• ই-পেপার

দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে ভাইকিংদের অসহায় আত্মসমর্পণ

জাপানের বিপক্ষে জয় পেলে শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে?

ক্রীড়া ডেস্ক
জাপানের বিপক্ষে জয় পেলে শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে?
ছবি : রয়টার্স

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতোমধ্যে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে জাপান। এবার জানা গেল এই ম্যাচে জয় পেলে কে হতে পারে সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ।

আজ রাতে শেষ হয়েছে ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচ। সেখানে ফ্রান্সের কাছে হেরে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে নরওয়ে। তাদের বিপক্ষে খেলবে গ্রুপ ‘ই’-তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইভরি কোস্ট।

আর এই ম্যাচে নরওয়ে বা আইভরি কোস্টের যে দল জিতবে সেই শেষ ষোলতে খেলবে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে।

তাই ব্রাজিল ও নরওয়ে নিজেদের ম্যাচে জিতলে নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে পারে হালান্ড-ওডেগার্ডদের। 

ইরাককে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নকআউটের কাছে সেনেগাল

ক্রীড়া ডেস্ক
ইরাককে গোলবন্যায় ভাসিয়ে নকআউটের কাছে সেনেগাল

বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ ইরাকের ওপর দিয়ে যেন এক ঝড় বয়ে গেল। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে গুঁড়িয়ে দিয়েছে আফ্রিকার সিংহ সেনেগাল। ম্যাচের শুরুতেই লাল কার্ডের ধাক্কা খাওয়া ইরাক পুরো ম্যাচেই সেনেগালিজ ফরোয়ার্ডদের আক্রমণের তোড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে।

ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ৪ মিনিট। ম্যাচের শুরুতেই ইরাকি রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দিয়ে সেনেগালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন হাবিব দিয়ারা। শুরুর এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ১৩ মিনিটে বড় বিপদে পড়ে ইরাক। সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দলটির ডিফেন্ডার রেবিন সুলাকা। ফলে ম্যাচের সিংহভাগ সময়ই ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় ইরাকিদের। প্রথমার্ধে সেনেগাল আরও বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া না করলে ব্যবধান তখনই আরো বাড়তে পারত।

তবে বিরতির পর যেন আরো বেশি চড়াও হয় সেনেগাল। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইসমাইলা সার। নিজেদের অর্ধে ইরাকের মিডফিল্ডার জিদান ইকবালের এক মারাত্মক ভুলের সুযোগ নেন লামিন কামারা। বল কেড়ে নিয়ে তিনি বক্সে একদম নিঃস্বার্থভাবে পাস বাড়ান পাশে থাকা সারের দিকে। নিখুঁত শটে বল জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি সার।

এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ৫৯ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন পাপে গেয়ে। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২ মিনিটের মাথায় লক্ষ্যভেদ করেন এই মিডফিল্ডার। আক্রমণের ধার ধরে রেখে ৭১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি পান সেই পাপে গেয়েই।

ম্যাচের শেষদিকে ইরাকের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ইলিমান এনদিয়ায়ে। ৮২ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে সেনেগালের ৫-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। পুরো ম্যাচে ১০ জনের ইরাক সেনেগালের এই আক্রমণের সুনামি ঠেকানোর কোনো উপায়ই খুঁজে পায়নি।

এই জয়ে গ্রুপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে গোল ব্যাবধানে ভাল অবস্থানে থেকে শেষ ৩২-এ ওঠার একদম দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে সেনেগাল।

দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে চড়ে বিরতিতে ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক
দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে চড়ে বিরতিতে ফ্রান্স

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই তৃতীয় হ্যাটট্রিক দেখে ফেলল টুর্নামেন্ট! ফরাসি উইঙ্গার ওসমানে দেম্বেলের ৩২ মিনিটের হ্যাটট্রিকে নরওয়ের রক্ষণভাগ যেন খড়কুটোর মতো উড়ে গেল।

নকআউট পর্বের আগে তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হাল্যান্ডকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখে নরওয়ে কোচ স্তালে সোলবাকেন যে জুয়া খেলেছিলেন, দেম্বেলের আগুনে পারফরম্যান্সে তা রীতিমতো পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই নরওয়েজিয়ান রক্ষণভাগকে নাচিয়ে ছাড়েন দেম্বেলে। ঘড়ির কাঁটা ৩২ মিনিট ছোঁয়ার আগেই ম্যাচের ভাগ্য একরকম একাই লিখে ফেলেন তিনি। মাঝে নরওয়ের থেলো আসগার্ড ২১ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন। এতে ৩-১ ব্যাবধানে বিরিতিতে গিয়েছে দুই দল।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের!

চলতি বিশ্বকাপে গোল উৎসবের সঙ্গে ফুটবলাররা মেতেছেন হ্যাটট্রিক উৎসবে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই টুর্নামেন্ট দেখে ফেলল তৃতীয় হ্যাটট্রিক! আর এবার সেই জাদুকরী কীর্তি দেখালেন ফরাসি উইঙ্গার ওসমানে দেম্বেলে। নরওয়ের রক্ষণভাগকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে ম্যাচের মাত্র ৩২ মিনিটের মধ্যেই নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

এতেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক করে ফেললেন ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। এর আগে ১৯৫৪ বিশ্বকাপে সাবেক চেকোশ্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ২৪ মিনিটে হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রিয়ার স্ট্রাইকার এরিক প্রবস্ট। 

চলতি বিশ্বকাপে এটি যেমন দেম্বেলের প্রথম হ্যাটট্রিক, তেমনি টুর্নামেন্টের হিসেবে এটি হ্যাটট্রিকের ‘হ্যাটট্রিক’। এর আগে মেগা এই আসরে প্রতিপক্ষের জাল একা বুঁদ করে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেয়েছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি ও কানাডার গোলমেশিন জোনাথন ডেভিড। তাদের সেই কীর্তির পর আজ স্পটলাইট পুরোপুরি নিজের দিকে কেড়ে নিলেন দেম্বেলে।