• ই-পেপার

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র

দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক
দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে ব্রাজিল
হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সতীর্থর সঙ্গে ভিনিসিয়ুস। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি ব্রাজিলের। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নকআউটে যেতে হলে তাই জয়ে ফিরতে হবে তাদের।

সেই লক্ষ্যে আজ হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। ফিলাডেলফিয়া আজ দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে সেলেসাওরা। মরক্কোর বিপক্ষে খেলা রজার ইবানেজ ও ইগোর থিয়াগোকে বেঞ্চে রেখেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দুজনের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন মাতেউস কুনিয়া ও দানিলো। 

হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ-
আলিসন (গোলরক্ষক), দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, ডগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেইস ও লুকাস পাকেতা, রাফিনিয়া, মাতেউস কুনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

সালাহর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার

ক্রীড়া ডেস্ক
সালাহর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার
সালাহর রেকর্ডে ভাগ বসালেন সাইবারি। ছবি : এক্স থেকে

একা আর উপভোগ করা হলো না মোহাম্মদ সালাহর। তার রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার। আফ্রিকা মহাদেশের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এতদিন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে গোল করা ফুটবলার ছিলেন সালাহ। 

মিশরের কিংবদন্তির সেই কীর্তিতে এবার ভাগ বসালেন ইসমায়েল সাইবারি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর হয়ে গোল পেলেন তিনি। সেটিও আবার রেকর্ড গড়ে। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দ্রুততম গোলের মালিক হয়ে। 

ম্যাচের ৬৯ সেকেন্ডে গোলটি করেন সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে গোলটি করেন ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। পরে লিড বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা না হওয়ায় তার সেই গোলেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিরতিতে যায় মরক্কো।

 

সাইবারির আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।

এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর

ক্রীড়া ডেস্ক
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করার সময় সাইবারির শট। ছবি : রয়টার্স

নিজ আসনে হয়তো তখনো অনেকে বসতে পারেননি। কিন্তু এর মধ্যেই দেখলেন মরক্কোর গোল উদযাপন। অথচ, বোস্টনে তখন সবে দ্বিতীয় মিনিটের খেলা চলছিল।

সেকেন্ডের হিসেবে তখন ৬৯ সেকেন্ড। যা এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল। দ্রুততম গোলের নায়ক হচ্ছেন ইসমাইল সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে স্কটল্যান্ডের জাল খুঁজে নেন মরক্কোর ফরোয়ার্ড।

এর আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।

রোনালদোকে অবসর নিতে বললেন সতীর্থের প্রেমিকা

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোকে অবসর নিতে বললেন সতীর্থের প্রেমিকা
বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি রোনালদোর। ছবি : রয়টার্স

বড্ড খারাপ সময় পার করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বিশেষ করে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলার পর। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করায়। ১-১ গোলের ড্রয়ের ম্যাচে আবার মাঠে খুঁজেই পাওয়া যায়নি রোনালদোকে।

রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের পর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’ তার কঠোর সমালোচনা করে একটি কলাম লিখেছে। লেখক রিচার্ড জলি যার শিরোনাম দিয়েছেন, ‘১০ জন খেলোয়াড় এবং একজন মূর্তি’। শুধু সংবাদমাধ্যমই নয়, ‘সিআর সেভেনের’ সমালোচনা করেছেন থিয়েরে অঁরির মতো কিংবদন্তিও।

বিপরীতে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার সঙ্গে রোনালদোকে নিয়ে ট্রল করছেন অনেককে। যা মেনে নিতে পারছেন না পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর ভক্ত-সমর্থকরা। প্রিয় খেলোয়াড়কে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনামূলক কিছু চোখে পড়লেই কমেন্ট করে প্রতিবাদ জানান তারা।

 

রোনালদোর ভক্ত-সমর্থকদের যুক্তি তার সতীর্থরা পাস না দেওয়াতেই বাজে একটা দিন গেছে পর্তুগালের অধিনায়কের। এক ভক্ত তেমনি এক মন্তব্য করে ইট মেরে যেন পাটকেল খেয়েছেন। তবে ভক্তের মুখ বন্ধ করতে গিয়ে ‘রোনালদোবিরোধী’ মন্তব্য করে বসেন পোস্টদাতা।

পোস্টদাতা আবার সাধারণ কোনো মানুষ নন, পর্তুগালেরই মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেসের প্রেমিকা মাদালেনা আরাগাও। কমেন্টের জবাব দিতে গিয়ে, রোনালদোকে স্বার্থপর এবং অবসর নিতে বলেছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রেমিক নেভেসের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন মাদালেনা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার ৮৭ কে নিয়ে আমি গর্বিত।’ কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের গোলটি করেছিলেন নেভেসই।

সেখানেই সেই ভক্ত কমেন্ট করেন, ‘তোমার প্রেমিককে বলো আমার আইডলকে (রোনালদো) পাস দিতে।’ মন্তব্যের উত্তরে মাদালেনা লিখেছেন, ‘তোমার আইডলকে বলো অবসর নিতে, সে খুবই স্বার্থপর।’