• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে আইসিএমপিডি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

৭ জুলাই পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
৭ জুলাই পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশনের পর্ব। বাজেট অনুমোদন এবং দুটি বিল পাসের পর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) আগামী ৭ জুলাই বিকেল ৩টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেছেন।

গত ৭ জুন শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট (দ্বিতীয়) অধিবেশনে বাজেটের ওপর দীর্ঘ আলোচনা, সম্পূরক বাজেট এবং অর্থ বিলসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বাজেটের সাধারণ আলোচনায় মোট ২৯১ জন সংসদ সদস্য (এমপি) অংশ নেন। এ আলোচনা চলে মোট ৪৫ ঘণ্টা ৫১ মিনিট। এর মধ্যে সরকারি দলের ২০০ জন সদস্য ৩২ ঘণ্টা ৩ মিনিট এবং বিরোধী দলের ৯১ জন সদস্য ১৩ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট বক্তব্য দেন।

ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের সংবাদ সম্মেলন

চলতি বছর রুশ সরকারি বৃত্তি পেলেন ২০০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
চলতি বছর রুশ সরকারি বৃত্তি পেলেন ২০০ বাংলাদেশি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, তরুণ গবেষক, সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের জন্য রাশিয়ার উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক বিনিময় ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির নতুন সুযোগের কথা জানিয়েছে ঢাকার রাশিয়ান হাউস। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রাশিয়া সরকারের বৃত্তির সংখ্যা ২০১৮ সালের ৬৫টি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৬ সালে ২০০-তে পৌঁছেছে। এর ফলে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য রাশিয়ার বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উচ্চশিক্ষার পথ সুগম হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীতে আয়োজিত রাশিয়ান হাউসের অর্ধবার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের প্রথমার্ধের কার্যক্রমের এই সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার পরিচালক আলেকজান্দ্রা খেলভনয় বলেন, ‘বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার শিক্ষাগত সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে।’ তিনি ঘোষণা দেন, আগামীতে ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রুশ ভাষা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রুশ ভাষা শেখাতে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকেরা সরাসরি বাংলাদেশে আসবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি সংস্থা ‘রোসআটম’-এর বিশেষ প্রকল্প ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’-এর আওতায় ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে একজন করে শিক্ষার্থী রাশিয়ার বিশেষ পারমাণবিক আইসব্রেকার জাহাজ ‘৫০ লেট পোবেদি’-তে করে উত্তর মেরুতে বৈজ্ঞানিক অভিযানে অংশ নেওয়ার বিরল সুযোগ পেয়েছেন।

পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন একাডেমিক অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের চিত্রও তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ‘ওপেন ইন্টারন্যাশনাল বায়োলজি অলিম্পিয়াড ২০২৬’-এ প্রজেক্ট রাউন্ডে ‘টিম বাংলাদেশ’ বিজয় অর্জন করেছে। এছাড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী তাসিন মোহাম্মদ ব্যক্তিগত বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাসিন নিজের সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

রাশিয়া সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক যুব কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীরা শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক বিনিময় কার্যক্রমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অংশ নিতে পারছেন। সংবাদ সম্মেলনে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম ২০২৬-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা তাদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। এর পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল, ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরাম, নিউ জেনারেশন প্রোগ্রাম এবং ‘চিলড্রেন ফর পিস’ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নের জন্য ‘ইন্টাররাশিয়া ফেলোশিপ’ ও ‘ওপেন ডায়ালগ’ কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরা হয়। এবারের ইন্টাররাশিয়া ফেলোশিপে নির্বাচিত বাংলাদেশি সাংবাদিক জিন্নাত আরা জাসোয়াকে অনুষ্ঠানে বিশেষ অভিনন্দন জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে অনলাইন মাধ্যমে যুক্ত হয়ে রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি (RUDN University)-এ অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফারজানা ইয়াসমিন নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। তিনি রাশিয়ার পড়াশোনার মান, আবাসন ব্যবস্থা, শিক্ষাপদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য থাকা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা জানান।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশন দূতাবাসের অ্যাটাশে ও প্রেস সেক্রেটারি সোফিয়া কুতেপোভা ‘রাশিয়ার জনগণের ঐক্যের বছর’ শীর্ষক একটি বিশেষ উপস্থাপনা প্রদর্শন করেন।

পরবর্তীতে উপস্থিত গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নানামুখী সম্ভাবনা নিয়ে একটি মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ান হাউসের পক্ষ থেকে দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কূটনীতি, চলচ্চিত্র উৎসব, শিল্প প্রদর্শনী, সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং যুব বিনিময় কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের ধারক ও বাহক : রাষ্ট্রপতি

বাসস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের ধারক ও বাহক : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উচ্চশিক্ষার বিস্তার, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা এবং উদ্ভাবনে অনন্য ভূমিকা পালন করে চলেছে।

আগামীকাল ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জাগরণ ঘটেছে এবং এরই ক্রমধারায় অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল। একই সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, মানবিকতা, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশেও এই বাতিঘরের কীর্তি অবিস্মরণীয়। দক্ষ মানবসম্পদ ও পেশাজীবী তৈরি, চিন্তক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তোলাসহ জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞানপীঠের অবদান অনন্য সাধারণ।

এই প্রেক্ষাপটে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ যথার্থ ও প্রাসঙ্গিক হয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষার পথিকৃৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

শিক্ষা ও গবেষণা পাঠ্যসূচিকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামীতেও গৌরবময় ঐতিহ্য ও একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখবে, জাতীয় জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে জনগণের পাশে থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান অব্যাহত রাখবে এটাই সবার প্রত্যাশা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগ দিলেন নতুন মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগ দিলেন নতুন মহাপরিচালক

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী যোগ দিয়েছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আ. ছালাম খানের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। 

আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধান কার্যালয়ে যোগ দেন তিনি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২১ মে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ১৯৯৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পেশ ইমাম হিসেবে যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি সেন্ট্রাল শরীয়া বোর্ড ফর ইসলামী ব্যাংক অব বাংলাদেশ-এর জেনারেল সেক্রেটারি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ-এর শরীয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। 

এ ছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শরীয়া বোর্ডের এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কওমি মাদরাসায় শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নবনিযুক্ত মহাপরিচালক দায়িত্বভার গ্রহণের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগারগাঁওস্থ সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি সভায় মিলিত হন। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োগ দানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরিবর্তে এটিকে দেশের আলেম-ওলামা, ইসলামিক চিন্তাবিদ এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে আরো কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য একজন আলেম নিয়োগ দান করেন।

তিনি পরিচ্ছন্ন কর্মপরিবেশ, শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের আলোকে কাজ করার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নতুন উদ্যমে নতুন কর্মপরিকল্পনায় কাজ শুরু করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবনিযুক্ত মহাপরিচালক।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিদায়ি মহাপরিচালক আ. ছালাম খান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ), নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক এস. এম. তরিকুল ইসলাম। 

এ সময় আরো বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের পরিচালক হাজেরা খাতুন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার, পরিচালক জাকাত ফান্ড বিভাগ ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির উপ-পরিচালক শাহ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।