• ই-পেপার

গাজায় যুদ্ধের ১০০০ দিন, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ কোন পথে?

গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ২ জনকে আটক করেছে পোলিশ নিরাপত্তা বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ২ জনকে আটক করেছে পোলিশ নিরাপত্তা বাহিনী
ছবি : পিএপি

পোল্যান্ডের ওয়ারশতে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ২ জনকে আটক করেছে পোলিশ নিরাপত্তা বাহিনী। এর মধ্যে  ১ জন বেলারুশিয়ান এবং ১ জন পোলিশ নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এই গ্রেপ্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পোলিশ বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর মুখপাত্র জ্যাসেক দোব্রজিনস্কি। খবর রয়টার্স

বিস্তারিত আসছে...

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস উল্টে নিহত ১৬, আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস উল্টে নিহত ১৬, আহত ২০
ছবি : রয়টার্স

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং আরো ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, বাসটি ওয়েস্টার্ন কেপের কেপ টাউন থেকে ইস্টার্ন কেপের ইদুত্যুয়া শহরের উদ্দেশ্যে ৭৮ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। পথে একটি ডেলিভারি ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে বাসচালক হঠাৎ মোড় নিলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর বাসটি উল্টে যায়।

রোড ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশনের (আরটিএমসি) মুখপাত্র সাইমন জোয়ানে বলেন, প্রথমে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে তদন্তের পর নিহতের সংখ্যা ১৬ জনে পৌঁছায়। আহতদের কেপ টাউন থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরের ওরচেস্টার শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অন্তত ৪৩ জন যাত্রী চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে আরটিএমসি ও দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। এদিকে শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, কুয়াশা, ধোঁয়া, কালো বরফ এবং কম দৃশ্যমানতার কারণে এ সময় সড়কগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, বুধবার লিম্পোপো প্রদেশের বেইটব্রিজ সীমান্ত এলাকায় মালাউইয়ের যাত্রী বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় চালক নিহত হয়েছিলেন। ফলে এক সপ্তাহের মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দ্বিতীয় বড় বাস দুর্ঘটনা।

গাজার সীমান্তে নতুন করে বসতি গড়লেন ৫ হাজার ইসরায়েলি

অনলাইন ডেস্ক
গাজার সীমান্তে নতুন করে বসতি গড়লেন ৫ হাজার ইসরায়েলি
সংগৃহীত ছবি

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার এক হাজার দিন পর গাজার সীমান্তবর্তী ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে পাঁচ হাজার মানুষ এসে বসবাস শুরু করেছেন। এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার আগে গাজার সীমান্তসংলগ্ন ওই এলাকায় প্রায় ৬২ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। হামলার পর নিরাপত্তার কারণে অনেক বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে চলে যান। তবে বর্তমানে তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসেছেন। ইসরায়েল সরকার আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার মানুষের বসবাস নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ জন্য পুনর্বাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন বাসিন্দাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের তেকুমা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৭ অক্টোবরের হামলার পর গাজা সীমান্তবর্তী এলাকার পুনর্বাসন ও উন্নয়নের দায়িত্ব তাদের দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সংস্থাটি ওই অঞ্চলে এক হাজারের বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, এসব প্রকল্পের মধ্যে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা আরো জোরদার করা, স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা, মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে সহায়তা দেওয়া, কৃষি খাতে নতুন বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানাকে ওই এলাকায় স্থানান্তরে উৎসাহ দিতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মতো উদ্যোগ রয়েছে। 

ইসরায়েল সরকারের আশা, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জনবসতি বৃদ্ধি পাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রমও আরো শক্তিশালী হবে।


 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সোমালিল্যান্ডের নতুন পদক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সোমালিল্যান্ডের নতুন পদক্ষেপ
ছবি : রয়টার্স।

সোমালিল্যান্ডের মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিক্রমে ‘সোমালিল্যান্ড-ইসরায়েল কৌশলগত সহযোগিতা ঘোষণাপত্র’ অনুমোদন করেছে। গত জুনে ইসরায়েল সফরের সময় সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই পক্ষের সহযোগিতা জোরদারের ভিত্তি তৈরি হবে। এতে আরো বলা হয়, ইসরায়েলই প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

 

১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সোমালিল্যান্ড নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েলের এই স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ এডেন উপসাগরে কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করা এবং ইরান ও তাদের আঞ্চলিক মিত্র, বিশেষ করে হুথিদের প্রভাব মোকাবেলা করা।