতি অম্লান হয়ে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে চারাগাছ সংগ্রহ, পরিবহন ও সুশৃংখলভাবে বিতরণের পেছনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলাম।

উক্ত কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উজানচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ আলী পলাশ, হোগলাকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শাহজালাল টিপু, আছমা জাহান শম্পা, আছাদনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইরফান মিয়া, বকুল আহমেদ, ঝুটন সরকার, দরিয়াদৌলতের আহাদ খান, আব্দুল্লা আল মামুন, মাখন মিয়া, মোজাফফর রহমান, সৈয়দ ওসমান গনি, সামছুল আলম এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ। পরিশেষে, বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষা ও পরিবেশের সামগ্রিক কল্যাণে ব্যারিস্টার অপুসহ সংশ্লিষ্ট সকলের এই ধরনের নিঃস্বার্থ ও জনকল্যাণমুখী কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।