• ই-পেপার

ভারতে পেট্রোকেমিক্যালস প্ল্যান্টের পাইপলাইনে আগুন, আহত ৩০

ইরানি গবেষকের দাবি

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না যুক্তরাষ্ট্র

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদেশে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় দেওয়া এবং সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ওয়াশিংটন স্বতঃস্ফূর্ত অঙ্গীকার রক্ষা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে তেহরান।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ তোলেন তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলী আকবর দারেইনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দায়িত্ব রয়েছে কোনো শর্ত ছাড়াই দ্রুত ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করার। কিন্তু ওয়াশিংটন সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। এ বিষয়ে দারেইনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কোনো শর্ত ছাড়াই ইরানের জব্দ করা সম্পদ অবিলম্বে ছাড়তে বাধ্য। কিন্তু তারা তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করেনি।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি দুটি ধাপে বিভক্ত উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রথম ধাপে রয়েছে পারস্পরিক আস্থা তৈরির পদক্ষেপ এবং দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী নিজেদের দায়িত্ব পালন করছে না। এর ফলে চলমান আলোচনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে দাবি করেছেন ইরানি এই গবেষক। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কী করছে তা লক্ষ্য করুন। সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পক্ষ থেকে এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু তারা ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে আলাদা একটি চুক্তি করেছে, যা ওই সমঝোতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’

এ ধরনের পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকটি আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে না। দারেইনি আরো অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থ আটকে রেখেছে এবং এখন সেই অর্থকেই আলোচনার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

এর আগে ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইরানের জব্দ সম্পদ, নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক বিষয়গুলো বৃহত্তর কূটনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অর্থ ছাড়, আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ—এই তিনটি বিষয় বর্তমানে চলমান আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

খামেনির শেষ বিদায়ে ভারত থেকে যাচ্ছেন যারা

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির শেষ বিদায়ে ভারত থেকে যাচ্ছেন যারা
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠান আগামী ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিতে পারেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সূত্রগুলোর মতে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা ছাড়াও প্রতিনিধিদলে থাকতে পারেন বিহারের গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ আতা হাসনাইনও।

কে এই পবিত্র মার্গেরিটা?

আসামের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন পবিত্র মার্গেরিটা। ২০২৪ সালের জুন থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং বস্ত্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৭৪ সালের ১৩ অক্টোবর আসামের মার্গেরিটা শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজ শহরে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে গুয়াহাটির আসাম টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট থেকে টেক্সটাইল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজ করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তিনি অসমিয়া মাসিক ‘মায়া’ ও ‘সা রে গা মা’র প্রধান সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া ২০টিরও বেশি অসমিয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র এবং ১০০টির বেশি লোকসংগীত ও সমসাময়িক গানের প্রযোজনা করেন।

২০১৪ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি আসাম সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি আসাম সরকারের চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠান ‘জ্যোতি চিত্রবান ফিল্ম স্টুডিওর’ চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন এবং ২০২৪ সালের ৯ জুন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

খামেনির শোকানুষ্ঠানের কর্মসূচি

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে বিদায় অনুষ্ঠান, ৬ জুলাই রাজধানীতে মূল জানাজার শোভাযাত্রা, ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কুমে শোকানুষ্ঠান এবং ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান ও কাতারের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার দেশ থেকে একটি সরকারি প্রতিনিধিদল এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেবে।

উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়া-ইউক্রেনের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়া-ইউক্রেনের বৈঠক
ছবি : রয়টার্স

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনের হাতে আটক হওয়া দুই উত্তর কোরীয় সেনার ভবিষ্যৎ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউক্রেন মঙ্গলবার আলোচনা করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার জানিয়েছে, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ‘গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এবং ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা সিউলে বৈঠক করেন। গত বছরের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে যুদ্ধের সময় ওই দুই সেনাকে ইউক্রেনীয় বাহিনী আটক করে।

উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া তাদের ফেরত চাইলেও মানবাধিকার সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দেশে ফিরলে তারা কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। এ কারণে ওই দুই সেনা দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা কার্যত উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে যাওয়ার সমান।

দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, ওই সেনারা কোরীয় উপদ্বীপের নাগরিক হওয়ায় তাদের দক্ষিণ কোরিয়ায় নেওয়া যেতে পারে। কারণ, দক্ষিণ কোরিয়া পুরো কোরীয় উপদ্বীপকে একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করে। যদিও উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পরও আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তি চুক্তি না হওয়ায় এখনো প্রযুক্তিগতভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।

বৈঠকের পর দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির ভিত্তিতে বিষয়টি সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে। পাশাপাশি আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেন, তিনি ও দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনার বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন। জানা গেছে, উত্তর কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের সেনাদের নির্দেশ দিয়েছিল, রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে আটক হওয়ার চেয়ে আত্মহত্যা করতে। 

ইউক্রেনের হাতে আটক দুই উত্তর কোরীয় সেনার একজন চলতি বছরের শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাকে যদি দক্ষিণ কোরিয়ায় নেওয়া না হয়, তাহলে আমি মারা যাব।’ উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, দেশটির নেতা কিম জং উন ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত উত্তর কোরীয় সেনাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। 

তিনি বলেন, তারা মৃত্যুকে উপেক্ষা করে লড়াই করেছেন এবং আত্মত্যাগের উদাহরণ স্থাপন করেছেন। গত মার্চে চো হিউন জানান, ইউক্রেন সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে আটক দুই সেনাকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ক্ষেপণাস্ত্র, অস্ত্র ও হাজারো সেনা পাঠানোর বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার কাছ থেকে অর্থ, সামরিক প্রযুক্তি, খাদ্য ও জ্বালানি সহায়তা পেয়েছে। ২০২৪ সালে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের যেকোনো একটিতে হামলা হলে অন্য দেশ দ্রুত সামরিক সহায়তা দেবে।

এদিকে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালের অভিযানে কুরস্ক ওব্লাস্ট অঞ্চলে রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ৭ হাজারের বেশি উত্তর কোরীয় সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। সিবিহা আরো জানান, তিনি ও চো রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেছেন।

ফ্রান্সের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, হরমুজে মাইন অপসারণে ইরানের আধিপত্য

অনলাইন ডেস্ক
ফ্রান্সের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, হরমুজে মাইন অপসারণে ইরানের আধিপত্য
ফাইল ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ফ্রান্সের অংশগ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। সাম্প্রতিক পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজ শুধুমাত্র ইরানই করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম প্রেস টিভি বলছে, এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ ঘোষণা দেন, ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং মিত্র দেশগুলোর সহযোগিতায় ফ্রান্স হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের উদ্যোগ নেবে। যাতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা যায়। তার এই কথার পর গারিবাবাদি এ মন্তব্য করেন।

এর জবাবে ইরানের শীর্ষ এই কূটনীতিক বলেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী মাইন অপসারণের কাজ কেবল ইরানই করবে, অন্য কোনো দেশ নয়।’

কাজেম গারিবাবাদি আরো বলেন, বর্তমান ‘সংবেদনশীল ও জটিল’ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না।

ফ্রান্সকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে পরামর্শ দিচ্ছি, উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতিকে আরো জটিল করবেন না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়।

গত ১৭ জুলাই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে সই করে। এতে সব ফ্রন্টে স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধ, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখা এবং বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য অন্তত ৬০ দিন টোলমুক্ত চলাচল নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণাঙ্গ নৌ চলাচল পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।

তবে ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, হরমুজ প্রণালি যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না এবং এই কৌশলগত জলপথের ওপর নিজেদের সার্বভৌম অধিকার বজায় রাখবে।