• ই-পেপার

সৌন্দর্যসেবাকে এগিয়ে নিতে জোট বাঁধল ল’রিয়াল ও ওপেনএআই

লেবাননের বেকা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলা, নিহত বেড়ে ১৮

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননের বেকা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলা, নিহত বেড়ে ১৮
সংগৃহীত ছবি

লেবাননের বেকা উপত্যকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা অব্যাহত রাখায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল ‘হিজবুল্লাহর অবকাঠামোগত স্থাপনাগুলো’ এবং এটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে চালানো হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘর্ষে তাদের চার সেনা নিহত হয়েছেন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ও আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও লেবানন সীমান্তে হামলা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা ও হতাহতের ঘটনা যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
 

জাপানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুন, শিশুসহ আহত ১০

অনলাইন ডেস্ক
জাপানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুন, শিশুসহ আহত ১০
ছবি : জিজি

জাপানের টোকিওর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুন লেগে শিশুসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। আজ শুক্রবার (১৯জুন) এ ঘটনা ঘটে। 

টোকিওর কিতা এলাকার তাকিনোগাওয়া দাই-সান স্কুলের একটি সংগীত কক্ষে আগুন লাগে। এরপর ওপরের তলার জানালা দিয়ে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। ৭৫টি ফায়ার ইঞ্জিন এবং বেশ কয়েকজন দমকলকর্মীর সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিভিয়ে ফেলা হয় এবং সকল ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

কিয়োডো নিউজ জানিয়েছে, আহত ১০ জনের বেশিরভাগই ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং আরো চারজনকে স্কুলের ভেতর থেকে উদ্ধার করতে হয়েছে। 

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দমকলকর্মীরা মই ব্যবহার করে শিশুদের নিরাপদে নামিয়ে আনে। শিশুরা জানালা দিয়ে নিচের একটি কংক্রিটের কার্নিশে পালিয়ে গিয়েছিল।

ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিশু বর্ণনা করেছে, ‘হঠাৎ ধোঁয়ার গন্ধ পাই। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কেউ রান্না করছিল... তারপর সাইরেন বেজে উঠল।’ তিনি জানালেন, কীভাবে তারা রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নিচে নেমে স্কুলের মাঠে আশ্রয় নিয়েছিল।

ওই শিক্ষার্থী আরো বলেন, ‘আমরা দেখলাম সংগীত কক্ষটি আগুনে জ্বলছে এবং একটি বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। এটা ছিল ভীতিকর এবং অনেক শিশুরা কাঁদছিল।’


 

যদি ইউক্রেন পুড়ে যায়, তাহলে তোমাদের মস্কোও পুড়বে: জেলেনস্কি

অনলাইন ডেস্ক
যদি ইউক্রেন পুড়ে যায়, তাহলে তোমাদের মস্কোও পুড়বে: জেলেনস্কি
ছবি: রয়টার্স

ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি তেল শোধনাগারও রয়েছে বলে জানা গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর ওপর এটিকে অন্যতম বড় ইউক্রেনীয় হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

এই হামলার আগে ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক আক্রমণে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২২ সালের এপ্রিলের পর সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনে রুশ হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন। দেশটির ছয়টি অঞ্চলে একদিনেই এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

এদিকে রাশিয়া রাজধানী কিয়েভের একটি ঐতিহাসিক মঠ কমপ্লেক্সেও হামলা চালিয়েছে। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই স্থাপনাটি ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নিদর্শন। রুশ হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার মস্কোকে লক্ষ্য করে বড় আকারের ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে একটি তেল শোধনাগারও ছিল। ইউক্রেনের দাবি, এসব স্থাপনা রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাজধানীর দিকে আসার সময় প্রায় ১৮০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে কিছু ড্রোন বিভিন্ন স্থাপনায় আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর আগে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, 'ইউক্রেনের মানুষ এই যুদ্ধ চায় না। তারা কখনোই তা চায়নি। কিন্তু যদি ইউক্রেন পুড়ে যায়, তাহলে তোমাদের মস্কোও পুড়বে।'

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের ওপর রাশিয়া যে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে, তার জবাব হিসেবে ইউক্রেন মস্কোতে ড্রোন হামলা করেছে। তার মতে, এটি প্রতিশোধমূলক বা অযৌক্তিক কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং রাশিয়ার হামলারই পাল্টা প্রতিক্রিয়া। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইউক্রেন শুধু সাধারণ লক্ষ্যবস্তু নয়, বরং রাশিয়াকে যুদ্ধ পরিচালনায় সহায়তাকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোকেও লক্ষ্য করছে। মস্কোর তেল শোধনাগারের মতো স্থাপনায় হামলাকে তিনি ইউক্রেনীয় বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। ইউক্রেন শুধু নিজেদের রক্ষাই করছে না, বরং রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতাকেও দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে যুদ্ধে দুই পক্ষের কত সেনা নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে না। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যুদ্ধ তিন বছরের বেশি সময় ধরে চললেও এখনো সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের কোনো ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।

ইউক্রেনে জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশন (এইচআরএমএমইউ) চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানায়, এই বছরের মে মাস গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী ছিল। ওই মাসে রুশ হামলায় ২৭৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন আরো এক হাজার ৭৬৩ জন।

