• ই-পেপার

অপপ্রচারের রাজনীতির বিরুদ্ধে দোহার যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল

সাভারে ফাঁড়ি থেকে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভারে ফাঁড়ি থেকে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সংগৃহীত ছবি

সাভারের ভার্কুতা পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশ হেফাজত থেকে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ২ এএসআই ও একজন কনস্টবেলকে প্রত্যাহার করা হয়ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে ভার্কুতা পুলশি ফাঁড়ির ইনর্চাজ আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তারা হলেন সাভার মডলে থানার ভার্কুতা ফাঁড়ির সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) রবিউল ইসলাম, খায়রুল আলম ও কনস্টবেল তোফায়েল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারনামীয় আসামি এবং ভার্কুতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আশাব উদ্দনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভার্কুতা ফাঁড়ি নিয়ে আসা হয়। পরে দুপুরের দিকে ফাঁড়ির দায়িত্বরত র্কমর্কতাদের চরম গাফিলতি ও উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান আশাব উদ্দিন। মাত্র কয়েক  সেকেন্ডের ব্যবধানে পুলিশের চোখের সামনে দিয়েই হাওয়া হয়ে যায় এই হত্যা মামলার আসামি। এরপর চারদিকে শোরগোল পড়লেও ততক্ষণে আসামি উধাও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভার্কুতা পুলশি ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, কর্তব্যের অবহেলা আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ মেলায় দুই এএসআই এবং একজন কনস্টবেলকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পলাতক আসামি আশাব উদ্দিনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে খুব দ্রুতই তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হবে।

আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নৈরাজ্য ঠেকাতে কেন্দুয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নৈরাজ্য ঠেকাতে কেন্দুয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে কেন্দুয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে পৌরসদরের প্রধান প্রধান সড়কে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব আলম জরিফ, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া খোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মিছিলটি উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে পৌরসদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বিএনপি নেতারা বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা এ ধরনের অপতৎপরতা রুখে দিতে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পাড়া-মহল্লায় সংগঠিত থেকে যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

এর আগে দুপুরে উপজেলা ছাত্রদলও পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলে নেতারা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলটির নেতাকর্মীদের প্রচারণার পর স্থানীয় প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিল।

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৯২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৯২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড পরিচালনা, সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।

পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মিজমিজি দক্ষিণপাড়া সাততলা ভবনের সামনের সড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গোপনে সমবেত হয়ে বৈঠক করছিল। বৈঠকে সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় করা, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং নাশকতামূলক পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে তারা একত্রিত হয়েছিল।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালালে উপস্থিত ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় মো. নাজিম উদ্দিন উজ্জ্বল (৩৯) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতী লীগের সভাপতি লিটন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহির, যুব মহিলা লীগ নেত্রী চম্পা ভূইয়াসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৪২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থককে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, সংগঠনকে সক্রিয় করার চেষ্টা, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিলেন। এসব অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, সংগঠনকে সক্রিয় করার চেষ্টা এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মামলায় উল্লিখিত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 

সাভার-আশুলিয়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভার-আশুলিয়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সাভার ও আশুলিয়া থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস ও ট্রাফিক উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার থেকেই ঢাকা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। 

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কয়েকটি এলাকায় ঝটিকা মিছিল, ব্যানার প্রদর্শন ও দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাভারের আমিনবাজার তুরাগ এলাকা থেকে সাতজন এবং আশুলিয়ার তুরাগ নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে আরো সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের জান-মালের সুরক্ষায় ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সাভারে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

পুলিশ আরো জানায়, এ ঘটনায় সাভার মডেল থানা ও আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পূর্বেও নাশকতা ও হত্যা-সংক্রান্ত মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।