এদিকে রাশিয়ার ভেতরেও ইউক্রেনীয় হামলার ঘটনা ঘটছে। চলতি সপ্তাহে রুশ গণমাধ্যম জানায়, বেলারুশের একটি কিশোর ফুটবল দলকে বহনকারী একটি বাসে ইউক্রেনের হামলায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, ইউক্রেনের হামলার জবাবে রাশিয়া নিয়মিতভাবে বড় আকারের সম্মিলিত হামলা চালাবে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে ইউক্রেনকে নতুন করে সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে অতিরিক্ত ১০ কোটি ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। এর ফলে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে ১৮০ কোটি ডলারে। মার্লেস বলেন, রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা জোরদার করতে ইউক্রেনের যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, অস্ট্রেলিয়া সেই সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
 

গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনে জিতলেন বার্নহাম, চ্যালেঞ্জের মুখে কিয়ার স্টারমার

অনলাইন ডেস্ক
গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনে জিতলেন বার্নহাম, চ্যালেঞ্জের মুখে কিয়ার স্টারমার
ছবি : রয়টার্স।

উত্তর ইংল্যান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচনে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম সহজেই জয় পেয়েছেন। এই বিজয় তাকে লেবার পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে আরো শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে এবং প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) ভোরে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহাম অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকের রবার্ট কেনিয়নকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি হাউস অব কমন্সে একটি আসন নিশ্চিত করেছেন। এটি ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

অ্যান্ডি বার্নহাম ২৪ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং কেনিয়নের চেয়ে নয় হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন।
রিস্টোর ব্রিটেনের রেবেকা শেফার্ড অনেক ব্যবধানে তৃতীয় হয়েছেন। তার পেছনে অবস্থান করেছেন কনজারভেটিভ পার্টির মাইকেল উইনস্টানলি, গ্রিন পার্টির সারা ওয়েকফিল্ড এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটসের জেক অস্টিন।

বিজয়ী ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, ‘সবাই জানে যে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না।’

সকলেই বুঝতে পারবেন, দেশটি যেখানে থাকা উচিত সেখানে নেই। আজকের রাতটিই হতে পারে একটি সন্ধিক্ষণ। এখন থেকে আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে তা নিশ্চিত করব।

বিশ্লেষকদের মতে, অ্যান্ডি বার্নহামের এই জয় স্টারমারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরো বাড়াতে পারে। এতে স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে পারে বা তার নেতৃত্বকে ঘিরে বার্নহাম ও ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই সংসদ সদস্যরা নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পারেন। স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ করলে বার্নহামকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শ্রমিক ইউনিয়ন-সমর্থক ভোটার কিথ ডেভিস বলেন, ‘আমি কিয়ার স্টারমারের ওপর আস্থা হারিয়েছি। মনে হয় তিনি পথ হারিয়েছেন।’ একটি নতুন জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটিশদের ২৫ শতাংশ অ্যান্ডি বার্নহামকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করেন, যেখানে কিয়ার স্টারমারের সমর্থন ১২ শতাংশ।

স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হলে বার্নহাম হবেন ২০১৬ সালের ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী। ২০১৫ সালে লেবার নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে জেরেমি করবিনের কাছে পরাজিত হন।

২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার বড় জয় পেলেও স্টারমার এখন সমালোচনা ও অসন্তোষের মুখে। মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনে দলের বড় হার তার বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি আরো বাড়িয়েছে। গত দুই বছরে তার সরকারের ২০ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। তাদের অনেকেই তার নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ওয়েস স্ট্রিটিংও আছেন।

তবে স্টারমার পদত্যাগের দাবি মানছেন না এবং বলেছেন, নেতৃত্ব নিয়ে যেকোনো চ্যালেঞ্জ তিনি মোকাবেলা করবেন।

উত্তর ইংল্যান্ডে জনপ্রিয়তার কারণে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামে পরিচিত অ্যান্ডি বার্নহামকে নির্বাচনি প্রচারে লেবারকে বদলে দেশ বদলানোর কথা বলেছেন। মেয়র হিসেবে তিনি উত্তর ইংল্যান্ডের পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর পক্ষে কথা বলে জনপ্রিয়তা পান এবং লন্ডনকেন্দ্রিক রাজনীতি ও নব্য উদারনৈতিক অর্থনীতির সমালোচনা করেন।

২০১৭ সালে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি ২০২১ ও ২০২৪ সালে আবারও জয়ী হন। তিনি বলেন, ব্রিটিশ রাজনীতি অনেক বেশি লন্ডনকেন্দ্রিক এবং ট্রিকল-ডাউন অর্থনীতি ঠিকভাবে কাজ করেনি।

বিজয়ী ভাষণে তিনি মেকারফিল্ডকে তার রাজনীতির ‘মানদণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ‘মেকারফিল্ড টেস্ট’ নিশ্চিত করবে, অবহেলিত এলাকাগুলো ন্যায্যতা পাবে।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং গর্ডন ব্রাউনের অধীনে মন্ত্রী থাকা বার্নহাম এই নির্বাচনে সামান্য এগিয়ে ছিলেন বলে জরিপে দেখা যায়। লেবার পার্টির জোশ সাইমন্স আসন ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনটি হয় এবং বার্নহাম স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। প্রায় ৭৫ হাজার ভোটারের এই আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৮ দশমিক৭৫ শতাংশ, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় বেশি।